This biodata is hidden. You can still view the biodata information, but no one can unlock the contact details until it is visible again.
male
বায়োডাটা নাম্বার
AH-103857
পাত্র HIDDEN
জন্ম তারিখ 1998-01-04
জাতীয়তা বাংলাদেশী
145 মোট ভিউ
প্রাথমিক তথ্য
আমি খুঁজছি পাত্রীর বায়োডাটা
জন্ম তারিখ 1998-01-04
জাতীয়তা বাংলাদেশী
IOM তথ্য
আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? না
সাধারণ তথ্য
বায়োডাটার ধরন পাত্রের বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
বর্তমান জেলা ঢাকা
বর্তমান বিভাগ ঢাকা বিভাগ
স্থায়ী জেলা ফেনী
স্থায়ী বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
জন্মসন (আসল) ১৯৯৮
গাত্রবর্ণ ফর্সা
উচ্চতা ৫'৩''
ওজন ৫৮ কেজি
রক্তের গ্রুপ O+
পেশা প্রাইভেট জব
মাসিক আয় 15000
ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা ছাগলনাইয়া, ফেনী
বর্তমান ঠিকানা ওয়ারী, ঢাকা।
কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) ফেনীতে
শিক্ষাগত যোগ্যতা
কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) কওমী মাদ্রাসা
আপনি কি হাফেজ? হ্যাঁ
দাওরায়ে হাদীস পাশ করেছেন? হ্যাঁ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া, চট্রগ্রাম
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা তাকমীল
অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা কিছু ডিজিটাল মার্কেটিং রিলেটেড কোর্স করা হয়েছে। ‘মুমিনের বিয়ে ভাবনা’ কোর্সটি করা হয়েছে (বিয়ের আগে প্রত্যেক ভাই-বোনের এই কোর্স করা খুবই জরুরি মনে করি। অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বিষয় জানা যায়)।RIBD এর বিবাহ সম্পর্কিত কোর্সটিও অত্যন্ত উপকারী জীবন ও যিন্দেগির খুবই এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ, শুধু গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ এই অধ্যায় শুরু করতে!
পারিবারিক তথ্য
পিতার পেশা প্রাইমারি স্কুলের টিচার ছিলেন, পরবর্তীতে অন্য একটা প্রাইভেট জবে নিযুক্ত ছিলেন।
মাতার পেশা রব্বাতুল বাইত
বোন কয়জন? ১জন
ভাই কয়জন? ৪জন
বোনদের সম্পর্কে তথ্য এসএসসি দিয়েছে ২০২৬ এ।
ভাইদের সম্পর্কে তথ্য ১। বড় ভাইয়া (বিবাহিত) BSC সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। এখন জব করছেন। ২। পাত্র নিজেই। ৩। ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে পড়ছে। ৪। মাদ্রাসায় কয়েক জামাত পড়েছে, বর্তমানে একটা চাকরি করছে।
চাচা মামাদের পেশা চাচা ৩ জন; ১। বড় চাচা প্রাইভেট জব করেন। ২। মেজো চাচা প্রাইভেট জব। ৩। ছোট চাচা কুয়েত প্রবাসী। মামা ২ জন; ১। বড় মামা বাড়ি দেখাশোনা করেন, পাশাপাশি কিছু চাষাবাদ করছেন। ২। ছোট মামার ঢাকায় বিজনেস আছে।
পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা মধ্যবিত্ত, স্বচ্ছল। সামাজিকভাবে সম্মানিত। আমাদের নিজেদের ঘর ভিটে ছাড়া সামান্য কিছু জমিজমা আছে । কোন ধার-কর্য নেই, আলহামদুলিল্লাহ্‌ আ’লা কুল্লি হাল!
আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ননা করুন ) (Required) আমার পরিবার অন্য সাধারণ মুসলিম পরিবারের মতই। সব সদস্য নামাজও ধারাবাহিকভাবে পড়েননা শুধুমাত্র আব্বু ছাড়া, আব্বুকে কখনো নামাজ ছেড়ে দিতে দেখিনি, (আল্লাহ তায়া’লা আব্বুকে ক্ষমা করেদিন! ফিরদাউসে জায়গা করে দিন!) বাকিরা কিছু পড়ে আবার কিছু ছেড়ে দেয়, এভাবে চলছে… পর্দার ব্যাপার হলো:- কেউ পরিপূর্ণ পর্দা মেনে চলেননা। তবে শালীনতা বজায় রেখে চলেন। আমার পুরো আত্মীয় স্বজন সবারই একই পরিস্থিতি। কেউই পূর্ণ দ্বীন মেনে চলেননা। মহান রব আমাকে নিজ দয়া গুণে দ্বীন মেনে চলার মানসিকতা দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। এখন তো পুরো ফ্যামিলি, আত্মীয় স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীর কাছে দ্বীনের দাওয়াত দেয়া আমারই দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমি যখনই কাউকে দ্বীনের পথে ফেরার কথা বলি, তখন একটা ব্যাপার খুব বেশি উপলব্ধি করি, তা হলো - যেকোনো ঘরের পুরুষকে দ্বীনের পথে আনার জন্য ঘরের মহিলাদের ভূমিকা অনেক অনেক বেশি থাকে। ফ্যামিলির মা-বোনেরা যদি আগে দ্বীনের পথে ফিরে আসেন তাহলে ভাইয়েরা খুব তাড়াতাড়ি দ্বীনে ফিরতে পারেন! আমরা ইচ্ছা করলেই তো আর মা-বোনদেরকে দাওয়াত দেয়া সম্ভব না, আবার আমরা মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছি তাই বাড়িতে থাকা বা সময় দেয়া খুব বেশি একটা সম্ভব হয়ে উঠেনি, এখনো উঠছেনা (আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সহজ করুন!)। এজন্য ফ্যামিলি, আত্মীয়-স্বজন ও সমাজে দ্বীন কায়েম করতে একজন দা'য়ীয়াহ জীবনসঙ্গিনী অনেক অনেক বেশি প্রয়োজন! আল্লাহ তায়া’লা দ্রুত মিলিয়ে দিন! আমার ফ্যামিলি মেম্বারদের জন্য সবসময় ফিকির ও দোয়া চলমান। আল্লাহ তায়া’লার কাছে খুব বেশি প্রত্যাশা করি যে, রব উনাদেরকে পূর্ণ দ্বীন মানার তাওফিক দিবেন। তবে আমার দ্বীন পালনের ক্ষেত্রে এখন সাপোর্টিভ এবং দ্বীনের ক্ষেত্রে সবাই আলহামদুলিল্লাহ সফট কর্ণার। পরিবেশ পরিবর্তন করতে হলে সংগ্রাম করতেই হয়, হবে। রব আমাকে ও সবাইকে দ্বীনের উপর অবিচলতা দান করুন!
পিতা কি জীবিত? না
মাতা কি জীবিত? হ্যাঁ
ব্যক্তিগত তথ্য
সুন্নতি দাঁড়ি রয়েছে কি? (Required) জি, আলহামদুলিল্লাহ!
পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরেন?(Required) জি, আলহামদুলিল্লাহ!
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? জি, আলহামদুলিল্লাহ।
নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) প্রাপ্তবয়স্ক/বালেগ হওয়ারও অনেক আগ থেকেই নামাজ পড়তাম যেহেতু হিফজ বিভাগে ও মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছি। বালেগ হওয়ার পর থেকে আমার জানামতে কোন নামাজ একেবারেই ছুটে যায়নি আলহামদুলিল্লাহ। একান্ত কোন সমস্যার কারণে যে নামাজ সময় মতো পড়তে পারিনি তা যথাসম্ভব পরবর্তী নামাজের আগেই বা স্বরণ হওয়ার পর কাজা আদায় করে নিয়েছি। ফালিল্লাহিল হামদু ওয়া লাহুশ শুকর! এটা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার অনেক বড় মেহেরবানি আমার উপর। রব আমৃত্যু এ-ই নিয়ামত জারি রাখুন!
মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? জি, সাধ্যমতো চেষ্টা করি। কিন্তু আত্মীয়স্বজন, আশপাশের মানুষজন দ্বীন না বুঝার/মানার কারণে কিছুটা কঠিন হয়ে যায়। আল্লাহুম্মাগফিরলি! এ-ই ফিতনার যুগে, অশ্লীলতায় পূর্ণ এ-ই সমাজে আমার মতো দুর্বল মুমিনের পক্ষে নজরের হিফাজত অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে যায়! এই চেষ্টায় বারবার হোঁচট খাই, বারবার পড়ে যাই, আবার উঠে দাঁড়াই। রব সহজ করুন, গুনাহমুক্ত জীবন গঠনের তাওফিক দিন! এজন্য যথাসম্ভব মোবাইলে ইউটিউব ফেসবুক ব্যবহার থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করি। আমি একান্তভাবেই খুব খুব করে চাই আমার পরবর্তী জেনারেশন এ-ই মহামারী থেকে বেচেঁ থাকবে, বিয়ের আগ পর্যন্ত তারা মোবাইল ব্যবহার থেকে সম্পূর্ণ রূপে দূরে থাকবে। মা-বাবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় অবশ্যই সম্ভব হবে ইন শা আল্লাহ। প্রোডাক্টিভ কাজের জন্য ল্যাপটপ ইউজ করা যেতে পারে! আল্লাহ তায়া’লাই উত্তম ব্যবস্থাপক ও একমাত্র তাওফিকদাতা! রবের দয়া ও তাওফিকের ভিখারি প্রতিটি মুহুর্তে!
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? জি, আলহামদুলিল্লাহ!
ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? পাঞ্জাবি, লুঙ্গি / পায়জামা
কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) একমাত্র খিলাফাহর ই স্বপ্ন দেখি, সেটাই একজন মুমিন হিসেবে প্রত্যেকের চাওয়া থাকে। মানবজাতির সকল সমস্যার একমাত্র সমাধানই খিলাফাহ!
নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? একেবারেই ছোট বয়স থেকে নাটক, সিনেমা,গান এসবের প্রতি আগ্রহ ছিলোনা। শিশুকালে খুব খেলাধুলা করতাম, আর খেলা দেখতাম। আলহামদুলিল্লাহ ১৩/১৪ বছর বয়সে খেলা দেখার বদভ্যাসও আল্লাহর রহমতে দূর হয়েছে।
মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) এলার্জির প্রবলেম আছে, খুব বেশি না। আলহামদুলিল্লাহ আ'লা কুল্লি হাল! এছাড়া গ্যাসের প্রব্লেম আছে। এ-ই প্রব্লেম শুধুমাত্র অনিয়ন্ত্রিত খাবারের কারণে হয়। নিয়মতান্ত্রিক ভালো খাবার খেলে এ-ই প্রব্লেম কারোরই থাকার কথা না। আমার ক্ষেত্রে সাধারণত এমন হয়।
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) আলহামদুলিল্লাহ, কুরআন কারীমের শিক্ষা দেয়ার চেষ্টা করি।
আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) হক্কানী কোন আল্লাহ ওয়ালার সঙ্গে মজবুত ইসলাহী সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারিনি। আল্লাহুম্মাগফিরলি! মাঝে মাঝে মুফতী মুশতাকুন্নবী কাসেমী হাফিজাহুল্লাহর মজলিসে যাওয়া হয়।
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) মাজার তো সাধারণ একটা কবর মাত্র। মাজার নিয়ে অতিরঞ্জন এগুলো খুবই অপছন্দনীয় কাজ। কবরে শায়িত ব্যক্তিটি যত বড় বুযুর্গ হোন না কেনো কবরে সিজদা করা, কবরে শায়িত কারও কাছে দুআ বা কিছু চাওয়া আল্লাহর সাথে শিরক! আল্লাহ আমাদের সকলকে এসব থেকে হিফাজত করুন!
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) আলহামদুলিল্লাহ, প্রচুর বই পড়া হয় একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে। এ-ই মুহূর্তে যেগুলোর কথা স্বরণে আসছে লিখছি! কুরআনুল কারীমের অনুবাদ ও তাফসীরের পরে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনীগ্রন্থ বেশি পড়া হয়; (আর রাহীক্বুল মাখতূম, মুলহিমুল আ'লাম- যার প্রেরণায় ধন্য পৃথিবী, নবীয়ে রহমত, সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া, তোমাকে ভালোবাসি হে নবী!)। তারপর আত্মশুদ্ধি মূলক বই বেশি পছন্দের- গুনাহমুক্ত জীবন, আত্মার ব্যাধি ও তার প্রতিকার ইত্যাদি। আরো কিছু প্রিয় বই:- আই লাভ কুরআন, “দাম্পত্যজীবন, অজ্ঞতা ও পরিণাম”(অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জীবন ও যিন্দেগির খুবই এবং খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ, শুধু গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ এই অধ্যায় শুরু করতে!), আফগানিস্তানে আমার দেখা আল্লাহর নিদর্শন, কারা জান্নাতি কুমারীদের ভালোবাসে, মরণজয়ী মুজাহিদ, জীবনপথের পাথেয়, রাহে মাঞ্জিল, সংগ্রামী সাধকদের ইতিহাস, পুষ্প, তুরস্কে- তুর্কিস্তানের সন্ধানে, বায়তুল্লাহর মুসাফির, বায়তুল্লাহর ছায়ায়, ওগো শুনছো!, ডানামেলা সালওয়া, সেপালকার ইন লাভ, বিয়ের আগে ইত্যাদি। প্রেমময় দাম্পত্য জীবন( সুন্দর একটা দাম্পত্য জীবন গঠন করতে এই বইটা প্রত্যেক ভাই-বোনের অবশ্যই পড়া উচিত)। আলহামদুলিল্লাহ, ছোটখাটো ব্যক্তিগত পাঠাগারের মতো বই সংগ্রহে ছিলো, (২০২৪ এর বন্যায় প্রায় বই নষ্ট হয়ে গেছে! আলহামদুলিল্লাহি আলা কুল্লি হাল)।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) মুফতী তাকী উসমানী, আদীব হুজুর, শায়খ আব্দুল মালিক, শায়খ সফিউল্লাহ ফুয়াদ, মুফতী মুশতাকুন্নবী, শায়খ হারুন ইজহার, শায়খ আহমাদুল্লাহ, মাওলানা কালীম সিদ্দিকী, মুফতী যুবায়ের আহমাদ হাফিজাহুমুল্লাহ সহ সকল হাক্কানী উলামায়ে কেরামগণ। احب الصالحين ولست منهم، لعل الله يرزقني صلاحا (আমি নেককারদের ভালোবাসি যদিও তাদের মতো হতে পারিনি, হয়তো আল্লাহ তায়া’লা এ-র বরকতে আমাকে নেককার বানিয়ে দিবেন); আমার অত্যন্ত প্রিয় একটি কবিতা।
নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন এ-ই অপশনটা আমার কাছে খুবই কঠিন মনে হচ্ছে, কারণ আমি তেমন কেউ নই যে, নিজের সম্পর্কে কিছু লিখবো। আবার এই বায়োডাটা যেহেতু লাইফের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোর একটির জন্য লিখা হচ্ছে তাই অল্পস্বল্প কিছু না লিখেও কোন উপায় নেই। যাতে আমাকে যিনি গ্রহণ করবেন তিনি মোটামুটি জেনে-বুঝেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ইয়া রব, আপনি কল্যাণের ফায়সালা করুন! আমরা আপনারই নিকট সাহায্যপ্রার্থী! রিয়া থেকে আমাদের হিফাজত করুন! ➡️ আমি কথা-বার্তা খুবই কম বলার চেষ্টা করি, নিজ থেকে খুব সহজে কারো সাথে মিশতে পারিনা। তবে দ্বীনি সার্কেলের কারো সাথে একবার মিশে গেলে তখন আবার তা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত বাকি থাকে আলহামদুলিল্লাহ। ➡️আমি গুছিয়ে কথা বলতে একদমই পারিনা, সর্বদা সত্যকথা বলার চেষ্টা করি, হিংসা, অহংকার, মিথ্যা কথা ও বেয়াদবি একদমই পছন্দ করি না, বেয়াদবি থেকে আলহামদুলিল্লাহ বেঁচে থাকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। আদব হলো সৌভাগ্যের সোপান,তাই সর্বদা আদবের সাথে থাকার চেষ্টা করি। ➡️ মানুষের সাথে উত্তম আচরণ করার চেষ্টা করি। ➡️ কিছুটা লাজুক স্বভাবের। ➡️সবর করার কিছু ক্ষমতা মহান রব নিজ অনুগ্রহে দান করেছেন, আলহামদুলিল্লাহ। ➡️বিলাসী জীবনযাপনে অভ্যস্ততা নেই এবং খুবই অপছন্দ করি, সাধ্যের মধ্যে সাদাসিধে জীবন বড্ড ভালোবাসি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা নিজ অনুগ্রহে পুরোপুরি নবীওয়ালা জিন্দেগী যাপনের তাওফিক দিয়ে দিন। মুমিন হালাল ইনকামের জন্য শ্রম ব্যয় করবে,তবে বিলাসিতা করবেনা, উপার্জনের টাকা ইসলাম ও উম্মাহর খিদমাতে সর্বোচ্চ পরিমাণে ব্যয় করবে- এমনটাই কাজে ও মন-মেজাজে লালন করার চেষ্টা করি। ➡️অহংকারী,লেবাসী অথবা জটিল প্রকৃতি লোকদের থেকে দূরে থাকতে চেষ্টা করি, সচ্ছ মনের মানুষদের ভালোবাসি। ➡️ব্যক্তিত্ববোধ, গাইরতবোধ সম্পন্ন, ইখলাসপূর্ন ও উত্তম আখলাকওয়ালা মানুষ আমার মুগ্ধতা আর শ্রদ্ধার পাত্র সবসময়ই। তেমনটা নিজে হতে পারিনি যদিও কিন্তু উনাদের অনুসরন করার চেষ্টা করি। ➡️মেহমানপ্রিয়। ➡️ইয়াতিম শিশুদের প্রতি খুবই মায়া হয়, হাদীসে পাকে তাদের সম্পর্কে অনেক ফজীলত বর্ণিত হয়েছে। এমন শিশুদের দায়িত্ব নেয়াও পরকালের পুঁজি যোগাড়ের বিশাল মাধ্যম। এমন শিশুদের নিয়ে কাজ করারও অনেক দিনের ইচ্ছা ও আগ্রহ আছে, ইন শা আল্লাহ। ➡️রবকে কর্জে হাসানাহ দেয়া ভীষণ ভালো লাগার কাজ গুলোর অন্যতম একটি। ➡️যতোটা সম্ভব আখিরাত গুছিয়ে নেয়ার মানসিকতা রাখি। কখনো পড়ে যাই,কখনো উঠে দাঁড়াই.... এভাবেই চলছে। ➡️কোন মুসলমানদের বিশেষ করে পরিবার বা প্রিয়জনদের শরীয়তবিরোধী কোন কার্যকলাপ দেখলে খুব বেশি খারাপ লাগে। কিন্তু দোয়া ও সতর্ক করা ছাড়া তো কিচ্ছু করতে পারিনা! মাঝে মধ্যে প্রচন্ড রাগ হয় এসব দেখলে কিন্তু পরক্ষণেই আবার এই চিন্তাও আসে - আমি নিজেই তো এখনো পুরোপুরি গুনাহ থেকে বাঁচতে পারিনা। ➡️আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- যতটুকু সম্ভব স্বাস্থ্য সচেতন থাকার খুব বেশি চেষ্টা করি, সুস্বাস্থ্য আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার অগণিত নিয়ামতের মধ্যে অনেক অনেক বড় একটা নিয়ামত। তাই এই ব্যাপারে খুব যত্নশীল হওয়া সবারই বিশেষ করে মুমিনদের অনেক বেশি প্রয়োজন! আমার এটাও একটা স্বপ্ন যে, আমার ফ্যামিলির প্রত্যেক সদস্যই এই ব্যাপারে খুব বেশি সচেতন ও যত্নশীল হবে। যে কাজ, অভ্যাস ও খাবার স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর তা থেকে সবাই বিরত থাকবে, ইন শা আল্লাহু তায়া’লা! ➡️প্রেম-ভালোবাসার নামে ছেলে-মেয়েদের অবৈধ সম্পর্কের মহামারী থেকে এবং গায়রে মাহরাম মহিলাদের সাথে বিনা প্রয়োজনে কথা-বার্তা বলা ও রসালো আলাপ করা, এসব থেকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা’য়ালা অনেক দূরে রেখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ্‌। *নিজের ব্যপারে যাই বলি সেটা বেশি হবে। আমার যেমন কিছু ভালো দিক আছে তেমনি অনেক খারাপ দিকও আছে। খারাপগুলো এড়িয়ে ভালো গুলো গ্ৰহণ করে এগিয়ে যাওয়ার নামইতো জীবন। দুনিয়াটাকে সামান্য একটা সফর মনে করে আখিরাতের সঞ্জীবনী গুছিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে আমি চেষ্টারত ইন শা আল্লাহ। যদিও এই চেষ্টায় বারবার হোঁচট খাই। রব, আপনি আমাদেরকে নফস ও শয়তানের উপর সদা বিজয়ী হওয়ার তাওফিক দিন!
কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? হানাফি
নজরের হেফাজত করেন? (Required) চেষ্টা করি
দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? ➡️ দ্বীন কায়েমের স্বপ্ন দেখি। ➡️ দ্বীনি মারকাজ, মাকতাবা প্রতিষ্ঠা করা। মানুষের জন্য দ্বীনি ইলমকে সহজলভ্য করে দেয়া সাদকায়ে জারিয়ার নিয়তে। ➡️ বাচ্চাদের উত্তম তরবিয়তে মুমিন মুত্তাকী জুনদুল্লাহ হিসেবে গড়ে তোলা, ইন শা আল্লাহ। ➡️ এমন একটা পরিবার গঠন করা যেখানে আল্লাহর কোন নাফরমানি হবেনা এবং সকল কাজে প্রিয় নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। যেখানের প্রতিটি সদস্যের কাছে সকল বিষয়ে শরীয়তের বিধান ও সিদ্ধান্তই সর্বাগ্রে থাকবে। যে পরিবারের প্রতিটি সদস্য হবে কুরআনুল কারীমের ধারক বাহক ইন শা আল্লাহু তায়া’লা। যে পরিবারের মা হবেন খুবই সচেতন, যার সন্তানেরা মায়ের কাছেই কুরআনুল কারীম হিফজ করে নিবে ইন শা আল্লাহ। দ্বীনের মৌলিক প্রায় সব বিষয় ঘর থেকেই শিখে ফেলবে। আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন কায়েমের জন্য অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিতে যে মা তার সন্তানদেরকে মহিলা সাহাবীদের রাঃ মতো পরম মমতাভরে সাজিয়ে দিয়ে বলবেন - যাও বাবা, এ-ই জমিনে আল্লাহর দ্বীন বিজয় না হওয়া পর্যন্ত ফিরে এসোনা! এমন একজনকেই চাই এ-ই জীবনে; তবেই তো এ জীবন সফল, যে ছোট্ট জীবনে শাহাদাহ লাভের দোয়া এবং তামান্না বড় স্থান দখল করে আছে। ইন শা আল্লাহ রবের দয়ায় সব সম্ভব হবে। বান্দার কাজ তো শুধুমাত্র চেষ্টা ও দোয়া করে যাওয়া। এমন একটা পরিবারের প্রত্যাশায় আছি, যে ব্যাপারে রব স্বয়ং দোয়া করতে শিখিয়ে দিয়েছেন -ربنا هب لنا من ازواجنا وذرياتنا قرة اعين، وجعلنا للمتقين اماما. ➡️ যে পরিবারে দৈনন্দিন কুরআনুল কারীমের তিলাওয়াত, সকাল সন্ধ্যার আমল, দরুদ শরীফের আমল, ইস্তেগফারের আমল, দোয়ার আমল এবং বিষয়ভিত্তিক কিতাবাদীর অধ্যয়ন থাকবে বাধ্যতামূলক! ওয়ামা তাওফিক্বী ইল্লা বিল্লাহ! ➡️ নিজের জীবন, জাওয, সন্তান সন্তুতি সবকিছু আল্লাহর রাস্তায় কুরবানী করার তামান্না আছে এবং দ্বীনের জন্য নিজের অনেক প্রাপ্তি ছাড় দেয়ার মানসিকতা আছে, জুনদুল্লাহদের মা হবেন এমন মানসিকতার কাউকে আশা করি। রব দ্রুত মিলিয়ে দিন! ➡️ আরো………………
অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) বই পড়ে, ঘুমিয়ে, নিকট আত্মীয়দের খোজ খবর নিয়ে, তিলাওয়াত শুনা হয় বিভিন্ন শায়খদের। যদিও অবসর সময় খুব কমই পাওয়া যায়!
কত ওয়াক্ত নামায জামাতের সাথে আদায় করেন? (Required) অনিবার্য কোন কারণ ছাড়া সবসময় জামাতের সাথে নামাজ আদায় করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি, আলহামদুলিল্লাহ।
বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) বাড়িতে ছুটির সময় ছাড়া সাধারণত থাকা হয়না। কর্মস্থলে যতটা সম্ভব নিজের কাজ নিজে করার চেষ্টা করি।
আপনি কি ধুমপান করেন? (Required) না
বিয়ে সংক্রান্ত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? জি
বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? ➡️ বিয়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার হুকুম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহ সকল নবীদের সুন্নাহ। ➡️ বর্তমান সময়ে ঈমান নিয়ে বাঁচা জ্বলন্ত অঙ্গার হাতে নিয়ে রাখার মতো। চারিদিকে অন্ধকার। আল্লাহর বান্দাদের পদস্খলন করাতে হাজারো আয়োজন এই সমাজে করে রাখা আছে। মাদরাসার নুরানি পরিবেশ, মসজিদের রুহানি মহলের মতো স্থানেও ফিতনার ছড়াছড়ি, গোমরাহির পদচারণা আজ। সেখানে সমাজের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান বা জায়গার কথা তো বলাই বাহুল্য। এটাই বাস্তবতা; অভিজ্ঞ ব্যক্তি মাত্রই জানবেন। এই কঠিন অবস্থায় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখা, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা, তাক্বওয়ার পথে চলা যেন এক মহা যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। ➡️ আখেরাতে আল্লাহর আযাব থেকে বাঁচতে, গুনাহে সয়লাব এই কঠিন পরিস্থিতিতে নফস এবং শয়তানের অবিরাম চক্রান্ত থেকে বাঁচতে পূণ্যবতী ও প্রেমময়ী জীবনসঙ্গিনী অত্যন্ত প্রয়োজন। মানুষ হালালভাবে চাহিদা পূরণ করতে না পারলে হারামের প্রতি সহজেই ধাবিত হয়। আমার স্ত্রীর মাধ্যমে নিজেকে পবিত্র রাখতে এবং আমার মাধ্যমে আমার স্ত্রীকেও পবিত্র রাখতেই এখনই বিয়ে করতে চাই ( দুনিয়াবী প্ল্যান-প্রোগ্রাম করে বিয়ে করতে গেলে আরো ৪-৫ বছর সময় লাগবে)। ➡️ বিয়ে তাকওয়া বৃদ্ধি এবং চরিত্র হেফাজতের সহায়ক হয় যদি কেউ আল্লাহকে ভয় করে, নিজেকে ফিতনাময় দুনিয়ার অনিষ্ট থেকে হেফাজত করতে যুদ্ধ করে। গুনাহ থেকে নিজেকে হেফাজতের ক্ষেত্রে বিয়ে সহায়ক হতে পারে ; তবে একমাত্র সমাধান নয়। ➡️ অনেকগুলো নেক সন্তানের মাধ্যমে দুনিয়ায় সাদাকায়ে জারিয়া রেখে যাওয়ার নিয়্যাতে বিয়ে করতে চাচ্ছি! ➡️ কেয়ামতের ময়দানে শহীদের বাবা হয়ে মহা সম্মানের অধিকারী হতে বিয়ে করতে চাচ্ছি! ইয়া রব, আপনি অনুগ্রহপূর্বক কবূল করুন এ-ই প্রত্যাশা ও স্বপ্নগুলো!
বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? জি, ইন শা আল্লাহু তায়া’লা।
বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? দ্বীনি ইলম অর্জনে সহযোগী হতে চাই।
বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? অসম্ভব, আল্লাহর পানাহ! উম্মাহর মায়েদের যেই বিশাল দায়িত্ব আল্লাহ রাব্বুল আলামীন দিয়েছেন তা একজন চাকরিজীবী মা কখনই যথাযথভাবে আদায় করতে পারেনা। একজন আত্মমর্যাদাবান পুরুষ একেবারেই অসহায় পরিস্থিতিতে না পড়লে কখনো নিজের সম্মানিতা স্ত্রীকে পর্দার সাথেও চাকরি করতে দিতে পারেনা। আল্লাহ হিফাজত করুন!
বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? নিজ বাসায়/ ভাড়া বাসায়
বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? কক্ষনো না, এটা কোন মুমিনের শান হতে পারেনা। আমি আশা করিনা, করবো না, নিবোনা; এটাই চূড়ান্ত ইনশা আল্লাহ! বিয়ে হবে পরিপূর্ণ সুন্নাহ মোতাবেক; ইন শা আল্লাহ।
পাত্র/পাত্রী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো ছাড় দেয়ার মানসিকতা রাখেন? আর্থিক অবস্থা ও জেলা
বিয়ের পর স্ত্রীর ভরনপোষন চালাতে পারবেন? হ্যা
আপনাার স্ত্রীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? যে মানুষটি নিজের প্রিয় মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন সবকিছু ছেড়ে আমার কাছে আসবেন তাকে সর্বোচ্চ ভালোবাসা দিয়ে সবসময় আগলে রাখা এবং তার সার্বিক সব বিষয়ের খেয়াল রাখা তো আমার প্রধান দায়িত্ব, যাতে তিনি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার কাছে এমন একজন জাওয পেয়ে সর্বদা শুকরিয়া আদায় করতে পারেন! রব আমাকে তাওফিক দান করুন! ★তাকে সর্বোচ্চ কেয়ার করা, তার ভালো লাগা এবং পছন্দ-অপছন্দের ব্যাপারে খেয়াল রাখা (শরীয়াহর সীমার মধ্যে)। আমার দ্বারা অন্যায়ভাবে উনি যাতে বিন্দু পরিমাণ কষ্টের ও জুলুমের সম্মুখিন না হোন, এ-ই ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা, ★তার মোহর পরিপূর্ণ আদায় করা, ★হালাল রিজিকের ব্যবস্থা করা, ★পর্দার ব্যবস্থা করা, ★স্ত্রীর সামনে নিজেকে পরিপাটি রাখা। কেননা, পুরুষরা তাদের সঙ্গিনীকে সুন্দরভাবে দেখতে পছন্দ করে। ঠিক একইভাবে স্ত্রীরাও তাদের সঙ্গীকে সুন্দরভাবে দেখতে পছন্দ করে, ★স্ত্রীর সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ (আর তোমরা স্ত্রীদের সঙ্গে সদাচারণ কর। (সূরা নিসা ১৯), ★স্ত্রীর ধর্ম, দেহ, যৌবন ও মর্যাদায় ঈর্ষাবান ও আত্মমর্যাদাবোধ-সম্পন্ন হওয়া এবং এসবে কোন প্রকার কলঙ্ক লাগতে না দেওয়া। কেননা, স্ত্রী উত্তম সংরক্ষণীয় ও হিফাজতের জিনিস। লোকের মুখে-মুখে, পরপুরুষদের চোখে-চোখে ও যুবকদের মনে-মনে বিচরণ করতে না দেওয়া; যাকে দেখা দেওয়া স্ত্রীর পক্ষে হারাম তাকে সাধারণ অনুমতি দিয়ে বাড়ি আসতে-যেতে না দেওয়া সুপুরুষের কর্ম এবং স্ত্রীর অধিকার, ★স্ত্রীর পরিবার ও বান্ধবীদের প্রতি বদান্যতা ও সুন্দর আচরণ দেখানো। আয়েশা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বকরী যবেহ করতেন তখন বলতেন, أَرْسِلُوا بِهَا إِلَى أَصْدِقَاءِ خَدِيجَةَ, ★স্ত্রীর গোপন বিষয় বা একান্ত মুহুর্তের বিষয়গুলো কাউকে না জানানো, ★শাসন ও সংশোধনের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখা, ★আল্লাহর কাছে তার জন্য দোয়া করা, ★শারীরিক এবং মানসিকভাবে তাকে সুখে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা, ★সকল বিপদে ঢাল হয়ে তার পাশে থাকা, ★সবসময় তার সহযোগী হয়ে থাকা, ★সংসার গোছাতে এবং সন্তান পালনে সহায়তা করা, ★প্রিয়তমা স্ত্রীর সঙ্গে সব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে পরামর্শ করা ও তাকে গুরুত্ব দেওয়া, ★ তার ভুল-ভ্রান্তি গুলোতে ধৈর্য ধারণ করা ও ভালোবাসা দিয়েই শোধরানোর চেষ্টা করা, ★সবমিলিয়ে দ্বীন পালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা এবং একজন উত্তম ওলী/অবিভাবক হওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করা। *আরেকটা বিষয়, স্বামী-স্ত্রীর মাঝে একটু আধটু মনোমালিন্য, ঝগড়াঝাটি হয়ই, সব পরিবারেই হয়। এসব তৃতীয় পক্ষকে না বলা, চাই সে যত আপনই হোন না কেন, তৃতীয় পক্ষের কারণে অনেকের সংসার নষ্ট হয়ে যায়। খুব বড় কোন সমস্যা হলে সমাধানের খাতিরে জ্ঞানী,অভিজ্ঞ কারো থেকে পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। অভিজ্ঞজন বলেন, অনেক পরিবার ভাঙ্গনের কারণ হলো দুইজন ব্যক্তি - ছেলের বোন, মেয়ের মা। এ-ই দুই ব্যক্তির কথা যদি কোন সংসারে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয় সে সংসার খুব তাড়াতাড়ি ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়।* আল্লাহ সবাইকে হিফাজত করুন! একটা সুখময় দাম্পত্য জীবনের জন্য দুজনকেই অনেক গুলো নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়, নিজ নিজ দায়িত্বের প্রতি সতর্ক থাকতে হয়। আমার উপর মূল মূল দায়িত্বগুলো উপরে উল্লেখ করা হয়েছে। আরো অনেক বিষয় আছে জানার ও মানার। রব আমাকে উত্তম জাওয হওয়ার তাওফিক দান করুন! একটা সুখময় দাম্পত্য জীবন দিন!
আপনার আহলিয়ার পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? হ্যা
অন্যান্য তথ্য
পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) আমি বর্তমানে ঢাকা এক মসজিদে মুয়াজ্জিন+সানী ইমাম হিসেবে আছি। বিজনেস নিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছি। ব্যবসার পাশাপাশি দ্বীনের খেদমতে ও বিভিন্ন দা'ওয়াহ মূলক কাজে যুক্ত থাকার ইচ্ছা। কারণ, ইসলামে আয়ের পথ হিসেবে ব্যবসাকেই প্রমোট করা হয়েছে এবং ব্যবসায় প্রচুর পরিমানে বরকত নিহিত রয়েছে, যেমনটি হাদীসে পাকে আমরা পেয়েছি। হালাল ইনকাম করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমার ভবিষ্যত দ্বীনী প্ল্যান গুলো বাস্তবায়ন করতে হলে অনেক বেশি আর্থিক সচ্ছলতার প্রয়োজন। আর আমার জীবনে বুঝ ব্যবস্থা হওয়ার পর থেকেই বিজনেসের প্রতি আমার অনেক বেশি আগ্রহ। যদিও এখনো কোন বিজনেস পুরোপুরি শুরু হয়নি আল্লাহ তায়া’লা চাহে তো শুরু হবে ইন শা আল্লাহ!
বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তায়া’লার অসীম দয়ায় আমি নিজে লেবাসধারী না হয়ে সবসময় আমলদার হওয়ার চেষ্টা করি। তাই আমার চাওয়াও আমলদার জীবনসঙ্গিনী। সেই মাদ্রাসার ব্যাকগ্রাউন্ডের নাকি জেনারেল ব্যাকগ্রাউন্ডের তা দেখার বিষয় না। আমি আমলওয়ালা মানুষদের সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি। আমি মূল মানুষটাকেই চাই, সেই আমলদার, অনুগত, সচেতন, ভদ্র হলেই আমার জন্য যথেষ্ট ইন শা আল্লাহ! *রক্তের গ্রুপ জানা নেই এখন, অনেক আগে একবার পরীক্ষা করেছিলাম তা স্বরণ নেই। সিলেক্ট করতে হবে তাই আপাতত একটা সিলেক্ট করে দিয়েছি। *আমার লিখার ভুল-ভ্রান্তি গুলো অনুগ্রহপূর্বক ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন! এতো বিস্তারিত লিখার উদ্দেশ্য হলো - যাতে একজন মানুষ সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা পাওয়া যায়, সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হয়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা’লা আপনাকে সর্বোত্তম জাযা দান করুন,দুনিয়া ও আখিরাতে সদা নিরাপত্তার চাদরে আবৃত রাখুন, দ্বীনের উপর আমৃত্যু অবিচল রেখে শাহাদাহর মহা সৌভাগ্য দিয়ে সম্মানিত করুন! ***বাইয়োডাটা পছন্দ হলে অবশ্যই পরামর্শ+ইস্তেখারা করে সামনে অগ্রসর হবেন!
যেমন জীবনসঙ্গী আশা করেন
বয়স (Required) সর্বোচ্চ ২৩ বছর
গাত্রবর্ণ উজ্জ্বল শ্যামলা, ফর্সা
নূন্যতম উচ্চতা যেকোনো
নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা যেকোনো, তবে দ্বীনী ইলম অর্জনে এবং কুরআনুল কারীম হিফজ করতে প্রচুর পরিমানে আগ্রহী ও সাধনাকারিনী হবেন।
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জীবনসঙ্গীর পর্দা সম্পর্কে যেমনটা চান- (Required) যিনি পর্দার বিষয়ে বিন্দু পরিমাণে ছাড় দিবেন না; সবসময় খুব বেশি সতর্ক ও সচেতন থাকবেন এই ব্যাপারে। কালো বোরখা, লং হিজাব,হাত মোজা,পা মোজা, চোখের উপরের পর্দা ফেলে বাইরে বের হবেন; মোটকথা যেভাবে চললে সর্বোচ্চ পরিমাণে নিজেকে আবৃত রাখা যায়!
পেশা (Required) ত্বলিবাতুল ইলম
অর্থনৈতিক অবস্থা নিম্নবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত
পারিবারিক অবস্থা (Required) সম্মানিত
জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন নারী হলেন ঘরের রানী; একজন নারীই পারেন একটা ঘরকে জান্নাতের বা জাহান্নামের টুকরা বানাতে। তিনি যেমন পরিচালনা করবেন, পরিবার সেই সাজেই সাজবে। তাই আমি নিচের গুণগুলো আমার মুহতারামাহর মধ্যে দেখতে চাই! আল্লাহ ব্যবস্থা করে দিন! ★জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে ও কাজে দ্বীনকে যিনি সর্বাগ্রে রাখবেন, প্রাধান্য দিবেন। দ্বীনের ব্যাপারে বিন্দু পরিমাণ আপোষ করতে রাজি হবেন না! ★রবের জন্য জান, মাল কুরবান করে দিতে বিন্দুমাত্র সংকোচ বোধ করবেন না। চাই তা নিজের কাছে যতই অপছন্দের বিধান হোকনা কেন! ★কুরআনুল কারীম হিফজ করতে খুব বেশি আগ্রহী হবেন। যাতে উনার সন্তানরা মাতৃগর্ব থেকেই কুরআনের সাহচর্যে বেড়ে উঠে। ★স্বামীর অনুগত ও আমানতদারিতার গুণে গুণান্বিত হবেন, (বিয়ের পর একজন মেয়ে যত বেশি স্বামীর অনুগত হয়ে চলে (অবশ্যই শরীয়তের সীমার মধ্যে থেকে) এবং অল্পে তুষ্ট থাকে, সে পরিবার তত বেশিই শান্তিময় হয়।) বিয়ের পরে একজন মেয়ে শরীয়তের ভেতর তার স্বামীর সমস্ত আদেশ মেনে চলা এবং সর্বদা স্বামীর পছন্দ অপছন্দ খেয়াল রেখে চলা - এটা সবচেয়ে বড় ইবাদত। যেমন হাদীসে পাকে এসেছে - নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি যদি (আল্লাহ ব্যতিরেকে) অপর কাউকে সিজদা করতে বলতাম তবে স্বামীদের জন্য রমণীদেরকে সিজদা করার নির্দেশ করতাম। (আবূ দাঊদ)। একটি বাস্তব ঘটনা আছে- এক মহিলা ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানী রাহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেন- .ফদ্বীলাতুশ শাইখ, আমি বিয়ের আগে বেশি বেশি নামাজ, রোজা আদায় করতাম, কুরআন তিলাওয়াত করে শান্তি অনুভব করতাম, নেক আমলে শান্তি পেতাম কিন্তু এখন আমি সেসব বিষয়ে ঈমানের স্বাদ খুঁজে পাই না.. .ইমাম আলবানী রহিমাহুল্লাহ ওই মহিলাকে জিজ্ঞেস করেন, হে আমার মুসলিম বোন, তুমি তোমার স্বামীর হক আদায় করা এবং তাঁর কথা শোনার ব্যাপারে কতটুকু মনোযোগী? .মহিলা একটু বিরক্তিবোধ করে বলে, শাইখ আমি আপনাকে নামাজ, রোজা, কুরআন তিলাওয়াত আর আল্লাহর আনুগত্যের কথা জিজ্ঞেস করছি, আর আপনি আমাকে আমার স্বামীর ব্যাপারে বলছেন! .শাইখ আলবানী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আমার বোন, অধিকাংশ মেয়ে এই কারণে ঈমানের স্বাদ, আল্লাহর আনুগত্যে, ইবাদতে তৃপ্তি পায় না। কেননা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মহিলা ঐ সময় অবধি ঈমানের স্বাদ বা তৃপ্তি পাবে না; যতক্ষণ পর্যন্ত নিজের স্বামীর হক্ব আদায় করবেনা। [কানযুল উম্মাল - ৪৪৮০০] ★স্বামী ঘরে থাকাকালীন যে স্ত্রী নফল নামাজ পড়তে ও নফল রোজা রাখতেও স্বামীর অনুমতি নিবেন, এমন মানুষকেই চাই। এমন মানুষেরই সংসার ও পরিবার অনাবিল সুখ-শান্তিতে ভরে উঠে নিমিষেই। এসব বিষয় না থাকার কারণে আজকাল অধিকাংশ সংসারে সুখের দেখা মিলেনা বা সংসারই টিকেনা। আল্লাহ এমন পরিস্থিতি থেকে আমাদের সকলকে হেফাজত করুন! আমিন। ★যিনি স্বামীর জন্য সবসময় সেজেগুজে থাকবেন। স্বামীর হৃদয়ের দরজা খোলার একটা মোক্ষম হাতিয়ার ‘স্বামীর জন্য স্ত্রী সাজসজ্জা করা।’ ঘরের স্ত্রী স্বামীর জন্য সেজেগুজে না থাকলে ঘরে সুন্দরী স্ত্রী রেখেও পুরুষ অন্য নারীর দিকে ধাবিত হয়ে যায়! এ-ই কঠিন ফেতনার যুগে স্ত্রী নিজেও বাঁচতে হবে, স্বামীকেও বাঁচাতে হবে। ★হাসিখুশি, অল্পে তুষ্ট। ★স্বভাবগতভাবে ব্যক্তিত্বসম্পন্না হবেন। ইসলামীক জ্ঞান অর্জনে অনেক বেশি আগ্রহী হবেন। শ্বাশুড়িকে নিজের আম্মু মনে করবেন, আপন করে নিবেন। যেকোনো পরিস্থিতিতে হাল ছেড়ে না দিয়ে সলুশ্যন করার চেষ্টা করবেন। আল্লাহ প্রাচুর্য দান করলে শুকরিয়া আদায়, প্রাচুর্য কেড়ে নিলে সবর করার মানসিকতা রাখবেন। ★আমার ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন, তার ভুলগুলো আমি ধরিয়ে দিলে মেনে নিবেন (আল্লাহর হুকুমের বাহিরে নয়)। ★পরবর্তী প্রজম্মকে দ্বীনের দ্বায়ী করে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সামনে এগিয়ে চলবেন। *ফ্যামিলি, আত্মীয়- স্বজন ও সমাজে দ্বীন কায়েম করতে একজন দা'য়ীয়াহ জীবনসঙ্গীনী অনেক বেশি প্রয়োজন! আল্লাহ তায়া’লা মিলিয়ে দিন! পরিপূর্ণ দ্বীন পালনের প্রয়োজনে একসাথে পথচলার জন্য যিনি সহযাত্রী খুঁজছেন আমি তাঁর অপেক্ষায়!! রব সহজ করুন!
জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) যেকোনো জেলা
কর্তৃপক্ষের জিজ্ঞাসা
বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? হ্যা
আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? হ্যা
কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? হ্যা
যোগাযোগ
This biodata is currently hidden, so new contact unlocks are disabled.

সর্বমোট ভিউ: 145 ভিউস