স্থায়ী ঠিকানা | চন্দ্রঘোনা রাংগুনিয়া চট্টগ্রাম |
---|---|
বর্তমান ঠিকানা | চন্দ্রঘোনা রাংগুনিয়া চট্টগ্রাম |
কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) | চন্দ্রঘোনা রাংগুনিয়া চট্টগ্রাম |
বায়োডাটার ধরন | পাত্রের বায়োডাটা |
---|---|
বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত |
বর্তমান ঠিকানা | চট্টগ্রাম |
বিভাগ | চট্টগ্রাম বিভাগ |
স্থায়ী ঠিকানা | চট্টগ্রাম |
বিভাগ | চট্টগ্রাম বিভাগ |
জন্মসন (আসল) | ২০০১ |
গাত্রবর্ণ | উজ্জ্বল শ্যামলা |
উচ্চতা | ৫'৮'' |
ওজন | ৮৮ কেজি |
রক্তের গ্রুপ | O+ |
পেশা | ব্যবসা |
মাসিক আয় | 80,000 |
কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) | মাদ্রাসা |
---|---|
আপনি কি হাফেজ? | হ্যাঁ |
দাওরায়ে হাদীস পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা | হাফেজ ,,মাওলানা |
অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা | দাখিল দিয়েছি সরকারি |
আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? | না |
---|---|
পিতার পেশা | সাবেক ইমাম বায়তুর রিদুয়ান জামে মসজিদ সৌদি আরব জেদ্দা |
---|---|
মাতার পেশা | রাব্বাতুল বাইত |
বোন কয়জন? | ৪জন |
ভাই কয়জন? | ১জন |
বোনদের সম্পর্কে তথ্য | আপনার কতজন বোন আছেঃ ৪জন, ১ম বোন , বিবাহিতা (গৃহিণী), আলেমা হাসবেন্ড : মাওলানা, ইমাম আবুধাবি। ২য় বোন: বিবাহিতা ,আলেমা,( গৃহিণী ) হাসবেন্ড : হাফেজ মাওলানা , ইমাম, কাতার। পুরো পরিবার কাতার প্রবাসী। তাপর আমরা ২ ভাই ৩য় বোন: আলেমা ,অবিবাহিতা ,পেশা নিজেদের মাদ্রাসা খেদমত। ৪র্থ বোন ; হাফেজা , আলেমা পেশা নিজেদের মাদ্রাসা খেদমত। |
ভাইদের সম্পর্কে তথ্য | ভাই হাফেজ মাওলানা (অবিবাহিত) ২জনকে একসাথে করাবেন শাদি ইনশাআল্লাহ |
চাচা মামাদের পেশা | মামা ৪: সবাই প্রবাসী & আলেম চাচা ৬: ৩জন প্রবাসী & ৩জন ব্যাবসায়ী ৫জন আলেম ১ জন জেনারেল |
পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা | , আলহামদুলিল্লাহ সামাজিক ভাবে ও অনেক ডাক নাম আছে অনেক সম্মানিত আলহামদুলিল্লাহ "আমাদের পরিবার একটি উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবার, যেখানে আল্লাহর রহমতে আর্থিক অবস্থান ভালো। আমাদের কাছে একটি ২ তলা বিশিষ্ট ডুপ্লেক্স বাড়ি রয়েছে, যা আমাদের বসবাসের জন্য ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও, বিভিন্ন ধরনের বাসা এবং দোকান ভাড়া দেওয়া আছে, যার মাধ্যমে প্রতি মাসে একটি বড় অংকের ভাড়া আসে। আমার ও বড় ভাইয়ের নিজস্ব ব্যবসা রয়েছে, এবং আমাদের মালিকানাধীন জায়গাগুলোর মূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকার মতো। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সম্মানজনকভাবে জীবনযাপন করছি এবং আমাদের আর্থিক অবস্থা স্থিতিশীল। এসব বিষয় উল্লেখ করার উদ্দেশ্য হলো, যাতে শরিয়তের কুফু মিলানো সহজ হয় এবং যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে আমাদের আর্থিক সামর্থ্য পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়।" |
আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ননা করুন ) (Required) | আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো ১০০% দ্বীনি পরিবেশ । |
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? | জ্বি |
---|---|
নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) | ছোট থেকেই আলহামদুলিল্লাহ |
মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? | আলহামদুলিল্লাহ ১০০% মেনে চলি। |
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? | আলহামদুলিল্লাহ হাফেজে কোরআান |
ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? | জুব্বা পায়জামা টুপি , |
কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) | নাহ |
নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? | নাহ |
মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) | নাহ আলহামদুলিল্লাহ ,তবে বেশি ঠান্ডা সহ্য করতে পারি না। |
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) | তাবলীগ |
আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) | না |
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) | শিরিক |
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) | আল কোরআন ,,হাদিস, নবীর জীবনী। |
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) | আল্লামা মুফতি ত্বকি উসমানি হাফিঃ, ,আরিফ বিন হাবিব হাফিঃ হাসান জামিল হাফিঃ , আরো অনেক আছেন নাম বলে শেষ করা যাবে না। |
বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) | নাই |
নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন | *নিজের সম্পর্কে কিছু কথা:* আমি একজন গায়রত ওলা ছেলে, যার জীবনে দ্বীনের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রয়েছে। আল্লাহর হুকুম এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত অনুসরণ করা আমার জীবনের প্রধান উদ্দেশ্য। আমি বিশ্বাস করি যে, আমাদের জীবনে প্রকৃত শান্তি, সাফল্য এবং সুখ শুধুমাত্র দ্বীনের পথে চলার মাধ্যমে পাওয়া যায়। তাই আমি সবকিছুর ব্যাপারে ছাড় দিতে পারি, কিন্তু দ্বীনের ব্যাপারে এক বিন্দুও ছাড় দেওয়ার প্রশ্ন আসে না। দ্বীনের প্রতি আমার নিষ্ঠা এবং ইমান কখনোই কম হবে না, এবং সবসময় আমি চেষ্টা করি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে। আমি জানি, দুনিয়ার জীবনে অনেক কিছুই পরিবর্তনশীল এবং অস্থায়ী, কিন্তু আখেরাতের সফলতা চিরস্থায়ী। তাই আমি দুনিয়ার জীবনের চেয়ে আখেরাতের ফিকির এবং চিন্তা বেশি করি। প্রতিটি কাজের মধ্যে আমি আল্লাহর রাস্তায় চলার জন্য চেষ্টা করি এবং জীবনের সব পদক্ষেপে ইসলামের আদর্শকে অনুসরণ করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করি। এছাড়া, আমি বিশ্বাস করি যে, গায়রত শুধু ব্যক্তিগত জীবনে নয়, বরং সমাজে এবং ইসলামী মূল্যবোধে এগিয়ে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহর হুকুমকে শ্রদ্ধা করা এবং তাঁর দীনকে সঠিকভাবে মেনে চলা এই পৃথিবীতে শান্তি এবং আখেরাতে সাফল্য এনে দেয়। আমি কখনোই দ্বীনের ব্যাপারে আপোস বা ছাড় দিই না, এবং সমস্ত বিষয়ে আমি দ্বীনের দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করি। আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং তাঁর পথে চলা আমার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্য, এবং আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করি আল্লাহর রাস্তায় চলার জন্য। আমার জীবনটি যদি আল্লাহর পথে কাটাতে পারি, তাহলে মনে করি, আমি সফল। আমার জীবনের প্রতিটি দিন, প্রতিটি কাজ এবং প্রতিটি মুহূর্ত হবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নিবেদিত। দ্বীনের প্রতি আমার এই অবিচল আনুগত্যই আমার জীবনের প্রধান ভিত্তি। |
আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন | প্রযোজ্য নয় |
কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? | হানাফি |
নজরের হেফাজত করেন? (Required) | হ্যা |
দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? | আল্লাহ তায়ালা একমাত্র মহান রবের সন্তুষ্ট অর্জন করা। দুনিয়া কে খুব বেশি প্রাধান্য না দিয়ে, |
অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) | কোরআন তেলাওয়াত করে |
বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) | ,আলহামদুলিল্লা যখন যেটা আদেশ করেন সেটা পালন করি |
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? | হা |
---|---|
বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? | কেন বিয়ে করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কিঃ বিয়ে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ পবিত্র ইবাদত। দ্বীন পরিপূর্ণ করার জন্য । নবীর সুন্নাহ কে অনুসরণ করার জন্য এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। এছাড়াও জীবনে একজন প্রকৃত উওম জীবনসঙ্গী থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । নিজের অন্তর্কে গুনাহ মুক্ত রাখার জন্য, চক্ষু হেফাজত করার জন্য, গুনাহ থেকে বাঁচার জন্য , *বিয়ে কেন করছি? বিয়ে সম্পর্কে ধারণা:* বিয়ে একটি পবিত্র বন্ধন, যা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হওয়া উচিত। আমি বিয়ে করছি শুধুমাত্র আল্লাহর নির্দেশনা অনুসরণ করে, তাঁর رضا (সন্তুষ্টি) অর্জনের উদ্দেশ্যে। বিয়ে ইসলামিক জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক, যা সামাজিক, পারিবারিক এবং দ্বীনি দায়িত্বের পাশাপাশি, আখেরাতের সাফল্য অর্জনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "বিয়ে করা আমার সুন্নত এবং যারা আমার সুন্নত পালন করবে, তারা আমার উম্মত" (হাদীস)। এই কারণে, আমি বিয়ে করছি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং সুন্নত পালনের লক্ষ্য নিয়ে। বিয়ে হওয়ার মাধ্যমে, আমি একজন জীবনসঙ্গী পেতে চাই, যার সঙ্গে আমি দ্বীনের পথে চলতে পারি, যার দ্বারা আমার ঈমান শক্তিশালী হবে এবং যার মাধ্যমে আমরা একে অপরকে ইসলামের পথে পরিচালিত করতে পারব। বিয়ে একে অপরকে সহায়তা করার, সুখ-দুঃখে সঙ্গী হওয়ার এবং দ্বীনের আদর্শে জীবন কাটানোর একটি সুন্দর পথ। এছাড়া, আমি বিশ্বাস করি যে, বিয়ে আমাদের পারিবারিক জীবনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করে তোলে। একজন জীবনসঙ্গী একে অপরকে দ্বীনি দায়িত্ব পালন, সহানুভূতি, ভালোবাসা এবং একে অপরের প্রতি আস্থার মাধ্যমে ইসলামের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। অতএব, আমি বিয়ে করছি শুধু দুনিয়ার সুখের জন্য নয়, বরং আখেরাতের সফলতা লাভের জন্য। আমি চাই, আমার জীবনসঙ্গী এবং আমি একসাথে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারি এবং জান্নাতের দিকে আমাদের পথ সুগম হোক। |
বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? | আলহামদুলিল্লাহ ১০০% পারবো |
বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? | না |
বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? | নাহ ,তবে আমাদের নিজেদের মাদ্রাসা আছে সেখানে খেদমত করতে পারবে । |
বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? | নিজেদের বাসায়। |
বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? | নাহ, নাহ ,নাহ |
পাত্র/পাত্রী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো ছাড় দেয়ার মানসিকতা রাখেন? | আর্থিক অবস্থা |
বিয়ের পর স্ত্রীর ভরনপোষন চালাতে পারবেন? | হ্যা |
আপনাার স্ত্রীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? | মহান আল্লাহর মনোনীত একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থার নাম ইসলাম। একজন স্ত্রী যেমন স্বামী ছাড়া অপরিপূর্ণ ঠিক তেমনিভাবে একজন স্বামীও স্ত্রী ছাড়া অপরিপূর্ণ। সৃষ্টিগতভাবেই মহান আল্লাহ এই সম্পর্কটাকে একে অপরের সহায়ক এবং পরিপূরক হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, নারীরা পুরুষের অর্ধাংশ। (আবু দাউদ, তিরমিজি)। একজন স্ত্রীর কাছে স্বামীর যেমন কিছু হক বা অধিকার রয়েছে, তেমনি একজন স্বামীর কাছেও স্ত্রীর কিছু হক বা অধিকার রয়েছে। মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, পুরুষগণ নারীদের প্রতি দায়িত্বশীল, যেহেতু আল্লাহ একের ওপর অন্যকে প্রাধান্য দিয়েছেন এবং তারা তাদের সম্পদ হতে ব্যয়ও করে।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৩৪) স্ত্রী হলেন সহধর্মিণী, অর্ধাঙ্গিনী, সন্তানের জননী, তাই স্ত্রী সম্মানের পাত্রী। স্ত্রীর রয়েছে বহুমাত্রিক অধিকার, এবং রয়েছে কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য। যদি স্বামী ও স্ত্রী উভয়ে এবং উভয়ের পরিবার প্রত্যেকে নিজ নিজ অধিকারের সীমানা ও কর্তব্যের পরিধি জেনে তা চর্চা করে তাহলে তাদের সাংসারিক জীবন আরো অনেক বেশি সৌন্দর্যমণ্ডিত হবে। তুমি ও তোমার স্ত্রীর মাঝে জন্মগতভাবে কোনো পার্থক্য নেই। আল্লাহ্পাক হাওয়া (আ.)-কে হজরত আদম (আ.)-এর বুকের বাম পাশের হাড় থেকে সৃষ্টি করেছেন। তাই বলা হয় নারী পুরুষেরই অংশ। তোমার শরীরের যেকোনো স্থানে আঘাত লাগলে তুমি কষ্ট পাও। আঘাত যেন না লাগে, সে ব্যবস্থা কর। সে কারণে তোমার স্ত্রীর প্রতিও লক্ষ রাখবে, সে-ও তোমার শরীরের একটি অংশ। ইজাব কবুলের মাধ্যমে সে তোমার কাছে এসেছে, তুমি তোমার শরীরের সঙ্গে যেমন ব্যবহার কর, স্ত্রীর সঙ্গেও সেরূপ ব্যবহার কর। তুমি স্ত্রীর কাছ থেকে যেমন মহব্বতপূর্ণ মোলায়েম ও ভক্তিপূর্ণ কথা আশা কর, স্ত্রীর সঙ্গে তুমিও এমন কথা বল যেন তোমার কথা থেকে মহব্বত ও ভালোবাসা ঝরে পড়ে। মহান আল্লাহপাক বলেন, ‘তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) সঙ্গে উত্তম আচরণ করো। আর যদি তাকে তোমার অপছন্দও হয়, তবুও তুমি যা অপছন্দ করছ হয়তো আল্লাহ তাতে সীমাহীন কল্যাণ দিয়ে দেবেন। (সুরা : নিসা, আয়াত : ১৯)। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, কোনো মুমিন পুরুষ মুমিন নারীর ওপর রাগান্বিত হবে না। কেননা যদি তার কোনো কাজ খারাপ মনে হয়, তাহলে তার এমন গুণও থাকবে, যার জন্য সে তার ওপর সন্তুষ্ট হতে পারবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৪৬৯)। অন্য এক হাদিসে এসেছে, তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক ভালো মানুষ তারাই, যারা তাদের স্ত্রীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১১৬২)। অন্যত্র রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পুরুষদের নির্দেশ দিয়েছেন যে, তুমি যখন খাবে, তাকেও খাওয়াবে এবং তুমি যখন পরিধান করবে, তাকেও পরাবে। তার চেহারায় কখনো প্রহার করবে না। তার সঙ্গে অসদাচরণ করবে না। (আবু দাউদ, হাদিস : ২১৪২, মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ১৮৫০১)। স্ত্রীর প্রতি স্বামীর কর্তব্য : সুখকর দাম্পত্য জীবন, সুশৃঙ্খল পরিবার, পরার্থপরতায় ঋদ্ধ ও সমৃদ্ধ স্বামী-স্ত্রীর বন্ধন অটুট রাখার স্বার্থে ইসলাম জীবনসঙ্গী স্বামীর ওপর কিছু অধিকার আরোপ করেছে। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এখানে প্রদত্ত হলো। ১. দেনমোহর দেওয়া। স্বামীর জন্য স্ত্রীর দেনমোহর পরিশোধ করা ফরজ। এর প্রাপ্য স্ত্রী নিজে। তার পিতা-মাতা কিংবা অন্য কারো জন্য এই হক নয়। আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআন মাজীদে বলেন, তোমরা প্রফুল্ল চিত্তে স্ত্রীদের মোহরানা দিয়ে দাও। (সুরা : নিসা, আয়াত : ৪)। ২. বাসস্থানের ব্যবস্থা করা : নিরাপদ বাসস্থান বা নিরাপদ আবাসন। অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রীকে থাকার জন্য এমন একটি ঘর বা কক্ষ দেবেন, যে ঘর বা কক্ষে স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া (স্বামী ব্যতীত) কেউই প্রবেশ করতে না পারে। এমনকি স্বামীর মা-বাবা, ভাই-বোনও না। স্ত্রীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনে এই ঘরে বা কক্ষে তিনি তালাচাবিও ব্যবহার করতে পারেন। স্ত্রীর ব্যক্তিগত বা গোপনীয় বিষয়ে স্বামী ছাড়া কেউ নাক গলাতে পারবেন না। স্ত্রীর ট্রাঙ্ক ও আলমারি স্বামী ছাড়া কেউ দেখতে পারবেন না। স্ত্রীর চলাফেরা বা আচার-আচরণ শ্বশুর-শাশুড়ির অপছন্দ হলে তাকে আলাদা বাড়ি বা ঘর করে দেওয়া উচিত। প্রয়োজনে স্ত্রীর ব্যবহূত কাপড়চোপড় ধুয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাও স্বামীকেই করতে হবে এবং স্ত্রীর ফুটফরমায়েশ ধরার জন্য একজন কাজের লোকও রাখবেন স্বামী (কিতাবুন নিকাহ)। ৩. স্ত্রীর ভরণ-পোষণের ব্যবস্থা করা। সামর্থ্য ও প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী স্ত্রীর ভরণ-পোষণ করা স্বামীর কর্তব্য। স্বামীর সাধ্য ও স্ত্রীর চাহিদার ভিত্তিতে এ ভরণ-পোষণ কম বেশি হতে পারে। অনুরূপভাবে সময় ও স্থানভেদে এর মাঝে তারতম্য হতে পারে। মহান আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, বিত্তশালী স্বীয় বিত্তানুযায়ী ব্যয় করবে। আর যে সীমিত সম্পদের মালিক সে আল্লাহ প্রদত্ত সীমিত সম্পদ থেকেই ব্যয় করবে। আল্লাহ যাকে যে পরিমাণ দিয়েছেন, তারচেয়ে বেশি ব্যয় করার আদেশ কাউকে প্রদান করেন না (সুরা : তালাক, আয়াত : ৭)। ৪. স্ত্রীর প্রতি স্নেহশীল ও দয়ালু থাকতে হবে : স্ত্রীর প্রতি রূঢ় আচরণ করা যাবে না। তার সহনীয় ভুলসমূহকে ক্ষমা করে ধৈর্যধারণ করা। স্বামী হিসেবে সবার জানা উচিত, নারীরা মর্যাদার সম্ভাব্য সবকটি আসনে অধিষ্ঠিত হলেও, পরিপূর্ণরূপে সংশোধিত হওয়া সম্ভব নয়। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা নারীদের ব্যাপারে কল্যাণকামী হও। কারণ, তারা পাঁজরের হাড় দ্বারা সৃষ্ট। পাঁজরের ওপরের হাড়টি সবচেয়ে বেশি বাঁকা। (যে হাড় দিয়ে নারীদের সৃষ্টি করা হয়েছে)। তুমি একে সোজা করতে চাইলে, ভেঙে ফেলবে। আবার এ অবস্থায় রেখে দিলে, বাঁকা হয়েই থাকবে। তাই তোমরা তাদের কল্যাণকামী হও এবং তাদের ব্যাপারে সৎ-উপদেশ গ্রহণ কর।’ (সহিহ বুখারি)। ৫. স্ত্রীর প্রতি যত্নশীল ও সতর্ক হওয়া : হাতে ধরে ধরে তাদেরকে হেফাজত ও সুপথে পরিচালিত করা। কারণ, তারা সৃষ্টিগতভাবে দুর্বল, স্বামীর যেকোনো উদাসীনতায় নিজেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে, অপরকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এ কারণে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নারীর ফিতনা থেকে খুব যত্নসহকারে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, আমার অবর্তমানে পুরুষদের জন্য নারীদের চেয়ে বেশি ক্ষতিকর কোনো ফিতনা রেখে আসিনি। (সহিহ বুখারি, হাদিস নং : ৪৭০৬)। ৬. স্ত্রীর প্রতি আত্মমর্যাদাশীল হওয়া : স্ত্রীলোকদের ব্যাপারে আত্মম্ভরিতার প্রতি লক্ষ্য করে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা সা’আদ এর আবেগ ও আত্মসম্মানবোধ দেখে আশ্চর্যান্বিত হচ্ছো। আমি তার চেয়ে বেশি আত্মসম্মানবোধ করি, আবার আল্লাহ আমার চেয়ে বেশি অহমিকা সম্পন্ন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং : ২৭৫৫)। শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) বলেন, যার মাঝে আত্মমর্যাদাবোধ নেই সে দাইয়ুছ (অসতী নারীর স্বামী, যে নিজ স্ত্রীর অপকর্ম সহ্য করে)। হাদিসে এসেছে : ‘দাইয়ুছ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। (দারামি : ৩৩৯৭)। দাইয়ুছ শব্দটি আরবি। শাব্দিক অর্থ হলো : অসতী, বেহায়া, বেশরম, নির্লজ্জ, বিবেকহীন, মূর্খ, আত্মমর্যাদাহীন ইত্যাদি। আর পারিভাষিক অর্থ হলা : যে ব্যক্তি তার স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যের জিনা-ব্যভিচার ও অশ্লীল কাজকর্ম সে ভালো মনে করে গ্রহণ করে অথবা প্রতিবাদ না করে চুপ থাকে। |
আপনার আহলিয়ার পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? | হ্যা |
আপনি বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে কোথায় থাকবেন? | যৌথ ফ্যামিলিতে |
বয়স (Required) | ১৫ -- ২২ |
---|---|
গাত্রবর্ণ | ফর্সা , উজ্জ্বল ফর্সা |
নূন্যতম উচ্চতা | ৫"২ উপরে হতে হতে |
নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা | *পাত্রীর জন্য প্রত্যাশা:* আমি এমন একজন পাত্রীর জন্য আশা করি, যিনি ইসলামী শিক্ষায় পরিপূর্ণ এবং দ্বীনের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রাখেন। পাত্রী হাফেজা/আলেমা বা সরকারি মাদ্রাসা থেকে আলিম/ফাজিল হলে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় হবে। তবে, সবসময় একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হবে যে, তিনি হানাফি মাজহাবের অনুসারী হবেন এবং তার পরিবারও ধর্মীয় মূল্যবোধে পিতৃপুরাণিত এবং দ্বীনের প্রতি অনুগত হবে। শারীরিকভাবে, আমি চাই পাত্রীর উচ্চতা ৫ ফুট ২ ইঞ্চির উপরে এবং তার গায়ের রং ফর্সা হলে আরও ভালো। তার চরিত্র হবে নম্র, ভদ্র এবং মেন্টালিটি অত্যন্ত ভালো। আমি এমন একজন জীবনসঙ্গী চাই, যার আখলাক ও চরিত্র হবে সত্, মাধুর্যপূর্ণ এবং ইসলামী আদর্শে দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে। দ্বীনের প্রতি তার মনোভাব সবসময় ইতিবাচক এবং দৃঢ় থাকবে। আমি আশা করি, তিনি সর্বদা আল্লাহর ইবাদতে মনোনিবেশ করবেন এবং সঠিক ইসলামী বিধান মেনে চলবেন। পর্দা মেনে চলা, তার জীবনযাপনে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন এবং শালীনতা থাকবে, যা আমাদের দাম্পত্য জীবনকে সুন্দর এবং সঠিক পথে পরিচালিত করবে। অধিকন্তু, তিনি মানুষের কল্যাণের জন্য দোয়া করবেন এবং সেবামূলক কার্যক্রমে এগিয়ে থাকবেন। তার অন্তর থাকবে সহানুভূতি, প্রেম এবং দয়া, যা তাকে একে অপরের প্রতি মায়া ও ভালোবাসা দেখাতে সহায়তা করবে। আমি চাই, তিনি তাঁর পরিবার ও সমাজে সুখ-শান্তি প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করবেন এবং দ্বীনের আলোয় জীবন কাটাবেন। আমার প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গী এমন একজন হবেন, যিনি ইসলামের আদর্শে চলবেন, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে একে অপরকে সহায়তা করবেন এবং আমাদের দাম্পত্য জীবন আল্লাহর ইবাদত ও দ্বীনের পথে পরিচালিত করবে। |
বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত |
পেশা (Required) | লাগবে নাহ |
অর্থনৈতিক অবস্থা | শরিয়তের কুফু মিল্লে হবে। |
পারিবারিক অবস্থা (Required) | মধ্যেবিত্ত/ উচ্চ মধ্যবিত্ত/ উচ্চবিত্ত |
জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন | জীবনসঙ্গীর যেসব বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী প্রত্যাশা করেন সেসব বিস্তারিত ভাবে উল্লেখ করুনঃ একজন প্রকৃত দ্বীনদার মানুষ চাই যিনি আল্লাহ সুবহানাতাআলা কে ভালোবেসে অর্ধেক দ্বীন পূরণ করবেন। যিনি স্ট্রিকলি ইসলাম মানবেন এবং প্রকৃতপক্ষেই দ্বীনদার। যিনি ফরজ এবং সুন্নাহ আহকাম হুকুম মেনে চলেন, আকিদা, তাওহীদ, তাকওয়া, শিরক এবং বিদাত নিয়ে সম্পূর্ণ জ্ঞান রাখে। সাদাসিধা জীবনযাপনে অভ্যস্ত একজন দ্বীনের কাজে সাহায্যকারী জীবনসঙ্গী খুজছিলাম । যার মধ্যে দুনিয়াবি কোন চাহিদা থাকবে না । সর্বদা আখেরাতমুখী হবে, সুখে-দুখে পাশে থাকবে । অল্পতেই তুষ্ট থাকবে এবং যা আছে তা নিয়ে শুকরিয়া করবে । বুদ্ধিমতী, ধৈর্যশীল, হাসিখুশি চঞ্চল দায়িত্বশীল কথায় ভারসাম্য রাখা । উত্তম চরিত্রের অধিকারী হতে হবে । অবশ্যই দ্বীন পালনে সচেষ্ট থাকতে হবে । দ্বীনের ব্যাপারে কোন ছাড় দেবে না কঠোর হবে এবং একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সবকিছু করতে পারার মানসিকতা থাকবে । মূলত তাওয়াক্কুলওয়ালা তাকওয়াবান নারী, দ্বীন পালনে একজন সহযোগী ও সহ যোদ্ধা হবে আশা করি । যে সবকিছুর জন্য আল্লাহর উপর তাওয়াককুল করে তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট ! আমি চাই আল্লাহ আমকে এমন জীবন সঙ্গী দান করুক যে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সবকিছু করবে । যার প্রতি মহান আল্লাহ সন্তুষ্ট থাকে তার কোন কিছুই অপূর্ণ থাকে না । আল্লাহ সহায়ক হবে ইনশাআল্লাহ । আমরা একে অপরের জন্য কমফোর্ট জোন হতে চাই । একে অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল, দায়িত্বশী, শ্রদ্ধাশীল, একে অন্যের মতামতের পার্থক্যকে সম্মান করে । সবশেষে, যে তার সঙ্গীর প্রকৃত গুরুত্ব বুঝে এবং যার উপর আমি বিশ্বাস করতে পারি নিঃসন্দেহে মৃত্যু পর্যন্ত । আমি বিশ্বাস করি একে অপরের প্রতি আনুগত্য, শ্রদ্ধা, ভক্তি, সম্মান, পারস্পরিক বোঝাপড়া গড়ে তুলতে পারে একটি সুখী দাম্পত্য জীবন । আমি শুধুমাত্র আমার স্ত্রীকেই চাচ্ছি না, আমি আমার স্ত্রীর মাধ্যমে আমার প্রজন্মের একজন উত্তম মা'কেও চাচ্ছি । যার কাছ থেকে একটা প্রজন্ম সব সময় দুনিয়া ও আখেরাতের পজেটিভ চিন্তাধারা নিয়ে বেড়ে উঠতে পারে। আমি পূর্ণ তাওয়াককুল রাখি আমার প্রতিপালক এর প্রতি যিনি আমার মতো নগন্য অধম বান্দাকে উওম সেরা জীবনসঙ্গী দান করবেন , *জীবন সঙ্গীনীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আমি আশা করি (গায়রতবান মেয়ে):* আমি আশা করি, আমার জীবন সঙ্গী এমন একজন গায়রতবান মেয়ে হবেন, যার মধ্যে ইসলামের প্রতি গভীর ভালোবাসা, শ্রদ্ধা এবং নিষ্ঠা থাকবে। তিনি দ্বীনের প্রতি অটল থাকবে এবং দ্বীনের যেকোনো বিষয় সম্পর্কে কোনরকম ছাড় দেবেন না। তার মধ্যে গায়রত বা আত্মমর্যাদার অনুভূতি হবে, বিশেষ করে ইসলামের প্রতি। আল্লাহর হুকুম ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত অনুসরণ করা তার জীবনের উদ্দেশ্য হবে। আমি চাই, তিনি এমন একজন মেয়ে হবেন, যিনি ইসলামী মূল্যবোধ ও আদর্শে উজ্জ্বল, নম্র, ভদ্র এবং সুন্দর চরিত্রের অধিকারী। তার জীবনে শালীনতা এবং পর্দার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ থাকবে, এবং তিনি সবসময় ইসলামের শালীনতা ও সঠিক পথে চলবেন। তার সকল কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এবং দ্বীনের আলোতে হবে। আমি আশা করি, তিনি জীবনে কঠোর পরিশ্রমী, আত্মত্যাগী এবং সহানুভূতিশীল হবেন। তার মনোভাব সবসময় ইতিবাচক থাকবে, এবং দাম্পত্য জীবনসহ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের আদর্শ অনুসরণ করবেন। তিনি মানুষের কল্যাণের জন্য দোয়া করবেন এবং সেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন। তাঁর হৃদয়ে সহানুভূতি, দয়া এবং ভালোবাসা থাকবে, যা আমাদের সম্পর্ককে আরো দৃঢ় ও সুন্দর করবে। এছাড়া, তার মধ্যে ধৈর্য এবং দৃঢ়তা থাকবে, যেন জীবনের প্রতিটি চ্যালেঞ্জে তিনি ইসলামী নীতিতে অবিচল থাকতে পারেন। তার পরিবার এবং সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ থাকবে, এবং তিনি দ্বীনের প্রতি তার নিষ্ঠা ও ভালোবাসা দিয়ে আমাদের সম্পর্ককে সুন্দরভাবে পরিচালিত করবেন, আমার প্রত্যাশিত জীবন সঙ্গী হবে এমন একজন গায়রতবান মেয়ে, যিনি আল্লাহর পথে চলতে দৃঢ়, দ্বীনের প্রতি একনিষ্ঠ, এবং আমাদের দাম্পত্য জীবন আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য পরিচালিত করবেন। |
জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) | জেলাঃ চট্টগ্রাম বা অন্য জেলার কিন্তু চট্টগ্রামে সেটেল্ড এই রকম হলেও হবে |
পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) | বর্তমান নিজেদের মাদ্রাসা খেদমত আছি সাথে কিছু ব্যাবসা ও আছে আলহামদুলিল্লাহ |
---|---|
বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান | না |
বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? | হ্যা |
---|---|
আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? | হ্যা |
কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? | হ্যা |
এই বায়োডাটার অভিভাবকের মোবাইল নাম্বার এবং ইমেইল পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
অভিভাবকের সাথে যোগাযোগসর্বমোট ভিউ: 773 ভিউস