| আমি খুঁজছি | পাত্রের বায়োডাটা |
|---|---|
| জন্ম তারিখ(আসল) | 2004-11-01 |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশী |
| আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? | হ্যা |
|---|---|
| আপনার কোর্সের নাম ও ব্যাচ নম্বর: | আলিম প্রিপারেটরি কোর্স, 2411 ব্যাচ |
| বায়োডাটার ধরন | পাত্রীর বায়োডাটা |
|---|---|
| বৈবাহিক অবস্থা | ডিভোর্সড |
| জন্মসন (আসল) | ২০০৪ |
| গাত্রবর্ণ | ফর্সা |
| উচ্চতা | ৫'৫'' |
| ওজন | ৪৬ কেজি |
| রক্তের গ্রুপ | B+ |
| পেশা | ছাত্র/ছাত্রী |
| বর্তমান দেশ | বাংলাদেশ |
| বর্তমান বিভাগ | ময়মনসিংহ বিভাগ |
| বর্তমান জেলা | ময়মনসিংহ |
| স্থায়ী দেশ | বাংলাদেশ |
| স্থায়ী বিভাগ | ময়মনসিংহ বিভাগ |
| স্থায়ী জেলা | শেরপুর |
| স্থায়ী থানা/উপজেলা | শেরপুর সদর |
| স্থায়ী ঠিকানা | শেরপুর সদর, শেরপুর |
|---|---|
| বর্তমান ঠিকানা | ময়মনসিংহ সদর |
| কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) | শেরপুর এবং ময়মনসিংহ। ২০১৭ থেকে ময়মনসিংহ থাকছি। এর পূর্বে শেরপুর থাকতাম। আমাদের নিজেদের বাড়ি শেরপুর। ভবিষ্যতে ময়মনসিংহ সেটেল হওয়ার ইচ্ছা আছে। |
| কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) | জেনারেল |
|---|---|
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান ফলাফল | Golden A+ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ | বিজ্ঞান বিভাগ |
| মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন | ২০২১ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? | হ্যাঁ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ | বিজ্ঞান বিভাগ |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান ফলাফল | A |
| উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন | ২০২৩ |
| স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা | B.A in English language and Literature, দ্বিতীয় বর্ষ |
| শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম | মুমিনুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজ |
| পাসের সন | দ্বিতীয় বর্ষ |
| সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা | অনার্স চলমান |
| অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা | আইওএম এর আলিম প্রিপারেটরি কোর্সে ষষ্ঠ সেমিস্টারে আছি। |
| পিতার পেশা | অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি চাকুরীজীবী |
|---|---|
| মাতার পেশা | গৃহিণী |
| বোন কয়জন? | ১জন |
| ভাই কয়জন? | ভাই নেই |
| বোনদের সম্পর্কে তথ্য | একজন বড় বোন আছেন। বিবাহিত। BDS এ পড়াশোনা করছেন। |
| চাচা মামাদের পেশা | চাচা 2 জন। একজন মারা গেছেন শিক্ষক ছিলেন। আরেকজন বর্তমানে কিছু করেন না। |
| পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা | মধ্যবিত্ত |
| আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ণনা করুন ) (Required) | তারা সম্পূর্ণরুপে প্র্যাক্টিসিং না হলেও দ্বীনের প্রতি খুবই শ্রদ্ধাশীল। আম্মু আব্বু নিয়মিত সালাত আদায় করেন, শালীনভাবে চলাফেরা করেন। আমাকে দ্বীনে পালনে সবসময় সহযোগিতা করেন এবং উৎসাহিত করেন। বাড়িতে পরিপূর্ণ পর্দার পরিবেশ আছে, এ ব্যাপারে সবাই আন্তরিকতার সাথে সাহায্য করেন। |
| পিতা কি জীবিত? | হ্যাঁ |
| মাতা কি জীবিত? | হ্যাঁ |
| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? | জ্বি |
|---|---|
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) | 5 বছরের মতো হবে |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? | জ্বি আলহামদুলিল্লাহ |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? | জ্বি |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরনের পোশাক পরেন? | কালো বোরকা, নিকাব, হাত মোজা, পা মোজা |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) | খিলাফাহ |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? | কিছুটা দেখা হয়। গান শোনা হয় না। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) | না। তবে মাইনাস পাওয়ারের চশমা পরতে হয় |
| দ্বীনের কোনো বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) | না। আপাতত শুধু দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করছি। ভবিষ্যতে কিছু করার অনেক ইচ্ছা আছে। |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) | না |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কী? (Required) | মাজারে অনেক বিদআতী ও শিরকী কাজ হয়, মাজারে কখনও যাই নি |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) | তাফসীর ইবনে কাসীর, সিরাহ (raindrops media), রউফুর রহিম(ড. আলী সাল্লাবী), যেমন ছিলেন তিনি, শামায়েলে তিরমিযী, আল আদাবুল মুরফাদ, রিয়াজুস সালেহিন, রসূলের(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চোখে দুনিয়া, সাহাবীদের চোখে দুনিয়া, জীবন ও কর্ম উমর ইবনুল খাত্তাব (ড. আলী সাল্লাবী), সংযত জবান সংহত জীবন, মাইলস্টোন(সাইয়েদ কুতুব শহীদ), প্রাচীর, কাশগড় কতো না অশ্রুজল, তাফসীর ইবনে কাসীর, আমিও কাবার মুসাফির, ফেরা এবং ফেরা 2, ভারতীয় নওমুসলিমদের ঈমানদীপ্ত সাক্ষাৎকার, চিন্তাপরাধ, সংশয়বাদী, রিক্লেইম ইউর হার্ট, কয়েদী ৩৪৫ |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) | শাইখ আহমাদুল্লাহ, মুফতি জুবাইর আহমেদ(iom), মাওলানা কালিম সিদ্দিকী |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) | বিশেষ কোনো যোগ্যতা নেই। নিজের প্রয়োজনের দরকারী কাজকর্ম, রান্নাবান্না, সেলাই পারি। |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন | আমি কিছুটা শান্ত স্বভাবের তবে মানুষের সাথে আন্তরিকতার সাথে মিশতে পছন্দ করি। শান্ত, মার্জিত পরিবেশ পছন্দ করি। স্বার্থপরতা, অন্যকে কষ্ট দেওয়া আমার পছন্দ না। কারো উপর রাগ, জেদ ধরে রাখি না। ঝগড়া- ঝামেলা, রাগারাগি এসব ভালো লাগে না। অন্যের দোষ খোঁজা পছন্দ না। নিজের মধ্যে থাকা দোষগুলি খুঁজে বের করে পরিবর্তন করার চেষ্টা করি। কারো প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ রাখি না। সকলের জন্য দোয়া করতে পছন্দ করি। কারো সাথে দুনিয়াবি বিষয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা পছন্দ না, নিজের যা আছে তাই নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে চাই। সমালোচনাকে অন্তরের জন্য অনেক ক্ষতিকর মনে করি, এর পরিবর্তে নেক মানুষদের নেক কাজ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করাকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। কারো কষ্ট দেখলে কষ্ট লাগে। মানুষের মধ্যে নরম স্বভাব, উদারতা, আন্তরিকতা, সহানুভূতিশীলতা এই গুণগুলোকে বিশেষভাবে মূল্য দিই। ক্লাস নাইনের সময় থেকে (২০১৯) দ্বীন সম্পর্কে জানার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। ক্লাস টেন থেকে আমার রব আমাকে পরিপূর্ণ পর্দা করার সৌভাগ্য দান করেন আলহামদুলিল্লাহ। তবে দ্বীনের বুঝ পাওয়ার আগেও আল্লাহ্ তায়ালা তার অশেষ রহমতে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি আসক্তি, ছেলেদের সাথে কথা বলা, হারাম রিলেশনশিপ, সব রকমের উশৃঙ্খলতা থেকে হিফাযত করেছেন। মোটামুটি গোছানো এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপন পছন্দ করি। তবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে এবং দৈনন্দিন দুনিয়াবি নিয়ম কানুনের ক্ষেত্রে অতি বাড়াবাড়ি, অপ্রয়োজনীয় কঠোরতা পছন্দ করি না। সামাজিক রীতি বা প্রচলিত নিয়মকানুনকে শুধু প্রচলিত বলেই অন্ধভাবে অনুসরণ করার পক্ষপাতী নই; বরং বিষয়টি যৌক্তিক, প্রয়োজনীয় এবং ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে সঠিক কিনা, তা বোঝার চেষ্টা করি। ইসলামী বিধান এবং মূল্যবোধকে সবকিছুর উপরে প্রাধান্য দিই। ক্লাসের সময়টুকু ছাড়া বাকি সময়টা বাড়িতে থাকতেই ভালো লাগে। রান্নাবান্না, ঘরের কাজ করতে ভালো লাগে। তবে আমি মনে করি খাওয়া, ঘুম, রান্না, জেনারেল পড়াশোনা এগুলো জীবনের জরুরত। জীবনের মূল মাকসাদ না। আমি চাই ঘর-সংসার ও দায়িত্বের পাশাপাশি যেন ঠিকভাবে ইলম অর্জন ও আমল করতে পারি, নিজেকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারি এবং ভবিষ্যৎ সন্তানদেরও দ্বীনের উপর সুন্দরভাবে বড় করতে পারি, দ্বীনের খিদমত করতে পারি, উম্মাহর জন্য কোনো অবদান রাখতে পারি। আল্লাহ্ তায়ালা তাওফীক দিলে শরীয়াহ্-সম্মত উপায়ে হালালভাবে উপার্জন করতে চাই। |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন | প্রযোজ্য নয় |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? | হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) | হ্যা |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? | দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করা, অন্যকে দ্বীন শেখানো, পর্দার মধ্যে থেকে দাওয়াতি কাজ করা, সন্তানদের দ্বীনের জন্য তৈরি করা, আত্মকেন্দ্রিক জীবনযাপন না করে উম্মাহ্ এর কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্য নিয়ে জীবনকে সাজানো। |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) | অবসর সময়টা সুন্দরভাবে ব্যয় করার চেষ্টা করি। প্রোডাক্টিভ জীবনযাপন পছন্দ করি যদিও সবসময় প্রোডাক্টিভ থাকতে পারি না। অবসর সময়ে তালিম শুনি এবং ইসলামিক আলোচনা শুনি, দরকারী বিভিন্ন বিষয়ে জানার চেষ্টা করি, কুরআন তিলাওয়াত করি এবং শুনি, কুরআনের অর্থ পড়ি। এছাড়া মাদ্রাসার পড়ার জন্য, ক্লাসের জন্য নিয়মিত সময় দিতে হয়। সেলাই করতে খুব পছন্দ করি। বই পড়া আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। দ্বীনি বই আর বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বিষয়ক বই পড়া হয়। বই থেকে গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো টুকে রাখি, যেন মাথায় রাখতে পারি এবং আমলে পরিণত করতে পারি। মাঝে মাঝে মুহাসাবা করি। উদ্দেশ্যহীনভাবে মোবাইলে অপ্রয়োজনীয় সময় নষ্ট করাটা আমার পছন্দ না। বিভিন্ন কোর্স, পড়াশোনা আর বিভিন্ন বিষয়ে জানার জন্য মোবাইল ব্যবহার করা হয়। উম্মাহর বর্তমান অবস্থা আমাকে অনেক ভাবায়। মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস এবং বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) | রান্নাবান্না, নাস্তা বানানো, ঘর গোছানো, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা। |
| নারী-পুরুষ সমঅধীকার বিষয়টাকে আপনি কিভাবে দেখেন? (Required) | সমঅধিকারে বিশ্বাসী নই। আল্লাহ্ তায়ালা নারী পুরুষকে ভিন্নভাবে সৃষ্টি করেছেন আর অনেক ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্ব নির্ধারণ করেছেন। তাই ইসলাম নারী-পুরুষকে সবক্ষেত্রে সমান বা একইরকম বলে নি কিন্তু উভয়কেই তাদের স্বতন্ত্র মর্যাদা দিয়েছে, নারীর প্রতি ইনসাফ নিশ্চিত করেছে। আমি মনে করি স্বামী স্ত্রীর ক্ষেত্রে উচিত সমঅধিকার নিয়ে প্রতিযোগিতা না করে একে অপরের সহযোগী হওয়া আর সুন্দর একটা পরিবার গড়ে তোলার চেষ্টা করা। আল্লাহ্ তায়ালা পরিবারের কর্তৃত্ব ছেলেদের হাতে দিয়েছেন, স্ত্রীকে তার স্বামীর আনুগত্য করতে বলেছেন আবার স্ত্রীর দায়িত্ব স্বামীর উপর অর্পণ করেছেন। সমাজের কোনো পর্যায়েই নারী বনাম পুরুষ এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা উচিত নয়। ইসলাম পুরুষদের ওপর নেতৃত্ব এবং পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র পরিচালনার বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছে; তাই নারীর প্রতি অন্যায়- অবিচার রোধ করা, ইসলাম অনুযায়ী নারীর ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দিকে পুরুষদেরই খেয়াল রাখতে হবে। আর নারীদের পুরুষের মতো হতে চাওয়ার পেছনে কোনো কল্যাণ নেই। আল্লাহ্ তায়ালা তাদের নারী হিসেবে সৃষ্টি করেছেন, তারা এর মধ্যেই কল্যাণ খুঁজবে। সম্মান-মর্যাদা তো কেবল আল্লাহ্ তায়ালার থেকেই আসে। আল্লাহ্ তায়ালার বিধানের কাছে আত্মসমর্পনের মাঝেই আমাদের জন্যে কল্যাণ এবং সম্মান রয়েছে। পশ্চিমাদের সমঅধিকার তত্ত্ব মরীচিকা ছাড়া আর কিছু না। নারী বিষয়ে ইসলাম এতো সুন্দর বিধান দেওয়ার পরও পশ্চিমাদের নারী পুরুষ সমান অধিকার, নারীবাদ এসব ফাঁদে পা দেওয়ার মানে হয় না। |
| আপনার ডিভোর্সের সময়কাল ও কারণ | পূর্বের বিয়ের তারিখ: ১০ মে, ২০২৪ সাড়ে তিন মাসের মতো সময় এক সাথে থাকা হয়েছে। ডিভোর্সের তারিখ: ২০ অক্টোবর, ২০২৫ তার দেওয়া অনুমতি সাপেক্ষে তাফয়ীজে তালাক গ্রহণ করি। সন্তান: নেই। ডিভোর্সের কারণ- সাবেক স্বামীর বিনা কারণে প্রচণ্ড রকমের দুর্ব্যবহার, প্রতি মুহূর্তে কিছু না কিছু নিয়ে সমস্যা তৈরি করা, অস্বাভাবিক আচরণ, মানসিক চাপ, ভীতিকর পরিবেশে সৃষ্টি করা। যদিও বিয়ের আগে আমার পরিবার তার বাহ্যিক অবস্থা দেখে তার দ্বীনদারিতা সম্পর্কে, তার পরিবার সম্পর্কে অনেক ভালো ধারণা করেছিলেন। পাত্র নিজেও নিজের সম্পর্কে জুহদ অবলম্বনকারী, দৈনন্দিন কাজকর্ম সুন্নাহ অনুসারে করার চেষ্টা করেন এমনটাই বলেছিলেন। কিন্তু বাস্তবে সে মানুষজনের প্রতি খুবই বাজে আচরণ করতেন, অস্বাভাবিক রকমের রাগী ছিলেন। আর বিয়ের আগে এবং পরে অনেক বিষয়ে অনেক মিথ্যা বলেছিলেন। (আগ্রহী পাত্র জানতে চাইলে বিস্তারিত জানানো হবে) আমি যত দিন ছিলাম আমার দিক থেকে আমি তার প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করিনি, খারাপ ব্যবহার করলে পাল্টা উত্তর করিনি। আমি আমার জায়গা থেকে ধীরস্থির অনুগত স্ত্রী হয়ে থাকার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোন ফল হওয়ার সম্ভাবনা দেখি নি। তালাকের ব্যাপারে ভালোভাবে ফতওয়া জেনে নিয়ে অনেক চিন্তাভাবনা করে প্রচুর পরিমাণ ইস্তিখারার পর তালাকের সিদ্ধান্তে আসি। আগস্ট, ২০২৪ এর শেষের দিকে আমি আমার প্রাক্তন শ্বশুরবাড়ি থেকে চলে আসি, এরপর আর তার সাথে যোগাযোগ হয় নি। এই সময়টা আমার জন্য কষ্টদায়ক ছিলো। একই সাথে আল্লাহ্ তায়ালার পক্ষ থেকে অনেক অনুগ্রহও ছিলো। আমি দৃঢ়ভাবে এটা বিশ্বাস করি আল্লাহ্ তায়ালা আমার প্রতি আমার নিজের থেকে, আমার মা-বাবার থেকেও অনেক বেশি কল্যাণকামী। তাই জীবনে তিনি আমাকে যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই নিয়ে যান না কেনো তার মধ্যে অবশ্যই কল্যাণ নিহিত আছে। এই পুরো জার্নিতে আল্লাহ্ তায়ালার প্রতি সুধারণা, দোয়া, তাকদিরের প্রতি সন্তুষ্টি আমার জীবনকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। এখন আল্লাহ্ তায়ালার কাছে সবকিছু নিয়ে কৃতজ্ঞতা আদায় করি, আল্লাহ্ তায়ালা আমাকে আবার একটা স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে এনেছেন। |
|---|---|
| আপনার সন্তান আছে কিনা? | নেই। |
| অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? | জ্বি, উনারা রাজি। |
| বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? | বিয়ের মাধ্যমে একটা আদর্শ ইসলামিক পরিবার গঠন করতে চাই। যেখানে একে অপরকে আল্লাহ্ তায়ালার জন্য ভালবাসবে। যেখানে পরস্পরের মধ্যে কুরআন–সুন্নাহে উল্লেখিত উত্তম আখলাকসমূহের চর্চা হবে। আর সন্তানরা নিজেদের যোগ্য, উন্নত আখলাকসম্পন্ন, উম্মাহ দরদী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার পরিবেশ পাবে। আমি চাইবো আমার সন্তানরা যেনো উম্মাহর বীর সন্তান হিসেবে গড়ে উঠে, যারা দ্বীনের জন্য কাজ করবে, মুসলিম উম্মাহর স্বার্থে নিজেদেরকে উৎসর্গ করে দেওয়ার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকবে। এমন একটি পরিবার গঠন করতে পারলে সেটাকে আমি আল্লাহ্ তায়ালার বিশেষ অনুগ্রহ মনে করবো। স্বামী হিসেবে এমন একজনকে আশা করি যার সাথে আমি একটি ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক পরিবার গড়ে তুলতে পারবো। আমার মনে হয় শুধুমাত্র নিজের প্রয়োজনে বিয়েটা করে ফেললাম এমনটা বিয়ের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত না। একটা বৈবাহিক জীবনকে সুন্দর করার জন্য, সমৃদ্ধ পারিবারিক জীবন গঠনের জন্য স্বামী স্ত্রী উভয়েরই চেষ্টা করা উচিত, সম্পর্ককে সুন্দর ও মজবুত করার পাশাপাশি সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো চিহ্নিত করার এবং সচেতনভাবে তা পরিহার করার চেষ্টা করা উচিত। আর পরিবার ইসলামিক সমাজব্যবস্থার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট। আমরা যদি পরিবারগুলো যথাযথভাবে গঠন করতে পারতাম তাহলে তা থেকে ব্যাক্তি, সমাজ, উম্মাহ সবাই উপকৃত হতো। একটা সুদৃঢ় সম্পর্ক গঠনের জন্য সর্বদা পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখা, একজন অন্যজনের কল্যাণ চাওয়া, জীবনসঙ্গীর সাথে কোনোকিছু নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক মনোভাব না রাখা, সংসারে একজন আরেকজনের প্রচেষ্টাকে মূল্যায়ন করতে পারা, অন্য কারো সাথে তুলনা না করা, কেউ কাউকে ছোট করে না দেখা, অবজ্ঞা প্রদর্শন না করা এই বিষয়গুলোকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। বিবাহিত জীবনে একজনের অপরজনকে নিয়ে কৃতজ্ঞ ও সন্তুষ্ট থাকতে পারাটা অনেক জরুরি। আমি আশা করবো আমি যেনো এমন একটা পরিবার গঠন করতে পারি যেখানে আমরা স্বামী-স্ত্রী একসাথে দ্বীনের জন্য, উম্মাহর জন্য কাজ করতে পারবো, ভালো, খারাপ সবরকম মুহূর্তে পাশে থাকতে পারবো, ভালো কাজের ক্ষেত্রে একে অপরকে উৎসাহ দিতে পারবো। একজন আরেক জনের জন্য শান্তি, ভরসা, নিরাপত্তার জায়গা হয়ে উঠতে পারবো। |
| আপনি কি বিয়ের পর চাকরি করতে ইচ্ছুক? | জ্বি। পর্দায় থেকে হালালভাবে উপার্জন করতে ইচ্ছুক। |
| বিয়ের পর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান? (ছাত্রী হলে) | জ্বি। আমি বর্তমানে একটা মহিলা কলেজে পড়ছি এবং অনলাইন মাদ্রাসায় পড়ছি। সহশিক্ষায় পড়াশোনা করতে চাই নি জন্য কোনো পাবলিক ভার্সিটি তে এডমিশনের জন্য চেষ্টা করিনি। যদিও আমাদের কলেজে পুরুষ টিচার আছে কিন্তু আমাদের সাধারণত টিচারদের সাথে কথা বলার প্রয়োজনে হয় না। বিয়ের পর দ্বীনি পড়াশোনা এবং জেনারেল পড়াশোনা দুটোই চালিয়ে যেতে চাই। |
| বিয়েতে কেমন মোহরানা নির্ধারন করতে চান? | ছেলের সাধ্যমত আলোচনা সাপেক্ষে |
| আপনার স্বামীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? | ১. স্বামীকে সম্মান করা। শরীয়তের সীমার মধ্যে থেকে আনুগত্য করা। তার সিদ্ধান্তকে সম্মান করা এবং মান্য করা। কোনো ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত মানা সম্ভব না হলে, নিজের জন্য ক্ষতিকর মনে হলে সেটা নিয়ে সুন্দরভাবে আলোচনা করে একসাথে সমাধান করার চেষ্টা করা। কোনো মতপার্থক্য বা ভুল বোঝাবুঝি হলে সেটাকে অভিমান বা ঝগড়ায় রূপ নিতে না দিয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা। ২. দ্বীনি ও দুনিয়াবি কাজে তার সহযোগী হওয়া। তার স্বপ্ন ও লক্ষ্যগুলোকে আন্তরিকভাবে সাপোর্ট দেওয়া। ৩. তার সাথে সর্বদা উত্তম আচরণ করা। তার মনে আঘাত লাগতে পারে এমন কথা এবং কাজ থেকে বিরত থাকা। ৪. তার পরিবারের সদস্যদের সাথে সুসম্পর্ক রাখা। বিশেষ করে তার মা বাবার প্রতি সবসময় নম্র ব্যবহার করা। তাকে তার মা বাবার প্রতি দায়িত্ব সুন্দরভাবে পালনে উৎসাহিত করা। ৫. তার প্রতি সুধারণা পোষণ করা। তার কাজের, পরিশ্রমের, প্রচেষ্টার মূল্যায়ন করা। কৃতজ্ঞ থাকা। তাকে অন্য কারো সাথে তুলনা না করা। তার প্রতি কল্যাণকামী হওয়া। ৬. জীবনসঙ্গীর খুশিতে খুশি হওয়া, তার বিপদে-আপদে, দুঃখ-কষ্টে জাজ করার পরিবর্তে পাশে থাকা এবং মানসিকভাবে তাকে সাপোর্ট দেওয়ার মনোভাব রাখি। সম্পর্ককে আমি পারস্পরিক সহযোগিতা, সহানুভূতি আর যত্নের বন্ধন হিসেবে দেখি। ৭. তার মতকে সবসময় গুরুত্ব দেওয়া। তার কোনো মত, পছন্দ-অপছন্দের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন না করা। আমি চাই আমার জীবনসঙ্গী যেন আমার কাছে নিজের ভালো লাগা, খারাপ লাগা, উদ্বেগ ও কষ্টের কথাগুলো নির্দ্বিধায় বলতে পারেন। তিনি সবসময় আমাকে তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে এবং তাকে বোঝার চেষ্টা করতে আগ্রহী পাবেন ইনশাআল্লাহ্। |
| বিয়ের পর কোথায় থাকতে চান? | বাবার বাড়ি |
| পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) | শিক্ষার্থী। একটা মহিলা কলেজে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছি। |
|---|---|
| বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান | অনুগ্রহ করে কোনো পাত্র ছবি চাইবেন না |
| বয়স (Required) | সর্বোচ্চ ২৮ |
|---|---|
| গাত্রবর্ণ | কালো, শ্যামলা, ফর্সা, উজ্জ্বল ফর্সা। গাত্রবর্ণ আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। |
| নূন্যতম উচ্চতা | 5'5" (শিথিলযোগ্য) |
| নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা | অনার্স কমপ্লিট অথবা চলমান। সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড হলে ভালো হয়। |
| বৈবাহিক অবস্থা | অবিবাহিত |
| জীবনসঙ্গীর দাড়ি বা ইনকাম সম্পর্কে যা চান- (Required) | সুন্নতি দাঁড়ি থাকতে হবে। উপার্জন অবশ্যই হালাল হতে হবে। |
| পেশা (Required) | সম্মানজনক হালাল পেশা। সরকারী চাকুরী, বেসরকারি চাকুরী, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষক, লেকচারার, ডাক্তার। (উকালতি, পুলিশ বা সেনাবাহিনীর চাকুরী, ব্যাংকের চাকুরী এ ধরণের পেশার ক্ষেত্রে আগ্রহী নই) |
| অর্থনৈতিক অবস্থা | মধ্যবিত্ত |
| পারিবারিক অবস্থা (Required) | ভদ্র, মধ্যবিত্ত পরিবার। |
| জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন | 1. কুরআন সুন্নাহর স্পষ্ট নির্দেশনার উপর নিজের কোনো যুক্তিকে প্রাধান্য দেন না। নিজের কোনো চিন্তা বা কাজ ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক হলে নিজের ভুল স্বীকার করেন, তা পরিবর্তন করার মানসিকতা রাখেন। 2. জীবনসঙ্গী হিসেবে আল্লাহ্ তায়ালার কাছে এমন কাউকে চাই যিনি হবেন নরম মনের অধিকারী, পরিবারের মানুষদের প্রতি সহানুভূতিশীল, পরিবারের সদস্যদের আবেগ অনুভূতিকে গুরুত্ব দেন, বান্দার হকের ক্ষেত্রে আল্লাহ্ তায়ালা কে ভয় করে চলেন। পরিবারের প্রতি দায়িত্ববোধসম্পন্ন। 3. নিজেকে বড় মনে করা, অন্যকে তাচ্ছিল্য করা, ঠাট্টা বিদ্রুপ করা, কষ্ট দেওয়ার অভ্যাস থেকে যিনি মুক্ত। ইলম, আমল বা দুনিয়াবি কিছু নিয়ে যার মধ্যে কোনো অহংকার নেই। যার মধ্যে কঠোরতা নেই, কখনও কাউকে গালিগালাজ করেন না, কখনও অশালীন শব্দ ব্যবহার করেন না। অন্যের সমালোচনা, ভুল ধরায় ব্যস্ত থাকেন না। 4. সকল প্রকার অপসংস্কৃতি, কুসংস্কার, বিদআত, বিজাতীয় সংস্কৃতি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার চেষ্টা করেন। পাশ্চাত্য চিন্তাধারা দ্বারা প্রভাবিত নন। গণতন্ত্র, জাতিয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী নন, রাজনীতির সাথে যুক্ত নন। নারীবাদ এবং নারীবিদ্বেষ দুটো থেকেই মুক্ত। 5. উম্মাহ দরদী। 6. অনলাইনে বা অফলাইন এ প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের সাথে যুক্ত আছেন বা যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা আছে, দ্বীনি বই পড়ার অভ্যাস আছে এমন। দাওয়াতি মেজাজ লালন করেন এমন। 7.দান সদকা করার মনমানসিকতা আছে। 8. মিথ্যা বলার অভ্যাস নেই। 9. ভদ্র, লজ্জাশীল, নজরের হেফাজত করেন। অনলাইন অফলাইন দুই জায়গায়ই মাহরাম নন-মাহরাম মেনটেইন করে চলেন। বিনা প্রয়োজনে নন মাহরাম নারীদের সাথে কথা বলেন না। 10. আমি ঠান্ডা মেজাজের মানুষ আর আমার স্বামীর ক্ষেত্রেও ঠান্ডা মেজাজ কাম্য। রাগী হবেন না, রেগে গেলে জিনিসপত্র ভাংচুর, জিনিসপত্র ছুঁড়ে মারা, গালিগালাজ করা এই ধরণের বৈশিষ্ট্য একেবারেই থাকা যাবে না। মুহূর্তের আবেগে প্রতিক্রিয়া দেখানোর পরিবর্তে পরিস্থিতি বুঝে বিচক্ষণতা ও হিকমাহর সাথে আচরণ করার অভ্যাস থাকতে হবে। 11. সুষ্ঠু প্যারেন্টিং ও সন্তানদের যথাযথ তারবিয়াতের বিষয়টি আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জীবনসঙ্গী হিসেবে এমন কাউকে আশা করি যিনি এ ব্যাপারে সচেতন হবেন। 12. আমি বিশ্বাস করি, দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও open communication অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমার পক্ষ থেকে জেনে-বুঝে কখনো জীবনসঙ্গীর প্রতি অন্যায় করার ইচ্ছা থাকবে না। তাই কোনো কাজ বা আচরণ তার অপছন্দ হলে, আমি আশা করবো তিনি যেন রাগারাগি বা অভিমান নিজের ভেতরে জমিয়ে না রেখে স্বাভাবিকভাবে বিষয়টি আলোচনা করেন। আমিও একইভাবে তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে আগ্রহী থাকব। 13. এমন জীবনসঙ্গী প্রত্যাশা করছি যিনি জীবনসঙ্গীর অনুভূতি ও দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার চেষ্টা করবেন। ঝগড়া, দোষারোপের পরিবর্তে সমাধানকে, সম্পর্ককে মজবুত করাকে প্রাধান্য দেবেন। 14. আমাকে পরিপূর্ণ পর্দার পরিবেশ দিতে পারবেন এমনটা আশা করি। আমাদের বাড়িতে কোন নন মাহরাম আত্মীয় আসলে আমি সাধারণত সামনে যাই না, যদি যেতে হয় তবে বাইরের মতো কালো বোরকা, নিকাব এবং মোজা পরিধান করে যাই; বিয়ের পর স্বামীর বাড়ির পুরুষ আত্মীয়দের সাথেও কঠোর পর্দা মেইনটেইন করতে পারবো এমন পরিবেশ আশা করি। 15. আমাকে পড়াশোনা করার, দ্বীনের জন্য কাজ করার সুযোগ দেবেন। আমাকে আমার পরিবারের নিয়মিত খোঁজখবর রাখার, তাদের পাশে থাকার সুযোগ দেবেন। 16. জীবনের কঠিন সময়গুলোকে দুনিয়াবি জীবনের পরীক্ষা মনে করে ধৈর্য্য ধরার চেষ্টা করেন; জীবনের সমস্যার কারণে আল্লাহ্ তায়ালার প্রতি অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন না এমন জীবনসঙ্গী আশা করি। জীবনসঙ্গী হিসেবে পারফেক্ট কাউকে আশা করছি না, তবে এমন কাউকে আশা করি যিনি প্রতিনিয়ত আত্মউন্নয়নের চেষ্টায় নিয়োজিত আছেন, নিজের মধ্যে থাকা ভুলগুলো সংশোধনের চেষ্টা করেন। পাত্রের আখলাক, দ্বীনদারিতা আর চরিত্রই আমার কাছে মুখ্য বিষয়। |
| জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) | ময়মনসিংহ অথবা ময়মনসিংহের একদম পার্শ্ববর্তী কোনো জেলা। এর বাইরে হলে আগ্রহী নই। প্রবাসী বা বিদেশে সেটেল হতে ইচ্ছুক এমন হওয়া যাবে না। |
| বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? | হ্যা |
|---|---|
| আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? | হ্যা |
| কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? | হ্যা |
সর্বমোট ভিউ: 282 ভিউস