| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? |
আলহামদুলিল্লাহ পড়া হয় তবে মাঝে মধ্যে কাযা হয়। |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) |
২০১৫ থেকে পড়া হতো কিন্তু নিয়মিত ছিল না, ২০২১ থেকে নিয়মিত পড়ার চেষ্টা করি, আলহামদুলিল্লাহ। |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? |
মেনে চলার চেষ্টা করি। গ্রামীণ পরিবেশ হওয়ায় বাড়িতে আসলে একটু সমস্যা হয়। কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছি, আলহামদুলিল্লাহ। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? |
মোটামুটি শুদ্ধ। পরিপূর্ণ শুদ্ধ করার চেষ্টায় আছি। |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? |
নিকাবসহ হিজাব ও বোরকা। হাত মোজা, পা মোজা পরা হয় না। ২০১৮ থেকে বোরকা পরা হয় নিকাব সহ কিন্তু মাঝে মাঝে মুখ খোলা থাকতো। ২০২১ থেকে নিকাবসহ পূর্ণ পর্দার চেষ্টা করি। |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) |
ইসলামী খিলাফাহ |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? |
আগে দেখা হতো এখন একদম না দেখার চেষ্টা করি। |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) |
আলহামদুলিল্লাহ বড় কোনো সমস্যা নেই। তবে myopia সমস্যা আছে। চশমার পাওয়ার ছিল -১.২৫। আগে চশমা পরা হতো এখন অনেক দিন থেকে চশমা পরি না।আর ইন্টারমেডিয়েট পরীক্ষার পর মেডিকেলে না আসায় একটু ট্রমাটাইজ হয়ে গিয়েছিলাম। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসায় আলহামদুলিল্লাহ এটা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) |
না |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) |
নাহ, তবে আমার কাছে মনে হয় ইসলাহী রাহবার হিসেবে পীর অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এখন তো আর এমন পীর নেই বললেই চলে। তবে পীর আখিরাতে সুপারিশ করবেন এজন্য পীর ধরতে হবে তা বিশ্বাস করি না |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) |
মাজারে মানত ও সিজদা করা হারাম। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) |
দুই ভাই ইসলামী ব্যাকগ্রাউন্ডের হওয়ায় অনেক ইসলামিক বই পড়া হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। একটা সময় ছিল শুধু অপেক্ষা করতাম ভাই কখন বাড়িতে আসবে আর নতুন বই নিয়ে আসবে।১. তাআল্লুক মাআল্লাহ ২. সিরাতে ইবনে হিশাম ৩. যে গল্পে হৃদয় গলে ৪. ডেসটিনি ডেজার্প্টেড ৫. মুসলিম উম্মাহর পতনে বিশ্বের কি ক্ষতি হলো ৬. যাদের ত্যাগে স্বদেশ পেলাম ৭.পর্দা ও নারী |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) |
১. আশরাফ আলী থানবী (রঃ)২ .মাওলানা তারিক জামিল ৩.জাস্টিস মাওলানা ত্বাকী উসমানী ৪. শামসুল হক ফরিদপুরী (রঃ) ৫. ফকরে বাঙ্গাল (রঃ) ৬.শাহ আহমদ শফী (রঃ)৭.শায়খ আহমাদুল্লাহ ৮.আরিফ আজাদ ৯.আবু তাহের মিসবাহ |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) |
ইংলিশ স্পিকিং কোর্স করা আছে। Ms word, Excel & PowerPoint এর কাজ পারি। থিসিস এর সময় লিখালিখি, ফর্মেটিং ও প্রেজেন্টেশন স্লাইড সব নিজেই করে ছিলাম। Mendaley & Quilbot সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষ। |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন |
আমি অনেক বেশি দ্বীনদার না,তবে চেষ্টায় আছি পূর্ণদ্বীন পালনের। ছোট বেলা থেকেই ইসলামের বিধান মেনে চলার চেষ্টা করতাম। তাই অনেক বেশি বেদ্বীন চলাফেরা করিনি কখনো, আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর ভীতি কাজ করতো। অনেক ইসলামী বই পড়তাম। তখন অন্তর অনেক নরম ছিল। তবে নামাজে কনসিস্টেন্সি ছিল না, ইচ্ছা পোষণ করতাম পূর্ণ প্র্যাকটিসিং হওয়ার। জেনারেল পড়াশোনার প্রতি বেশি জোক ছিল তাই হয়তো কনসিস্টেন্সি আসেনি। ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা থেকেই জেনারেল পড়াশোনার প্রতি আগ্রহটা এসেছিল।আর সবসময় মাথায় হিজাব থাকতো বোরকা পরার আগে পর্যন্ত। ম্যাচিউর হওয়ার পর থেকেই ছেলে কাজিনদের সাথে কথা বলা, গল্প করা থেকে দূরে ছিলাম। ফ্রিমিক্সিং, হারাম রিলেশনশীপ ও ভ্রুপ্লাগ করা ইত্যাদি থেকে যথাসম্ভব দূরে ছিলাম আলহামদুলিল্লাহ; আল্লাহ তায়ালা যেন ভবিষ্যতেও চরিত্রের হেফাজত রাখতে সহায় হোন এই দুআ।
হাক্কুল ইবাদ নিয়ে বেশি ভয় কাজ করতো এখনও করে। কারণ বান্দা ক্ষমা না করলে তওবাহ করেও ক্ষমা পাওয়া যাবে না। কাউকে কষ্ট দেওয়া থেকে সবসময় বিরত থাকতাম। মানুষের সাথে মিশতে পারতাম খুব কম। এখন কিছুটা পারি।
গ্রামে যখন ছিলাম তখনো ঘরেই আবদ্ধ থাকতাম বই পড়েই বেশিরভাগ সময় কাটতো। তবে বর্তমানে আগের মতো দীর্ঘ সময় ধরে মনোযোগ ধরে রাখতে পারি না।
জানার আগ্রহ অনেক বেশি। তাই মুসলমানদের ইতিহাস ও বিশ্বরাজনীতি এসব বিষয়ে জ্ঞান রাখি।এছাড়া সমাজের বিভিন্ন সমস্যা কেন হয় এর থেকে মুক্তির উপায় নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতে পছন্দ করি।
কথা কম বলতে পছন্দ করি কারণ বেশি কথা বললে ভুল হওয়ার এবং মানুষের গীবত করার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। কিন্তু যাদের সাথে মিশে যায় অনেক কথা বলে ফেলি।
যদিও ধৈর্য অনেক বড় নেয়ামাত এবং ধৈর্যের পরীক্ষা অনেক কঠিন। এই নেয়ামাতের পূর্ণ হকদার হতে পারা অনেক বড় পাওয়া। আলহামদুলিল্লাহ সব কিছুতে ধৈর্য ধারণ করার চেষ্টা করি।প্রথমে কষ্ট হলেও আল্লাহ তায়ালার যেকোনো ফয়সালা মেনে নিতে পারি।
মানুষকে বিপদে সাহায্য করার চেষ্টা করি। আর এখনকার দিনে একজন বিশ্বস্ত মানুষ পাওয়া নিজের কষ্ট শেয়ার করার জন্য খুবই কঠিন। কোনো মানুষ মানসিক চাপে থাকলে তার কথা শোনার এবং তাকে ভালো পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করি। তার কথার আমানত রাখার চেষ্টা করি। শত্রুও যদি কোনো ভালো কাজ করে, তার প্রশংসা করতে পারি।
নিজেকে নিয়ে ভাবী অনেক বেশি, নিজের ভুল গুলো শুধরানোর চেষ্টা করি। তবে এতে অনেক সময় হতাশা কাজ করে।
অহংকার থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করি, আমার যত ভালো গুণ এবং সাফল্য আছে তার সব আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানী। তিনি না চাইলে আমি কিছুই পারতাম না।
আর আমার যত খারাপ গুণ তা আমার গাফিলতির ফল।
আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল রাখার চেষ্টা করি। আল্লাহ না চাইলে পুরো পৃথিবীর কেউ আমার কল্যাণ করতে পারবে না অথবা ক্ষতিও না। আমি দুআর উপর অনেক ভরসা করি। আমার মনে হয় চেষ্টার চেয়ে দুআর বরকত অনেক বেশি। চেষ্টা ও দুআ একসাথে থাকলে কল্যাণ থাকে।
রাগ করি না বললেই চলে তবে কাছের মানুষদের সাথে অনেক সময় হুট করে রেগে যায় ও অভিমান করি।আর অন্যায় দেখলেও রাগ লাগে।
দ্বিমুখী মনোভাব পোষণ করতে পারি না বললেই চলে। কারো সাথে শত্রুতা পোষণ করে তার সাথে উপরে উপরে অনেক ভালো সম্পর্ক দেখাতে পারি না।
কেউ কষ্ট দিলে তখন অনেক কষ্ট লাগে, অনেক সময় ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায় কিন্তু পরে যখন একটু ভাবী তখন আল্লাহর উপর ভরসা করে ক্ষমা করে দিতে পারি।
পরিপাটি, গুছানো ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ আমার খুবই পছন্দের। সুন্দর ও ইউনিক জিনিসপত্রের প্রতি আমার বিশেষ আকর্ষণ আছে। খুব বেশি ঘোরাঘুরি পছন্দ না হলেও, আল্লাহর সৃষ্টির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য পাহাড়, সমুদ্র কিংবা নিরিবিলি প্রাকৃতিক পরিবেশে ভ্রমণ করতে ভালো লাগে।
আমি একটু ইন্ট্রোভার্ট প্রকৃতির।নিজের স্বপ্ন এবং পরিকল্পনা মানুষকে কমই বলতাম এতে কল্যাণও ছিল। এখন অনেক ক্ষেত্রে বলে ফেলি।
আমার লুক এবং অ্যাপিয়ারেন্স অ্যাভারেজ,আলহামদুলিল্লাহ।
আমার মূল লক্ষ্য,নিজের অর্জিত জ্ঞানকে মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে কাজে লাগিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। সে উদ্দেশ্যে জেনারেল লেভেলে অর্জিত জ্ঞানকে ইসলামী জ্ঞানের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্বীনের খেদমতে ব্যবহার করতে চাই।
একসময় ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা ছিল। সেই ইচ্ছা পূরণ না হলেও মুসলিম-প্রধান কোনো দেশ থেকে (আল্লাহ যদি তাওফিক দেন) পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের আকাঙ্ক্ষা রয়েছে(পূরণ হতেই হবে এমন না)।
আমার বিশ্বাস, যে ব্যক্তি যে বিষয়ে পারদর্শী, তার উচিত সেই দক্ষতাকে নতুন ও সঠিক উপায়ে দ্বীনের কাজে লাগানো—যাতে তার অর্জন ও পরিশ্রম ব্যর্থতায় পর্যবেশিত না হয় এবং সে নিজেও কোনো শূন্যতা অনুভব না করে।
আমার একমাত্র চাওয়া আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি যেন রব এর সন্তুষ্টি আর বারাকাহ দিয়ে শুরু হয়। |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? |
হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) |
চেষ্টা করি |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? |
আমরা প্ল্যান অনেক করতে পারি কিন্তু আল্লাহর প্ল্যান হচ্ছে সর্বোত্তম। তাই আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ যেন এমন একটি পরিবার গঠনের সুযোগ দেন যে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পূর্ণ দ্বীনের জ্ঞান থাকবে, ঈমানী জযবা থাকবে, জিহাদ ও দ্বীনের জন্য ত্যাগী এমন মানসিকতা সম্পন্ন হবে। IOM থেকে alim/ দাওরায়ে হাদিস কোর্স করার ইচ্ছা আছে। আমার ইচ্ছা আল্লাহ তায়ালা যদি তাওফিক দেন আমি আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যেন দ্বীনি ও দুনিয়াবি উভয় পড়াশোনার প্রাথমিক দারস দিতে পারি। কোরআন শিক্ষা দান সর্বোত্তম তাই আমি কোরআন শুদ্ধ করার চেষ্টায় আছি। ইংশাল্লাহ আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যেন আমি কোরআন শিক্ষা দিতে পারি এই দোয়া করি আল্লাহর কাছে। আর যদি পরিপূর্ণ শুদ্ধ করতে পারি তাহলে অনলাইন/ অফলাইনে অন্যদের কোরআন শিক্ষা দেওয়ার ইচ্ছা আছে। |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) |
কোরআন তেলাওয়াতের চেষ্টা করি,ইসলামী নাশিদ, ওয়াজ শুনে তবে ফোনও ইউজ করি বিভিন্ন খবরাখবর জানার জন্য। |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) |
ঘর গোছানো আর মাঝে মধ্যে মায়ের টুকটাক কাজে সাহায্য করা হয়। |
| নারী-পুরুষ সমঅধীকার বিষয়টাকে আপনি কিভাবে দেখেন? (Required) |
নারী ও পুরুষ পুরোপুরি আলাদা সত্ত্বা। আল্লাহ তাআলা নারী-পুরুষের অধিকার গুলো প্রায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন। নারীরা মায়া, কোমলতা, ধৈর্য ও পারিবারিক কাজে পুরুষের চেয়ে এগিয়ে। আর পুরুষরা সাহসিকতা, শারীরিক শক্তি,মানসিক চাপ নেওয়া ও সমস্যা সমাধান ইত্যাদি বিষয়ে নারীদের চেয়ে এগিয়ে। তাই নারী-পুরুষ সমান নয় তবে একে অন্যের পরিপূরক। প্রত্যেক নারীর সাফল্যের পিছনে, জীবনের একেকটি ধাপে একজন পুরুষের (বাবা/ভাই/স্বামী ) অবদান থাকে। তেমনি পুরুষের জীবনের সাফল্য, স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখতে নারীর অবদান অনস্বীকার্য। |