female
বায়োডাটা নাম্বার
AH-120926
পাত্রী
জন্ম তারিখ(আসল) 1997-08-02
জাতীয়তা বাংলাদেশী
5 মোট ভিউ
প্রাথমিক তথ্য
আমি খুঁজছি পাত্রের বায়োডাটা
জন্ম তারিখ(আসল) 1997-08-02
জাতীয়তা বাংলাদেশী
IOM তথ্য
আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? না
সাধারণ তথ্য
বায়োডাটার ধরন পাত্রীর বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জন্মসন (আসল) ১৯৯৭
গাত্রবর্ণ উজ্জ্বল শ্যামলা
উচ্চতা ৫'০''
ওজন ৩৭ কেজি
রক্তের গ্রুপ B+
পেশা ছাত্র/ছাত্রী
বর্তমান দেশ বাংলাদেশ
বর্তমান বিভাগ বরিশাল বিভাগ
বর্তমান জেলা পিরোজপুর
বর্তমান থানা/উপজেলা নাজিরপুর
স্থায়ী দেশ বাংলাদেশ
স্থায়ী বিভাগ বরিশাল বিভাগ
স্থায়ী জেলা পিরোজপুর
স্থায়ী থানা/উপজেলা নাজিরপুর
ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা বরিশাল, পিরোজপুর, নাজিরপুর, সেখমাটিয়া
বর্তমান ঠিকানা বরিশাল, পিরোজপুর, নাজিরপুর, সেখমাটিয়া
কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) নিজ গ্রামে
শিক্ষাগত যোগ্যতা
কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) জেনারেল
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাশ করেছেন? হ্যাঁ
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান ফলাফল A
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান বিভাগ মানবিক বিভাগ
মাধ্যমিক (SSC) / সমমান পাসের সন ২০১৪
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাশ করেছেন? হ্যাঁ
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমানের বিভাগ মানবিক বিভাগ
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান ফলাফল A-
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) / সমমান পাসের সন ২০১৭
স্নাতক / স্নাতক (সম্মান) / সমমান শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম সরকারি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মহিলা মহাবিদ্যালয়
পাসের সন 2023-2024
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএ, সরকারি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মহিলা মহাবিদ্যালয়
অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা নূরানী মুয়াল্লিমা কোর্স, কুরআন নাজেরা কোর্স চলমান, OIM-অনলাইন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা মিজান জামাত চলমান, দর্জি কাজ জানি, কুশিকাটার কাজ জানি, টুকিটাকি আর্ট করি, আলহামদুলিল্লাহ।
পারিবারিক তথ্য
পিতার পেশা মসজিদের ইমাম
মাতার পেশা গৃহিণী
বোন কয়জন? ২জন
ভাই কয়জন? ১জন
বোনদের সম্পর্কে তথ্য বড় বোন ফাজিল পাশ, বিবাহিত গৃহিণী, মেঝ বোন আলিম পাশ, বিবাহিত গৃহিণী,
ভাইদের সম্পর্কে তথ্য হাফেজ, মাওলানা, মসজিদ মাদ্রাসায় খেদমতে আছেন।
চাচা মামাদের পেশা মেঝ চাচা, ব্যবসাই সেজ চাচা মালেশিয়ান প্রবাসী নোয়া চাচা, হাফেজ, মসজিদ মাদ্রাসা খেতমত করেন। ছোট চাচা, রাইড শেয়ারিং করেন। বড় মামা হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার, ছোট মামা, কামিল পাশ, জায়গা জমি ঘের বাড়ি দেখা শোনা করেন।
পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা আলহামদুলিল্লাহ ভালো
আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ননা করুন ) (Required) আলহামদুলিল্লাহ ভালো, পরিবারের সকলে নামাজ কালাম পরে, তবে সবাই মাহরাম নন মাহরাম মেইনটেইন করে না বিশেষ বোনেরা পর্দা করেন না, আমি আমার মা সর্বোচ্চো পর্দা করে চলার চেষ্টা করি, নন মাহরাম মেনে চলার চেষ্টা করি, তবে অনেক কষ্ট হয়ে, মাঝে মধ্যে পেরে উঠি না, পরিবারের কিছু গায়রতহীন মানুষের জন্য।
পিতা কি জীবিত? হ্যাঁ
মাতা কি জীবিত? হ্যাঁ
ব্যক্তিগত তথ্য
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? আলহামদুলিল্লাহ হ্যাঁ
নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) ৭ থেকে ৮ বছর
মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? আলহামদুলিল্লাহ সব সময় চলার চেষ্টা করে, পরিবারের কিছু গায়রতহীন মানুষের জন্য সব সময় পেরে উঠি না।
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? আলহামদুলিল্লাহ পারি, শেখার কোন শেষ নেই, এখনো শিখছি।
ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? বোরকা, হিজাব, নিকাব, হাত, পা মোজা, চশমা।
কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) না নেই
নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? না, মাঝে মধ্যে চোখের সামনে আসলে এরিয়ে চলার চেষ্টা করি
মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) না নেই
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) কুরআনের পড়ানোর সাথে
আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) না
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) মাজারে সিজদা করা শিরক
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) পরিশুদ্ধ কলব, নারীর কোথা ভুল করে, যেমন ছিলেন তিনি সীরাত, আর রাহিকুল মাখতুম।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) মাওলানা আবদুল মালেক, শায়েখ আমাতুল্লাহ, আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী।
বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের প্রতি আন্তরিক আগ্রহ রয়েছে এবং কুরআন-সুন্নাহ সম্পর্কে জানার ও বোঝার চেষ্টা করি। নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সঠিকভাবে কুরআন পড়ার বিষয়ে শেখার প্রতি আগ্রহ রয়েছে। অর্জিত দ্বীনি জ্ঞান নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করার এবং আমলের মাধ্যমে নিজেকে ধীরে ধীরে সংশোধন ও উন্নত করার চেষ্টা করি। দ্বীনের বিষয়ে নতুন কিছু শেখা, উপকারী আলোচনা শোনা এবং ইসলামী জ্ঞানচর্চা করতে ভালো লাগে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দুনিয়াবি জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের প্রতিও আগ্রহী। নতুন কোনো বিষয় শেখা, নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং সময়কে ভালো ও উপকারী কাজে কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। সৃজনশীল কাজ ও হাতে তৈরি বিভিন্ন জিনিস শেখা ও করার প্রতিও আগ্রহ রয়েছে। ভবিষ্যতেও দ্বীনি ও দুনিয়াবি—উভয় ক্ষেত্রেই উপকারী জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করে নিজেকে একজন দায়িত্বশীল ও যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, ইনশাআল্লাহ।
নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন আমি খুব সাধারণ, সহজ-সরল ও সাদাসিধে জীবনযাপন করতে পছন্দ করি। অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকতে এবং নিজের সামর্থ্যের মধ্যে সুন্দরভাবে জীবন কাটাতে ভালো লাগে। বাহ্যিক চাকচিক্য, অতিরিক্ত বিলাসিতা কিংবা লোক দেখানো বিষয় আমার খুব একটা পছন্দ নয়। স্বভাবগতভাবে শান্ত, কিছুটা লাজুক ও অন্তর্মুখী। অপ্রয়োজনীয় কথা, অহেতুক ঝামেলা কিংবা কারও সঙ্গে তর্ক-বিতর্কে জড়ানো এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। মানুষের সঙ্গে সম্মান, ভদ্রতা ও আন্তরিকতা বজায় রেখে চলতে পছন্দ করি। কাউকে কষ্ট দেওয়া বা কারও মনে আঘাত করার বিষয়টি ভালো লাগে না; তাই নিজের কথা ও আচরণের ব্যাপারে যতটা সম্ভব সচেতন থাকার চেষ্টা করি। আমি নিজেকে দ্বীনদার বা পরহেজগার বলে দাবি করি না। বরং আমি একজন সাধারণ মানুষ, যার নিজেরও অনেক ভুল-ত্রুটি, দুর্বলতা ও গুনাহ রয়েছে। আমি পরিপূর্ণ নই এবং নিজেকে পরিপূর্ণ মনে করারও কোনো কারণ দেখি না। কখনো নিজের অজান্তে বা নিজের দুর্বলতার কারণে ভুল হয়ে যায়, কখনো এমন কাজও হয়ে যায় যা করা উচিত ছিল না। তবে ভুলের মধ্যে পড়ে থাকাকে স্বাভাবিক মনে করি না। নিজের ভুল বুঝতে পারলে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে ফিরে আসার এবং নিজেকে সংশোধন করার চেষ্টা করি। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো—ভুল না হওয়া নয়, বরং ভুল হওয়ার পর আল্লাহর দিকে ফিরে আসা এবং নিজেকে ধীরে ধীরে পরিবর্তন করার চেষ্টা করা। দ্বীনের প্রতি আমার ভালোবাসা আছে এবং দ্বীনের পথে চলার আন্তরিক ইচ্ছাও রয়েছে। তবে নিজের আমল ও জ্ঞানের দিকে তাকিয়ে নিজেকে দ্বীনদার দাবি করার মতো অবস্থানে মনে করি না। দ্বীনি জ্ঞান বলতে গেলে খুব বেশি নেই বললেই চলে। অনেক কিছুই জানি না, অনেক কিছু এখনও শেখার প্রয়োজন রয়েছে। কুরআন-সুন্নাহ সম্পর্কে আরও জানতে, বুঝতে এবং শেখা বিষয়গুলো নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করতে চাই। দ্বীনের পথে আমার পথচলা এখনও শেখার ও নিজেকে গড়ে তোলার পর্যায়ে। তাই এমন একজন মানুষকে পাশে পাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে, যাঁর মাধ্যমে আমি দ্বীনের পথে আরও দৃঢ় হতে পারব। আমার জীবনে এমন কোনো মানুষ নেই, যিনি নিয়মিতভাবে আমাকে আল্লাহর পথে চলার জন্য উৎসাহ দেবেন, ভুল হলে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেবেন কিংবা দ্বীনি বিষয়ে পাশে থেকে সহযোগিতা করবেন। তাই ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গীর ক্ষেত্রে শুধু একজন স্বামী নয়, বরং একজন দ্বীনি সহযাত্রী প্রত্যাশা করি। এমন একজন মানুষ চাই, যিনি নিজে আল্লাহকে ভয় করে চলার চেষ্টা করেন, রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহকে ভালোবাসেন, হালাল-হারামের ব্যাপারে সচেতন এবং দ্বীনকে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আমি এমন একজন গায়রতবান, আল্লাহভীরু ও দায়িত্বশীল জীবনসঙ্গী চাই, যিনি আমাকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার অর্থে নয়; বরং ভালোবাসা, সুন্দর আচরণ ও হিকমাহর মাধ্যমে দ্বীনের পথে চলতে সহযোগিতা করবেন। আমি যখন দুর্বল হয়ে পড়ব, তখন আমাকে উৎসাহ দেবেন; কোনো বিষয়ে ভুল করলে অপমান না করে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেবেন; কোনো নেক কাজ থেকে পিছিয়ে গেলে আমাকে উৎসাহিত করবেন। তাঁর নিজের আমল, চরিত্র ও জীবনযাপন যেন আমার জন্য দ্বীনের পথে চলার অনুপ্রেরণা হয়—এমন একজন মানুষ পাশে থাকা আমার কাছে অনেক বড় নিয়ামত হবে। একইভাবে আমিও চাই না যে সব দায়িত্ব শুধু তাঁর ওপর থাকবে। আমিও তাঁর দ্বীনের পথে একজন সহযোগী হতে চাই। তিনি যেন আমার মাধ্যমে মানসিক শান্তি পান, তাঁর ভালো কাজে উৎসাহ পান এবং কোনো দুর্বল সময়ে আমিও তাঁর পাশে থাকতে পারি। দুজনের কেউই পরিপূর্ণ হবে না—এটাই স্বাভাবিক। বরং দুজনেই নিজেদের ভুল-ত্রুটি স্বীকার করে একে অপরকে ভালো কাজে সহযোগিতা করব, ভুল হলে সুন্দরভাবে শুধরে দেব এবং একসঙ্গে আল্লাহর দিকে ফিরে চলার চেষ্টা করব—এমন একটি সম্পর্কই আমার কাছে সুন্দর। আমি বিশ্বাস করি, জীবনসঙ্গী শুধু সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার মানুষ নন; বরং তিনি মানুষের দ্বীন ও চরিত্র গঠনের ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। তাই এমন একজন স্বামী চাই, যাঁর সঙ্গে দুনিয়ার জীবন পার করার পাশাপাশি আখিরাতের জন্যও প্রস্তুতি নেওয়া যায়। একসঙ্গে নামাজের প্রতি যত্নশীল হওয়া, কুরআন শেখা ও পড়া, দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করা, সুন্নাহ অনুসরণ করার চেষ্টা করা এবং নেক কাজে একে অপরকে উৎসাহ দেওয়া—এসবকে ভবিষ্যৎ জীবনের সুন্দর অংশ হিসেবে দেখতে চাই। পরিবারের মানুষদের সম্মান করা, বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং ছোটদের স্নেহ করা গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভালোবাসা, বিশ্বাস, বিশ্বস্ততা, সম্মান ও আন্তরিকতাকে অনেক মূল্য দিই। ভবিষ্যতে একজন ভালো স্ত্রী হওয়ার পাশাপাশি একজন মমতাময়ী মা হতে চাই। সন্তানদের শুধু দুনিয়াবি শিক্ষায় শিক্ষিত করার চেয়ে তাদের ঈমান, আদব-আখলাক, আল্লাহভীতি ও ইসলামী মূল্যবোধের ওপর গড়ে তোলার চেষ্টা করতে চাই। সংসার সম্পর্কে আমার প্রত্যাশাও খুব বেশি নয়। বিলাসবহুল জীবন, অনেক সম্পদ কিংবা বাহ্যিক আড়ম্বরের চেয়ে এমন একটি শান্তিপূর্ণ সংসার চাই, যেখানে দুজন মানুষ একে অপরকে সম্মান করবে, বুঝবে, ক্ষমা করতে শিখবে এবং কঠিন সময়ে একে অপরকে ছেড়ে যাবে না। মতের অমিল হতেই পারে, ভুল বোঝাবুঝিও হতে পারে; তবে সেগুলো যেন ভালোবাসা, ধৈর্য, আলোচনা ও পারস্পরিক সম্মানের মাধ্যমে সমাধান করা যায়—এমন একটি সম্পর্ক চাই। সবশেষে বলতে চাই, আমি নিজেকে নিখুঁত কেউ মনে করি না। আমার অনেক কমতি আছে, অনেক কিছু শেখার বাকি, নিজেকে সংশোধন করারও অনেক জায়গা আছে। তাই এমন একজন মানুষ চাই না, যিনি আমাকে নিখুঁত ভাববেন; বরং এমন একজন চাই, যিনি আমার সীমাবদ্ধতাগুলো বুঝবেন এবং আমাকে আরও ভালো হওয়ার পথে সহযোগিতা করবেন। আমিও তাঁর ভুল-ত্রুটিকে তুচ্ছ না করে সুন্দরভাবে পাশে থাকার চেষ্টা করব। আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া হলো—জীবনসঙ্গী যেন আমাকে আল্লাহর থেকে দূরে নয়, বরং আল্লাহর আরও কাছে নিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে থেকে যেন দ্বীনের পথে চলা সহজ হয়, ঈমান ও আমল বৃদ্ধি পায় এবং আমরা দুজন একে অপরের জন্য দুনিয়ায় শান্তির কারণ ও আখিরাতে নাজাতের পথে সহযোগী হতে পারি। আল্লাহ আমাদের উভয়কে নিজেদের ভুল-ত্রুটি সংশোধন করে তাঁর সন্তুষ্টির পথে চলার তাওফিক দিন এবং এমন একটি পরিবার দান করুন, যা তাঁর কাছে প্রিয় হয়। আমীন।
আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন
কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? হানাফি
নজরের হেফাজত করেন? (Required) চেষ্টা করি
দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আখিরাতের সফলতাকে জীবনের মূল লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনযাপন করতে চাই। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো আদায় করা, নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত, দ্বীনি জ্ঞান অর্জন এবং অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী আমল করার চেষ্টা থাকবে, ইনশাআল্লাহ। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান মেনে চলার এবং নিজেকে ধীরে ধীরে আরও পরিপূর্ণভাবে দ্বীনের পথে গড়ে তোলার ইচ্ছা রয়েছে। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভালোবাসার মাধ্যমে একটি সুন্দর দ্বীনি পরিবার গড়ে তুলতে চাই। স্বামী যেন দ্বীনের পথে এগিয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে একজন সহায়ক ও দায়িত্বশীল জীবনসঙ্গী হওয়ার চেষ্টা থাকবে। ঘরে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে নামাজ, কুরআন, ইসলামী জ্ঞানচর্চা ও নেক আমল জীবনের স্বাভাবিক অংশ হয়ে থাকে। ভবিষ্যতে সন্তানদের শুধু দুনিয়াবি শিক্ষায় নয়, বরং কুরআন-সুন্নাহ, আদব-আখলাক, তাকওয়া ও আল্লাহভীতির শিক্ষা দিয়ে মানুষ করার চেষ্টা করতে চাই। তাদের ছোটবেলা থেকেই নামাজ, কুরআন, পর্দা, সত্যবাদিতা, উত্তম চরিত্র ও মানুষের হক সম্পর্কে শেখাতে চাই। নিজের আমল ও চরিত্রের মাধ্যমে তাদের জন্য একজন ভালো উদাহরণ হওয়ার চেষ্টা থাকবে। পর্দা ও মাহরাম-ননমাহরামের বিধান যথাসম্ভব মেনে চলা, হারাম ও সন্দেহজনক বিষয় থেকে নিজেকে দূরে রাখা এবং পরিবারকেও দ্বীনের পথে উৎসাহিত করার ইচ্ছা রয়েছে। পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী দ্বীনের দাওয়াত, কুরআন শিক্ষা ও মানুষের উপকারে আসার মতো নেক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চাই। সর্বোপরি, এমন একটি পরিবার গড়ে তুলতে চাই যেখানে স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে শুধু দুনিয়ার জীবনের সঙ্গী নয়, বরং জান্নাতের পথের সহযাত্রী হিসেবে সহযোগিতা করবে। দুনিয়ার ব্যস্ততার মাঝেও যেন আল্লাহর স্মরণ, ইবাদত ও আখিরাতের প্রস্তুতি থেকে দূরে সরে না যাই—এই নিয়ত ও চেষ্টা থাকবে। আল্লাহ যেন আমাদের জীবন, সংসার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দ্বীন ও বরকতে পরিপূর্ণ করে দেন। আমীন।
অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) কুরআন তিলাওয়াত করে, ইসলামিক বই পরে, আর্ট বা হাতের কাজ করে,
বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) ঘরের নিয়মিত কাজগুলো খুব বেশি করা হয় না। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবারের কাজে সহযোগিতা করি এবং দায়িত্ব দেওয়া হলে যথাসাধ্য পালন করার চেষ্টা করি।
নারী-পুরুষ সমঅধীকার বিষয়টাকে আপনি কিভাবে দেখেন? (Required) আমি মনে করি নারী ও পুরুষ উভয়েই আল্লাহর সৃষ্টি হিসেবে মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী। তবে ইসলামে নারী-পুরুষের অধিকার ও দায়িত্ব সব ক্ষেত্রে এক নয়; বরং যার যে দায়িত্ব ও অবস্থান, সে অনুযায়ী আলাদা কিছু দায়িত্ব ও অধিকার রয়েছে। সংসারে একে অপরকে প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং পরস্পরের সহযোগী হিসেবে দেখা উচিত। পারস্পরিক সম্মান, বোঝাপড়া, দায়িত্ববোধ ও ন্যায়সংগত আচরণের মাধ্যমে একটি সুন্দর পরিবার গড়ে ওঠে বলে আমি বিশ্বাস করি।
বিয়ে সংক্রান্ত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? হ্যাঁ রাজি
বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? বিয়েকে শুধু সামাজিক একটি সম্পর্ক বা জীবনের প্রয়োজন হিসেবে দেখি না; বরং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আমানত, দায়িত্ব এবং দ্বীনের অংশ হিসেবে দেখি। একজন নেক ও দ্বীনদার জীবনসঙ্গীর সঙ্গে থেকে পরস্পরকে দ্বীনের পথে সহযোগিতা করা, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা এবং সুন্দর একটি পরিবার গড়ে তোলাই বিয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য। আমার কাছে বিয়ে মানে শুধু ভালো সময় ভাগ করে নেওয়া নয়; বরং সুখ-দুঃখ, ভালো-মন্দ, অসুস্থতা ও কঠিন সময়—সবকিছুতে একে অপরের পাশে থাকা। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা, বিশ্বাস, সম্মান, দায়িত্ববোধ, ধৈর্য ও পারস্পরিক বোঝাপড়া থাকা জরুরি বলে মনে করি। একে অপরের দুর্বলতাকে নিয়ে হাসাহাসি বা অপমান না করে সুন্দরভাবে সংশোধন করা এবং প্রয়োজনের সময় সহযোগিতা করা উচিত। আমি এমন একটি দাম্পত্য জীবন চাই, যেখানে দুজনেই একে অপরের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকবে, পরামর্শের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেবে এবং পরিবারে শান্তি ও দ্বীনি পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা করবে। সংসারে মতের অমিল হওয়া স্বাভাবিক, তবে তা যেন সম্মান ও সুন্দর আচরণের সীমা অতিক্রম না করে। সর্বোপরি, বিয়েকে দুনিয়ার জীবনের একজন সঙ্গী পাওয়ার পাশাপাশি আখিরাতের পথচলার একজন সহযোগী পাওয়ার মাধ্যম হিসেবে দেখি। এমন একটি পরিবার গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ভালোবাসার পাশাপাশি আল্লাহভীতি, দ্বীন, দায়িত্ববোধ ও পারস্পরিক সম্মান থাকবে। ইনশাআল্লাহ, দুজন মিলে একে অপরকে জান্নাতের পথে এগিয়ে যেতে সহযোগিতা করাই হবে আমাদের সবচেয়ে সুন্দর উদ্দেশ্য।
আপনি কি বিয়ের পর চাকরি করতে ইচ্ছুক? না
বিয়ের পর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান? (ছাত্রী হলে) হ্যাঁ, দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করতে চাই
বিয়ের পর চাকরি চালিয়ে যেতে চান? (চাকরিজীবী হলে) না
বিয়েতে কেমন মোহরানা নির্ধারন করতে চান? ছেলের সাধ্যমত আলোচনা সাপেক্ষে
আপনার স্বামীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? স্বামীর প্রতি সম্মান, বিশ্বস্ততা ও আন্তরিকতা বজায় রাখা এবং শরীয়তসম্মত বিষয়ে তাঁর কথা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা। তাঁর অনুপস্থিতিতে তাঁর আমানত, সম্পদ ও পরিবারের মর্যাদা রক্ষা করা। সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, প্রয়োজনের সময় সহযোগিতা করা এবং সংসারের শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করা। স্বামীর সঙ্গে সুন্দর আচরণ করা, তাঁর বৈধ অধিকারগুলো যথাযথভাবে আদায় করার চেষ্টা করা এবং কোনো বিষয়ে মতের অমিল হলে সুন্দরভাবে আলোচনা ও পরামর্শের মাধ্যমে সমাধান করা। তাঁর ভালো কাজে উৎসাহ দেওয়া এবং দ্বীনের পথে একে অপরকে সহযোগিতা করা। পাশাপাশি নিজের দায়িত্ব ও সীমাবদ্ধতাগুলো বুঝে ধৈর্য, ভালোবাসা ও পারস্পরিক সম্মানের সঙ্গে সংসার পরিচালনা করতে চাই। স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতা রয়েছে—এই বিষয়টি মনে রেখে একে অপরের হক আদায়ের চেষ্টা করাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
বিয়ের পর কোথায় থাকতে চান? স্বামীর বাড়ি
অন্যান্য তথ্য
পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) ছাত্রী
বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান পরিবার সম্পর্কে কিছু বিষয় রয়েছে, যা প্রাথমিকভাবে উল্লেখ না করে পরবর্তীতে যোগাযোগের সময় বিস্তারিতভাবে জানাতে আগ্রহী। প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো যথাযথভাবে জানানো হবে, ইনশাআল্লাহ।
যেমন জীবনসঙ্গী আশা করেন
বয়স (Required) ২৫ থেকে ৩৫
গাত্রবর্ণ শ্যামলা, উজ্জ্বল শ্যামলা বা ফর্সা
নূন্যতম উচ্চতা ৫.২ থেকে
নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হাফেজ, মাওলানা, জেনারেল হলে সর্বোনিন্ম HSC
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত, ডিভোর্সি,
জীবনসঙ্গীর দাড়ি বা ইনকাম সম্পর্কে যা চান- (Required) দাড়ির ক্ষেত্রে সুন্নাহ অনুযায়ী দাড়ি রাখেন—এমন একজন দ্বীনদার জীবনসঙ্গী প্রত্যাশা করি। ইনকামের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো অঙ্কের প্রত্যাশা নেই; হালাল উপার্জন করেন, দায়িত্বশীল, দানশীল এবং নিজের ও পরিবারের প্রয়োজন মেটানোর সামর্থ্য ও মানসিকতা রাখেন—এটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বেশি অর্থের চেয়ে হালাল রিজিক, দায়িত্ববোধ, সততা ও বরকতময় জীবনকে প্রাধান্য দিই।
পেশা (Required) পেশা নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো চাহিদা নেই। হালাল ও সম্মানজনক পেশা হওয়াটাই মূল বিষয়। নিজের দায়িত্ব ও পরিবারের দায়িত্ব পালনে সচেতন হতে হবে। চাকরি বা ব্যবসা—বৈধ যেকোনো পেশাই গ্রহণযোগ্য।
অর্থনৈতিক অবস্থা ☑ নিম্নমধ্যবিত্ত ☑ মধ্যবিত্ত ☑ উচ্চ মধ্যবিত্ত
পারিবারিক অবস্থা (Required) দ্বীনদার, ভদ্র, সুশিক্ষিত ও সম্মানিত একটি পরিবার প্রত্যাশা করি। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা, সম্মান, সৌহার্দ্য ও সুন্দর বোঝাপড়া থাকবে—এমন পরিবেশকে প্রাধান্য দিই। দ্বীনি মূল্যবোধ ও পর্দার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সহজ-সরল জীবনযাপনে অভ্যস্ত পরিবার হলে ভালো হয়।
জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন দ্বীনদার, আল্লাহভীরু, সৎ, আমানতদার, দায়িত্বশীল, দানশীল ও উত্তম চরিত্রের একজন জীবনসঙ্গী প্রত্যাশা করি। যিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের ব্যাপারে যত্নশীল, নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করেন এবং কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন পরিচালনার চেষ্টা করেন। রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহকে ভালোবাসেন, নিজের জীবনে সুন্নাহ অনুসরণের চেষ্টা করেন এবং দ্বীনের বিষয়ে আন্তরিক ও সচেতন থাকেন। দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের আগ্রহ থাকবে এবং অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী আমল করার চেষ্টা করবেন। দ্বীনকে শুধু কিছু ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের বিধান মেনে চলার চেষ্টা করবেন। আল্লাহর সন্তুষ্টিকে দুনিয়ার স্বার্থের ওপর প্রাধান্য দেবেন এবং দ্বীনের জন্য সময়, শ্রম ও সামর্থ্য ব্যয় করার মানসিকতা রাখবেন। নিজের জীবনকে আল্লাহর দ্বীনের জন্য উৎসর্গ করার দৃঢ় ইচ্ছা ও নিয়ত থাকবে এবং নেক কাজে আমাকে উৎসাহিত করবেন। স্বভাবের দিক থেকে শান্ত, নম্র, ধৈর্যশীল, বিনয়ী, দানশীল ও দায়িত্বশীল হওয়া আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, সত্য কথা বলেন, কথা দিয়ে কথা রাখেন এবং ভুল হলে তা স্বীকার করে সংশোধন করার মানসিকতা রাখেন। স্ত্রীকে সম্মান করবেন, তার মতামত ও অনুভূতিকে গুরুত্ব দেবেন এবং সুখে-দুঃখে পাশে থাকবেন। সংসারে পর্দার সুন্দর পরিবেশ তৈরি করবেন এবং স্ত্রীকে দ্বীনের পথে চলতে সহযোগিতা করবেন। ভবিষ্যতে সন্তানদের কুরআন-সুন্নাহ, আদব-আখলাক ও তাকওয়ার ওপর গড়ে তোলার ব্যাপারে আন্তরিক থাকবেন। উভয়ে একে অপরকে দ্বীনের পথে সহযোগিতা করব এবং নেক কাজে উৎসাহিত করব—এমন একটি পরিবার গড়ে তোলার প্রত্যাশা করি। অর্থনৈতিক অবস্থার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো চাহিদা নেই; হালাল উপার্জন, দায়িত্বশীলতা ও পরিশ্রমকে বেশি গুরুত্ব দিই। যৌতুক থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকা এবং বিয়েকে সহজ ও বরকতময়ভাবে সম্পন্ন করার মানসিকতা থাকা প্রত্যাশিত। সর্বোপরি, এমন একজন জীবনসঙ্গী চাই যিনি রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহকে ভালোবাসবেন, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য জীবনকে পরিচালনা করবেন এবং দ্বীনের পথে নিজের সময়, শ্রম ও সামর্থ্য ব্যয় করতে প্রস্তুত থাকবেন। আমিও যেন তাঁর সঙ্গে হাতে হাত রেখে দ্বীনের পথে চলতে পারি, একে অপরকে নেক কাজে সহযোগিতা করতে পারি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আখিরাতের সফলতার জন্য একসঙ্গে চেষ্টা করতে পারি—এটাই আমার প্রত্যাশা।
জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) যে কোন জেলা।
কর্তৃপক্ষের জিজ্ঞাসা
বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? হ্যা
আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? হ্যা
কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? হ্যা
যোগাযোগ

Unlock this biodata contact information with 1 gem.

Login to unlock contact

সর্বমোট ভিউ: 5 ভিউস