| প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? |
আলহামদুলিল্লাহ হ্যাঁ |
| নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) |
৭ থেকে ৮ বছর |
| মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? |
আলহামদুলিল্লাহ সব সময় চলার চেষ্টা করে, পরিবারের কিছু গায়রতহীন মানুষের জন্য সব সময় পেরে উঠি না। |
| শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? |
আলহামদুলিল্লাহ পারি, শেখার কোন শেষ নেই, এখনো শিখছি। |
| ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? |
বোরকা, হিজাব, নিকাব, হাত, পা মোজা, চশমা। |
| কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) |
না নেই |
| নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? |
না, মাঝে মধ্যে চোখের সামনে আসলে এরিয়ে চলার চেষ্টা করি |
| মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) |
না নেই |
| দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) |
কুরআনের পড়ানোর সাথে |
| আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) |
না |
| মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) |
মাজারে সিজদা করা শিরক |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) |
পরিশুদ্ধ কলব, নারীর কোথা ভুল করে, যেমন ছিলেন তিনি সীরাত, আর রাহিকুল মাখতুম। |
| আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) |
মাওলানা আবদুল মালেক, শায়েখ আমাতুল্লাহ, আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী। |
| বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) |
দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের প্রতি আন্তরিক আগ্রহ রয়েছে এবং কুরআন-সুন্নাহ সম্পর্কে জানার ও বোঝার চেষ্টা করি। নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সঠিকভাবে কুরআন পড়ার বিষয়ে শেখার প্রতি আগ্রহ রয়েছে। অর্জিত দ্বীনি জ্ঞান নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করার এবং আমলের মাধ্যমে নিজেকে ধীরে ধীরে সংশোধন ও উন্নত করার চেষ্টা করি। দ্বীনের বিষয়ে নতুন কিছু শেখা, উপকারী আলোচনা শোনা এবং ইসলামী জ্ঞানচর্চা করতে ভালো লাগে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দুনিয়াবি জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের প্রতিও আগ্রহী। নতুন কোনো বিষয় শেখা, নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং সময়কে ভালো ও উপকারী কাজে কাজে লাগানোর চেষ্টা করি। সৃজনশীল কাজ ও হাতে তৈরি বিভিন্ন জিনিস শেখা ও করার প্রতিও আগ্রহ রয়েছে। ভবিষ্যতেও দ্বীনি ও দুনিয়াবি—উভয় ক্ষেত্রেই উপকারী জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করে নিজেকে একজন দায়িত্বশীল ও যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, ইনশাআল্লাহ। |
| নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন |
আমি খুব সাধারণ, সহজ-সরল ও সাদাসিধে জীবনযাপন করতে পছন্দ করি। অল্পতেই সন্তুষ্ট থাকতে এবং নিজের সামর্থ্যের মধ্যে সুন্দরভাবে জীবন কাটাতে ভালো লাগে। বাহ্যিক চাকচিক্য, অতিরিক্ত বিলাসিতা কিংবা লোক দেখানো বিষয় আমার খুব একটা পছন্দ নয়। স্বভাবগতভাবে শান্ত, কিছুটা লাজুক ও অন্তর্মুখী। অপ্রয়োজনীয় কথা, অহেতুক ঝামেলা কিংবা কারও সঙ্গে তর্ক-বিতর্কে জড়ানো এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি। মানুষের সঙ্গে সম্মান, ভদ্রতা ও আন্তরিকতা বজায় রেখে চলতে পছন্দ করি। কাউকে কষ্ট দেওয়া বা কারও মনে আঘাত করার বিষয়টি ভালো লাগে না; তাই নিজের কথা ও আচরণের ব্যাপারে যতটা সম্ভব সচেতন থাকার চেষ্টা করি।
আমি নিজেকে দ্বীনদার বা পরহেজগার বলে দাবি করি না। বরং আমি একজন সাধারণ মানুষ, যার নিজেরও অনেক ভুল-ত্রুটি, দুর্বলতা ও গুনাহ রয়েছে। আমি পরিপূর্ণ নই এবং নিজেকে পরিপূর্ণ মনে করারও কোনো কারণ দেখি না। কখনো নিজের অজান্তে বা নিজের দুর্বলতার কারণে ভুল হয়ে যায়, কখনো এমন কাজও হয়ে যায় যা করা উচিত ছিল না। তবে ভুলের মধ্যে পড়ে থাকাকে স্বাভাবিক মনে করি না। নিজের ভুল বুঝতে পারলে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে ফিরে আসার এবং নিজেকে সংশোধন করার চেষ্টা করি। আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো—ভুল না হওয়া নয়, বরং ভুল হওয়ার পর আল্লাহর দিকে ফিরে আসা এবং নিজেকে ধীরে ধীরে পরিবর্তন করার চেষ্টা করা।
দ্বীনের প্রতি আমার ভালোবাসা আছে এবং দ্বীনের পথে চলার আন্তরিক ইচ্ছাও রয়েছে। তবে নিজের আমল ও জ্ঞানের দিকে তাকিয়ে নিজেকে দ্বীনদার দাবি করার মতো অবস্থানে মনে করি না। দ্বীনি জ্ঞান বলতে গেলে খুব বেশি নেই বললেই চলে। অনেক কিছুই জানি না, অনেক কিছু এখনও শেখার প্রয়োজন রয়েছে। কুরআন-সুন্নাহ সম্পর্কে আরও জানতে, বুঝতে এবং শেখা বিষয়গুলো নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করতে চাই। দ্বীনের পথে আমার পথচলা এখনও শেখার ও নিজেকে গড়ে তোলার পর্যায়ে। তাই এমন একজন মানুষকে পাশে পাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে, যাঁর মাধ্যমে আমি দ্বীনের পথে আরও দৃঢ় হতে পারব।
আমার জীবনে এমন কোনো মানুষ নেই, যিনি নিয়মিতভাবে আমাকে আল্লাহর পথে চলার জন্য উৎসাহ দেবেন, ভুল হলে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেবেন কিংবা দ্বীনি বিষয়ে পাশে থেকে সহযোগিতা করবেন। তাই ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গীর ক্ষেত্রে শুধু একজন স্বামী নয়, বরং একজন দ্বীনি সহযাত্রী প্রত্যাশা করি। এমন একজন মানুষ চাই, যিনি নিজে আল্লাহকে ভয় করে চলার চেষ্টা করেন, রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহকে ভালোবাসেন, হালাল-হারামের ব্যাপারে সচেতন এবং দ্বীনকে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
আমি এমন একজন গায়রতবান, আল্লাহভীরু ও দায়িত্বশীল জীবনসঙ্গী চাই, যিনি আমাকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার অর্থে নয়; বরং ভালোবাসা, সুন্দর আচরণ ও হিকমাহর মাধ্যমে দ্বীনের পথে চলতে সহযোগিতা করবেন। আমি যখন দুর্বল হয়ে পড়ব, তখন আমাকে উৎসাহ দেবেন; কোনো বিষয়ে ভুল করলে অপমান না করে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেবেন; কোনো নেক কাজ থেকে পিছিয়ে গেলে আমাকে উৎসাহিত করবেন। তাঁর নিজের আমল, চরিত্র ও জীবনযাপন যেন আমার জন্য দ্বীনের পথে চলার অনুপ্রেরণা হয়—এমন একজন মানুষ পাশে থাকা আমার কাছে অনেক বড় নিয়ামত হবে।
একইভাবে আমিও চাই না যে সব দায়িত্ব শুধু তাঁর ওপর থাকবে। আমিও তাঁর দ্বীনের পথে একজন সহযোগী হতে চাই। তিনি যেন আমার মাধ্যমে মানসিক শান্তি পান, তাঁর ভালো কাজে উৎসাহ পান এবং কোনো দুর্বল সময়ে আমিও তাঁর পাশে থাকতে পারি। দুজনের কেউই পরিপূর্ণ হবে না—এটাই স্বাভাবিক। বরং দুজনেই নিজেদের ভুল-ত্রুটি স্বীকার করে একে অপরকে ভালো কাজে সহযোগিতা করব, ভুল হলে সুন্দরভাবে শুধরে দেব এবং একসঙ্গে আল্লাহর দিকে ফিরে চলার চেষ্টা করব—এমন একটি সম্পর্কই আমার কাছে সুন্দর।
আমি বিশ্বাস করি, জীবনসঙ্গী শুধু সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার মানুষ নন; বরং তিনি মানুষের দ্বীন ও চরিত্র গঠনের ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। তাই এমন একজন স্বামী চাই, যাঁর সঙ্গে দুনিয়ার জীবন পার করার পাশাপাশি আখিরাতের জন্যও প্রস্তুতি নেওয়া যায়। একসঙ্গে নামাজের প্রতি যত্নশীল হওয়া, কুরআন শেখা ও পড়া, দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করা, সুন্নাহ অনুসরণ করার চেষ্টা করা এবং নেক কাজে একে অপরকে উৎসাহ দেওয়া—এসবকে ভবিষ্যৎ জীবনের সুন্দর অংশ হিসেবে দেখতে চাই।
পরিবারের মানুষদের সম্মান করা, বড়দের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা এবং ছোটদের স্নেহ করা গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভালোবাসা, বিশ্বাস, বিশ্বস্ততা, সম্মান ও আন্তরিকতাকে অনেক মূল্য দিই। ভবিষ্যতে একজন ভালো স্ত্রী হওয়ার পাশাপাশি একজন মমতাময়ী মা হতে চাই। সন্তানদের শুধু দুনিয়াবি শিক্ষায় শিক্ষিত করার চেয়ে তাদের ঈমান, আদব-আখলাক, আল্লাহভীতি ও ইসলামী মূল্যবোধের ওপর গড়ে তোলার চেষ্টা করতে চাই।
সংসার সম্পর্কে আমার প্রত্যাশাও খুব বেশি নয়। বিলাসবহুল জীবন, অনেক সম্পদ কিংবা বাহ্যিক আড়ম্বরের চেয়ে এমন একটি শান্তিপূর্ণ সংসার চাই, যেখানে দুজন মানুষ একে অপরকে সম্মান করবে, বুঝবে, ক্ষমা করতে শিখবে এবং কঠিন সময়ে একে অপরকে ছেড়ে যাবে না। মতের অমিল হতেই পারে, ভুল বোঝাবুঝিও হতে পারে; তবে সেগুলো যেন ভালোবাসা, ধৈর্য, আলোচনা ও পারস্পরিক সম্মানের মাধ্যমে সমাধান করা যায়—এমন একটি সম্পর্ক চাই।
সবশেষে বলতে চাই, আমি নিজেকে নিখুঁত কেউ মনে করি না। আমার অনেক কমতি আছে, অনেক কিছু শেখার বাকি, নিজেকে সংশোধন করারও অনেক জায়গা আছে। তাই এমন একজন মানুষ চাই না, যিনি আমাকে নিখুঁত ভাববেন; বরং এমন একজন চাই, যিনি আমার সীমাবদ্ধতাগুলো বুঝবেন এবং আমাকে আরও ভালো হওয়ার পথে সহযোগিতা করবেন। আমিও তাঁর ভুল-ত্রুটিকে তুচ্ছ না করে সুন্দরভাবে পাশে থাকার চেষ্টা করব।
আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া হলো—জীবনসঙ্গী যেন আমাকে আল্লাহর থেকে দূরে নয়, বরং আল্লাহর আরও কাছে নিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে থেকে যেন দ্বীনের পথে চলা সহজ হয়, ঈমান ও আমল বৃদ্ধি পায় এবং আমরা দুজন একে অপরের জন্য দুনিয়ায় শান্তির কারণ ও আখিরাতে নাজাতের পথে সহযোগী হতে পারি। আল্লাহ আমাদের উভয়কে নিজেদের ভুল-ত্রুটি সংশোধন করে তাঁর সন্তুষ্টির পথে চলার তাওফিক দিন এবং এমন একটি পরিবার দান করুন, যা তাঁর কাছে প্রিয় হয়। আমীন। |
| আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন |
| কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? |
হানাফি |
| নজরের হেফাজত করেন? (Required) |
চেষ্টা করি |
| দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? |
আল্লাহর সন্তুষ্টি ও আখিরাতের সফলতাকে জীবনের মূল লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী জীবনযাপন করতে চাই। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো আদায় করা, নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত, দ্বীনি জ্ঞান অর্জন এবং অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী আমল করার চেষ্টা থাকবে, ইনশাআল্লাহ। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান মেনে চলার এবং নিজেকে ধীরে ধীরে আরও পরিপূর্ণভাবে দ্বীনের পথে গড়ে তোলার ইচ্ছা রয়েছে। বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভালোবাসার মাধ্যমে একটি সুন্দর দ্বীনি পরিবার গড়ে তুলতে চাই। স্বামী যেন দ্বীনের পথে এগিয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে একজন সহায়ক ও দায়িত্বশীল জীবনসঙ্গী হওয়ার চেষ্টা থাকবে। ঘরে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে নামাজ, কুরআন, ইসলামী জ্ঞানচর্চা ও নেক আমল জীবনের স্বাভাবিক অংশ হয়ে থাকে। ভবিষ্যতে সন্তানদের শুধু দুনিয়াবি শিক্ষায় নয়, বরং কুরআন-সুন্নাহ, আদব-আখলাক, তাকওয়া ও আল্লাহভীতির শিক্ষা দিয়ে মানুষ করার চেষ্টা করতে চাই। তাদের ছোটবেলা থেকেই নামাজ, কুরআন, পর্দা, সত্যবাদিতা, উত্তম চরিত্র ও মানুষের হক সম্পর্কে শেখাতে চাই। নিজের আমল ও চরিত্রের মাধ্যমে তাদের জন্য একজন ভালো উদাহরণ হওয়ার চেষ্টা থাকবে। পর্দা ও মাহরাম-ননমাহরামের বিধান যথাসম্ভব মেনে চলা, হারাম ও সন্দেহজনক বিষয় থেকে নিজেকে দূরে রাখা এবং পরিবারকেও দ্বীনের পথে উৎসাহিত করার ইচ্ছা রয়েছে। পাশাপাশি সামর্থ্য অনুযায়ী দ্বীনের দাওয়াত, কুরআন শিক্ষা ও মানুষের উপকারে আসার মতো নেক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চাই। সর্বোপরি, এমন একটি পরিবার গড়ে তুলতে চাই যেখানে স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে শুধু দুনিয়ার জীবনের সঙ্গী নয়, বরং জান্নাতের পথের সহযাত্রী হিসেবে সহযোগিতা করবে। দুনিয়ার ব্যস্ততার মাঝেও যেন আল্লাহর স্মরণ, ইবাদত ও আখিরাতের প্রস্তুতি থেকে দূরে সরে না যাই—এই নিয়ত ও চেষ্টা থাকবে। আল্লাহ যেন আমাদের জীবন, সংসার ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দ্বীন ও বরকতে পরিপূর্ণ করে দেন। আমীন। |
| অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) |
কুরআন তিলাওয়াত করে, ইসলামিক বই পরে, আর্ট বা হাতের কাজ করে, |
| বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) |
ঘরের নিয়মিত কাজগুলো খুব বেশি করা হয় না। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবারের কাজে সহযোগিতা করি এবং দায়িত্ব দেওয়া হলে যথাসাধ্য পালন করার চেষ্টা করি। |
| নারী-পুরুষ সমঅধীকার বিষয়টাকে আপনি কিভাবে দেখেন? (Required) |
আমি মনে করি নারী ও পুরুষ উভয়েই আল্লাহর সৃষ্টি হিসেবে মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী। তবে ইসলামে নারী-পুরুষের অধিকার ও দায়িত্ব সব ক্ষেত্রে এক নয়; বরং যার যে দায়িত্ব ও অবস্থান, সে অনুযায়ী আলাদা কিছু দায়িত্ব ও অধিকার রয়েছে। সংসারে একে অপরকে প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং পরস্পরের সহযোগী হিসেবে দেখা উচিত। পারস্পরিক সম্মান, বোঝাপড়া, দায়িত্ববোধ ও ন্যায়সংগত আচরণের মাধ্যমে একটি সুন্দর পরিবার গড়ে ওঠে বলে আমি বিশ্বাস করি। |