male

বায়োডাটা নাম্বার

AH-106172

পাত্রের বায়োডাটা

অবিবাহিত

ফেনী

চট্টগ্রাম বিভাগ

ফেনী

চট্টগ্রাম বিভাগ

১৯৯৮

উজ্জ্বল ফর্সা

৫'৩''

৫৩ কেজি

O+

প্রাইভেট জব

১২০০০৳ + আলহামদুলিল্লাহ।


ঠিকানা
স্থায়ী ঠিকানা ছাগলনাইয়া,ফেনী
বর্তমান ঠিকানা ছাগলনাইয়া, ফেনী
কোথায় বড় হয়েছেন? (Required) এলাকাতেই।
সাধারণ তথ্য
বায়োডাটার ধরন পাত্রের বায়োডাটা
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
বর্তমান ঠিকানা ফেনী
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
স্থায়ী ঠিকানা ফেনী
বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগ
জন্মসন (আসল) ১৯৯৮
গাত্রবর্ণ উজ্জ্বল ফর্সা
উচ্চতা ৫'৩''
ওজন ৫৩ কেজি
রক্তের গ্রুপ O+
পেশা প্রাইভেট জব
মাসিক আয় ১২০০০৳ + আলহামদুলিল্লাহ।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
কোন মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন? (Required) মাদ্রাসা
আপনি কি হাফেজ? হ্যাঁ
দাওরায়ে হাদীস পাশ করেছেন? হ্যাঁ
সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা হিফজুল কুরআনিল কারীম- (২০০৮-২০১১); মদীনাতুল উলূম ইসলামিয়া মাদ্রাসা, করৈয়া, ফেনী। তাইসীর থেকে মিশকাত- (২০১২-২০১৯); মদীনাতুল উলূম ইসলামিয়া মাদ্রাসা, করৈয়া, ফেনী। তাকমীল ফিল হাদীস- (২০২০-২০২১); আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া, চট্রগ্রাম, বাংলাদেশ।
অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতা ৪ মাস ব্যাপী একটা ইংলিশ স্পিকিং কোর্স করা হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। কিছু ডিজিটাল মার্কেটিং রিলেটেড কোর্স করা হয়েছে। ‘মুমিনের বিয়ে ভাবনা’ কোর্সটি করা হয়েছে (বিয়ের আগে প্রত্যেক ভাই-বোনের এই কোর্স করা খুবই জরুরি মনে করি)।
IOM তথ্য
আপনি কি আইওএমের স্টুডেন্ট? না
পারিবারিক তথ্য
পিতার পেশা (মৃত) রাহিমাহুল্লাহু রাহমাতান ওয়াসি'আহ! প্রাইমারি স্কুলের টিচার ছিলেন, পরবর্তীতে অন্য একটা প্রাইভেট জবে নিযুক্ত ছিলেন।
মাতার পেশা রব্বাতুল বাইত।
বোন কয়জন? ১জন
ভাই কয়জন? ৪জন
বোনদের সম্পর্কে তথ্য ১ জন, নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। (IOM এ ভর্তি করিয়ে দেবো ইন শা আল্লাহ!)
ভাইদের সম্পর্কে তথ্য ৪ জন। বড় ভাইয়া বিএসসি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, মেজো পাত্র, সেজো ভাই ইন্টারে পড়াশোনা করছে, ছোট ভাই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে।
চাচা মামাদের পেশা চাচা ৩ জন; ১। বড় চাচা প্রাইভেট জব করেন। ২। মেজো চাচা প্রাইভেট জবে ছিলেন, গত ২-৩ মাস অসুস্থতার দরুন বাড়িতে এসে গেছেন, এখনো পুনরায় জয়েন করেননি। ৩। ছোট চাচা কুয়েত প্রবাসী। মামা ২ জন; ১। বড় মামা বাড়ি দেখাশোনা করেন, পাশাপাশি কিছু চাষাবাদ করছেন। ২। ছোট মামার ঢাকায় বিজনেস আছে।
পরিবারের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা মধ্যবিত্ত, স্বচ্ছল আলহামদুলিল্লাহ। সামাজিকভাবে সম্মানিত আলহামদুলিল্লাহ।
আপনার পরিবারের দ্বীনি অবস্থা কেমন? (বিস্তারিত বর্ননা করুন ) (Required) আমার পরিবার অন্য সাধারণ মুসলিম পরিবারের মতই। সব সদস্য নামাজও ধারাবাহিকভাবে পড়েননা শুধুমাত্র আব্বু ছাড়া, আব্বুকে কখনো নামাজ ছেড়ে দিতে দেখিনি, (আল্লাহ তায়া’লা আব্বুকে ক্ষমা করেদিন! ফিরদাউসে জায়গা করে দিন!) বাকিরা কিছু পড়ে আবার কিছু ছেড়ে দেয়, এভাবে চলছে… পর্দার ব্যাপার হলো:- কেউ পরিপূর্ণ পর্দা মেনে চলেননা। তবে শালীনতা বজায় রেখে চলেন। আমার পুরো আত্মীয় স্বজন সবারই একই পরিস্থিতি। কেউই পূর্ণ দ্বীন মেনে চলেননা। আমার মহান রব আমাকে নিজ দয়া গুণে দ্বীন মেনে চলার মানসিকতা দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। এখন তো পুরো ফ্যামিলি, আত্মীয় স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীর কাছে দ্বীনের দাওয়াত দেয়া আমারই দায়িত্ব ও কর্তব্য। আমি যখনই কাউকে দ্বীনের পথে ফেরার কথা বলি, তখন একটা ব্যাপার খুব বেশি উপলব্ধি করি, তা হলো - যেকোনো ঘরের পুরুষকে দ্বীনের পথে আনার জন্য ঘরের মহিলাদের ভূমিকা অনেক অনেক বেশি থাকে। ফ্যামিলির মা-বোনেরা যদি আগে দ্বীনের পথে ফিরে আসেন তাহলে ভাইয়েরা খুব তাড়াতাড়ি দ্বীনে ফিরতে পারেন! আমরা ইচ্ছা করলেই তো আর মা-বোনদেরকে দাওয়াত দেয়া পসিবল না, আবার আমরা মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছি তাই বাড়িতে থাকা বা সময় দেয়া খুব বেশি একটা সম্ভব হয়ে উঠেনি, এখনো উঠছেনা (আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সহজ করুন!)। এজন্য ফ্যামিলি, আত্মীয়-স্বজন ও সমাজে দ্বীন কায়েম করতে একজন দা'য়ীয়াহ জীবনসঙ্গিনী অনেক অনেক বেশি প্রয়োজন! আল্লাহ তায়া’লা দ্রুত মিলিয়ে দিন! *আমার খুব খুব ইচ্ছা, আমার মুহতারামাহ দা'য়ীয়াহ জীবনসঙ্গিনী আমার ফ্যামিলি ও আত্মীয় স্বজন মহিলাদের দ্বীনে ফেরানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাবেন, এটা উনার পক্ষ থেকে আমার উপর অনেক বড় ইহসান হবে! আমার ফ্যামিলি মেম্বারদের জন্য সবসময় ফিকির ও দোয়া চলমান। আল্লাহ তায়া’লার কাছে খুব বেশি প্রত্যাশা করি যে, রব উনাদেরকে পূর্ণ দ্বীন মানার তাওফিক দিবেন। তবে আমার দ্বীন পালনের ক্ষেত্রে এখন সাপোর্টিভ এবং দ্বীনের ক্ষেত্রে সবাই আলহামদুলিল্লাহ সফট কর্ণার। যদিও প্রথম প্রথম -তাদের জন্য নতুন কোন বিষয়ে- আমল করতে দেখলে কিছু কথা-বার্তা শুনতে হতো, যেমন তারবীহর নামাজ পড়িয়ে টাকা না নেয়া, ঘরে টিভি আনার কারণে বাড়ি থেকে ১৫ মিনিটের দূরের মাদ্রাসা থেকে কয়েকমাস বাড়িতে না আসা, বিয়েতে বরের সাথে বৌভাতে না যাওয়া এমনকি নিজ বড় মামার বিয়েতেও যায়নি এখন থেকে আরো ৭-৮ বছর আগে। এসব ক্ষেত্রে কিছু কটু কথা শুনতে হয়েছে, এটা হবেই, যুগ যুগ ধরে হয়েছে সবার সাথেই। পরিবেশ পরিবর্তন করতে হলে সংগ্রাম করতেই হয়, হবে। রব আমাকে ও সবাইকে দ্বীনের উপর অবিচলতা দান করুন!
ব্যক্তিগত তথ্য
সুন্নতি দাঁড়ি রয়েছে কি? (Required) জি আলহামদুলিল্লাহ।
পায়ের টাখনুর উপরে কাপড় পরেন?(Required) জি আলহামদুলিল্লাহ।
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয় ? জি, আলহামদুলিল্লাহ।
নিয়মিত নামায কত সময় যাবত পড়ছেন? (Required) প্রাপ্তবয়স্ক/বালেগ হওয়ারও অনেক আগ থেকেই নামাজ পড়তাম যেহেতু হিফজ বিভাগে ও মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছি। বালেগ হওয়ার পর থেকে আমার জানামতে কোন নামাজ একেবারেই ছুটে যায়নি আলহামদুলিল্লাহ। একান্ত কোন সমস্যার কারণে যে নামাজ সময় মতো পড়তে পারিনি তা যথাসম্ভব পরবর্তী নামাজের আগেই বা স্বরণ হওয়ার পরে কাজা আদায় করে নিয়েছি। ফালিল্লাহিল হামদু ওয়া লাহুশ শুকর! এটা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার অনেক বড় মেহেরবানি আমার উপর, এটা স্বরণ হলে কৃতজ্ঞতায় মস্তক অবনত হয়ে আসে। রব আমৃত্যু এ-ই নিয়ামত জারি রাখুন!
মাহরাম/গাইরে-মাহরাম মেনে চলেন কি? জি, আলহামদুলিল্লাহ। তবে পরিবার, আত্মীয়স্বজন, আশপাশের সবাই দ্বীন না বুঝার/মানার কারণে কিছুটা কঠিন হয়ে যায়। আল্লাহুম্মাগফিরলি!
শুদ্ধভাবে কুরআন তিলওয়াত করতে পারেন? জি আলহামদুলিল্লাহ।
ঘরের বাহিরে সাধারণত কী ধরণের পোশাক পরেন? পাঞ্জাবি, লুঙ্গি / পায়জামা।
কোনো রাজনৈতিক দর্শন থাকলে লিখুন (Required) একমাত্র খিলাফত এরই স্বপ্ন দেখি, সেটাই একজন মুমিন হিসেবে প্রত্যেকের চাওয়া থাকে।
নাটক/সিনেমা/সিরিয়াল/গান/খেলা এসব দেখেন বা শুনেন? একেবারেই ছোট বয়স থেকে নাটক, সিনেমা,গান এসবের প্রতি আগ্রহ ছিলোনা। শিশুকালে খুব বেশি খেলাধুলা করতাম, আর খেলা দেখতাম। আলহামদুলিল্লাহ ১৩/১৪ বছর বয়সে খেলা দেখার বদভ্যাসও আল্লাহর রহমতে দূর হয়েছে।
মানসিক বা শারীরিক কোনো রোগ আছে কি? (Required) এলার্জির প্রব্লেম আছে, মাঝে মধ্যে বেশি হয়ে যায়। ঔষধ সেবন করলে ভালো হয় আবার শুরু হয়, এভাবে চলছে (চিকিৎসা চলমান)। আলহামদুলিল্লাহ আ'লা কুল্লি হাল! এছাড়া গ্যাসের প্রব্লেম তো প্রায় সবারই কমবেশি থাকে, আমারও আছে। এ-ই প্রব্লেম শুধুমাত্র অনিয়ন্ত্রিত খাবারের কারণে হয়। নিয়মতান্ত্রিক ভালো খাবার খেলে এ-ই প্রব্লেম কারোরই থাকার কথা না। আমার ক্ষেত্রে সাধারণত এমন হয়।
দ্বীনের কোন বিশেষ মেহনতে যুক্ত আছেন? (Required) আলহামদুলিল্লাহ, কুরআন কারীমের শিক্ষা দেয়ার চেষ্টা করি অফলাইন অনলাইনে। গুরাবা একাডেমিতে উর্দূ কোর্সের ইন্সট্রাক্টর হিসেবে থাকা হয়েছিলো, আলহামদুলিল্লাহ।
আপনি কি কোনো পীরের মুরিদ বা অনুসারী ? (Required) এখনো কোন হাক্কানী আল্লাহ ওয়ালার সঙ্গে মজবুত ইসলাহী সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারিনি। আল্লাহুম্মাগফিরলি!
মাজার সম্পর্কে আপনার ধারণা বা বিশ্বাস কি? (Required) মাজার তো সাধারণ একটা কবর মাত্র। মাজার নিয়ে অতিরঞ্জন এগুলো খুবই অপছন্দনীয় কাজ। কবরে শায়িত ব্যক্তিটি যত বড় বুযুর্গ হোন না কেনো কবরে সিজদা করা, কবরে শায়িত কারও কাছে দুআ বা কিছু চাওয়া আল্লাহর সাথে শিরক! আল্লাহ আমাদের সকলকে এসব থেকে হিফাজত করুন!
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ টি ইসলামী বই এর নাম লিখুন (Required) আলহামদুলিল্লাহ, প্রচুর বই পড়া হয় ফ্রি টাইমে। এ-ই মুহূর্তে যেগুলোর কথা স্বরণে আসছে লিখছি! কুরআনুল কারীমের অনুবাদ ও তাফসীরের পরে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনীগ্রন্থ বেশি পড়া হয়; (আর রাহীক্বুল মাখতূম, মুলহিমুল আ'লাম- যার প্রেরণায় ধন্য পৃথিবী, নবীয়ে রহমত, সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া), তারপর আত্মশুদ্ধি মূলক বই বেশি পছন্দের, গুনাহমুক্ত জীবন, আত্মার ব্যাধি ও তার প্রতিকার ইত্যাদি। আরো কিছু প্রিয় বই:- আই লাভ কুরআন, আফগানিস্তানে আমার দেখা আল্লাহর নিদর্শন। কারা জান্নাতি কুমারীদের ভালোবাসে, পুষ্প, তুরস্কে- তুর্কিস্তানের সন্ধানে, বায়তুল্লাহর মুসাফির, বায়তুল্লাহর ছায়ায়, ওগো শুনছো!, ডানামেলা সালওয়া, সেপালকার ইন লাভ, ইত্যাদি। আলহামদুলিল্লাহ, ছোটখাটো ব্যাক্তিগত পাঠাগারের মতো বই সংগ্রহে আছে। প্রেমময় দাম্পত্য জীবন- রানিং (এই বইটা প্রত্যেক ভাই-বোনের অবশ্যই পড়া উচিত বিয়ের আগে)।
আপনার পছন্দের অন্তত ৩ জন আলেমের নাম লিখুন (Required) মুফতী তাকী উসমানী, আদীব হুজুর, শায়খ আব্দুল মালিক, শায়খ সফিউল্লাহ ফুয়াদ, মুফতী মুশতাকুন্নবী, শায়খ হারুন ইজহার, শায়খ আহমাদুল্লাহ, মাওলানা কালীম সিদ্দিকী, মুফতী যুবায়ের আহমাদ হাফিজাহুমুল্লাহ সহ সকল হাক্কানী উলামায়ে কেরামগণ। احب الصالحين ولست منهم، لعل الله يرزقني صلاحا (আমি নেককারদের ভালোবাসি যদিও তাদের মতো হতে পারিনি, হয়তো আল্লাহ তায়া’লা এ-র বরকতে আমাকে নেককার বানিয়ে দিবেন); আমার অত্যন্ত প্রিয় একটি কবিতা।
বিশেষ দ্বীনি বা দুনিয়াবি যোগ্যতা (যদি থাকে) উল্লেখ্যোগ্য তেমন কোন যোগ্যতা নেই, তবে রবের কোটি শুকরিয়া যে, মহান রব আমাকে সুন্দর সুরে কুরআন কারীম তিলাওয়াত করার তাওফিক দিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ। দুনিয়াবি যোগ্যতা বলতে ডিজিটাল মার্কেটিং রিলেটেড কিছু কোর্স করা হয়েছে। এফিলিয়েট মার্কেটিং বিষয়ে একটা কোর্স করা হয়েছে। এসইও সম্পর্কেও একটা কোর্স করেছি। এইতো!
নিজের সম্পর্কে কিছু লিখুন এ-ই অপশনটা আমার কাছে খুবই কঠিন মনে হচ্ছে, কারণ আমি তেমন কেউ নই যে, নিজের সম্পর্কে কিছু লিখবো আবার এই বায়োডাটা যেহেতু লাইফের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্তগুলোর একটির জন্য লিখা হচ্ছে তাই অল্পস্বল্প কিছু না লিখেও কোন উপায় নেই। যাতে আমাকে যিনি গ্রহণ করবেন তিনি মোটামুটি জেনে-বুঝেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ইয়া রব, আপনি কল্যাণের ফায়সালা করুন! আমরা আপনারই নিকট সাহায্যপ্রার্থী! আমি কথা-বার্তা খুবই কম বলার চেষ্টা করি, নিজ থেকে খুব সহজে কারো সাথে মিশতে পারিনা। তবে দ্বীনি সার্কেলের কারো সাথে একবার মিশে গেলে তখন আবার তা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত বাকি থাকে আলহামদুলিল্লাহ। আমি গুছিয়ে কথা বলতে একদমই পারিনা, সর্বদা সত্যকথা বলার চেষ্টা করি, হিংসা, অহংকার, মিথ্যা কথা ও বেয়াদবি একদমই পছন্দ করি না, বেয়াদবি নিজেও আলহামদুলিল্লাহ করিনা, কারোর বেয়াদবি নিতেও পারিনা। আদব হলো সৌভাগ্যের সোপান,তাই সর্বদা আদবের সাথে থাকার চেষ্টা করি। মানুষের সাথে উত্তম আচরণ করার চেষ্টা করি। কিছুটা লাজুক স্বভাবের। সবর করার কিছু ক্ষমতা মহান রব নিজ অনুগ্রহে দান করেছেন, আলহামদুলিল্লাহ। বিলাসী জীবনযাপনে অভ্যস্ততা নেই এবং খুবই অপছন্দ করি, সাধ্যের মধ্যে সাদাসিধে জীবন বড্ড ভালোবাসি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা নিজ অনুগ্রহে পুরোপুরি নবীওয়ালা জিন্দেগী যাপনের তাওফিক দিয়ে দিন। মুমিন হালাল ইনকামের জন্য শ্রম ব্যয় করবে,তবে বিলাসিতা করবেনা, উপার্জনের টাকা ইসলাম ও উম্মাহর খিদমাতে সর্বোচ্চ পরিমাণে ব্যয় করবে- এমনটাই কাজে ও মন-মেজাজে লালন করার চেষ্টা করি। অহংকারী,লেবাসী অথবা জটিল প্রকৃতি লোকদের থেকে দূরে থাকতে চেষ্টা করি, সচ্ছ মনের মানুষদের ভালোবাসি। ব্যক্তিত্ববোধ, গাইরতবোধ সম্পন্ন, ইখলাসপূর্ন ও উত্তম আখলাকওয়ালা মানুষ আমার মুগ্ধতা আর শ্রদ্ধার পাত্র সবসময়ই। তেমনটা নিজে হতে পারিনি যদিও কিন্তু উনাদের অনুসরন করার চেষ্টা করি। মেহমানপ্রিয়, অর্ধাঙ্গিনীকে মেহমানদারিতে অগ্রবর্তিনী হলেই বেটার হয়। ইয়াতিম শিশুদের প্রতি খুবই মায়া হয়, হাদীসে পাকে তাদের সম্পর্কে অনেক ফজীলত বর্ণিত হয়েছে। এমন শিশুদের দায়িত্ব নেয়াও পরকালের পুঁজি যোগাড়ের বিশাল মাধ্যম। এমন শিশুদের নিয়ে কাজ করারও অনেক দিনের ইচ্ছা ও আগ্রহ আছে, ইন শা আল্লাহ। রবকে কর্জে হাসানাহ দিতে ভীষণ ভালো লাগার কাজ গুলোর অন্যতম একটি। যতোটা সম্ভব আখিরাত গুছিয়ে নেয়ার মানসিকতা রাখি। কখনো পড়ে যাই,কখনো উঠে দাঁড়াই.... এভাবেই চলছে। কোন মুসলমানদের বিশেষ করে পরিবার বা প্রিয়জনদের শরীয়তবিরোধী কোন কার্যকলাপ দেখলে খুব বেশি খারাপ লাগে। কিন্তু দোয়া ও সতর্ক করা ছাড়া তো কিচ্ছু করতে পারিনা! মাঝে মধ্যে প্রচন্ড রাগ হয় এসব দেখলে কিন্তু পরক্ষণেই আবার এই চিন্তাও আসে - আমি নিজেই তো এখনো পুরোপুরি গুনাহ থেকে বাঁচতে পারিনা। আমি এ-ই কথাটা সবসময় বিশ্বাস করি ও অন্যদেরও বলি যে, ঘরের মা যে পরিমাণে দ্বীন পালন করেন তার সন্তান ও সেই ঘরে সে পরিমাণ দ্বীনি পরিবেশ কায়েম হয়। তাই মা-বোনদের মাঝে দাওয়াতের মেহনত করা ব্যাতিরেকে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ কোন কিছুই পরিবর্তন করা অনেক অনেক কঠিন ব্যাপার! তাই আমি এমন দ্বা'য়ীয়াহ কাউকেই জীবনসঙ্গীনী হিসেবে চাই যিনি বিশাল বড় স্বপ্ন নিয়ে মা-বোনদের মাঝে দা'ওয়াতের কাজ করবেন ইন শা আল্লাহু তায়া’লা! আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- যতটুকু সম্ভব স্বাস্থ্য সচেতন থাকার খুব বেশি চেষ্টা করি, সুস্বাস্থ্য আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার অগণিত নিয়ামতের মধ্যে অনেক অনেক বড় একটা নিয়ামত। তাই এই ব্যাপারে খুব যত্নশীল হওয়া সবারই বিশেষ করে মুমিনদের অনেক বেশি প্রয়োজন! আমার এটাও একটা স্বপ্ন যে, আমার ফ্যামিলির প্রত্যেক সদস্যই এই ব্যাপারে খুব বেশি সচেতন ও যত্নশীল হবে। যে কাজ, অভ্যাস ও খাবার স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকর তা থেকে সবাই বিরত থাকবে, ইন শা আল্লাহু তায়া’লা! প্রেম-ভালোবাসার নামে ছেলে-মেয়েদের অবৈধ সম্পর্কের মহামারী থেকে এবং গায়রে মাহরাম মহিলাদের সাথে বিনা প্রয়োজনে কথা-বার্তা বলা ও রসালো আলাপ করা, এসব থেকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা’য়ালা অনেক অনেক দূরে রেখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ্‌। নিজের ব্যপারে যাই বলি সেটা বেশি হবে। আমার যেমন ভালো দিক আছে তেমন অনেক খারাপ দিকও আছে। খারাপগুলো এড়িয়ে ভালো গুলো গ্ৰহণ করে এগিয়ে যাওয়ার নামইতো জীবন। দুনিয়াটাকে সামান্য একটা সফর মনে করে আখিরাতের সঞ্জীবনী গুছিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে আমি চেষ্টারত ইন শা আল্লাহ। এই চেষ্টায় বারবার হোঁচট খাই; কখনো আমি বিজয় লাভ করি নফস ও শয়তানের উপর কখনোবা সে অভিশপ্ত বিজয় লাভ করে। রব, আপনি আমাদেরকে নফস ও শয়তানের উপর সদা বিজয়ী হওয়ার তাওফিক দিন!
আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এমন অপশন গুলো সিলেক্ট করুন প্রযোজ্য নয়
কোন মাজহাব অনুসরণ করেন? হানাফি
নজরের হেফাজত করেন? (Required) হ্যা
দ্বীনি ফিউচার প্ল্যন কি আপনার? দ্বীন কায়েমের স্বপ্ন দেখি। দ্বীনি মারকাজ, মাকতাবা প্রতিষ্ঠা করা। মানুষের জন্য দ্বীনি ইলমকে সহজলভ্য করে দেয়া সাদকায়ে জারিয়ার নিয়তে (বিশেষভাবে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের এলাকা গুলোয়, সেদিকে খুব বেশি দাওয়াতী কাজের চিন্তা ভাবনা আছে)। বাচ্চাদের উত্তম তরবিয়তে মুমিন মুত্তাকী জুনদুল্লাহ হিসেবে গড়ে তোলা, ইন শা আল্লাহ। কুরআনের ইলম মানুষের অন্তরে পৌঁছে দিতে চাই। এমন একটা পরিবার গঠন করা যেখানে আল্লাহর কোন নাফরমানি হবেনা এবং সকল কাজে প্রিয় নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে। যেখানের প্রতিটি সদস্যের কাছে সকল বিষয়ে শরীয়তের বিধান ও সিদ্ধান্তই সর্বাগ্রে থাকবে। যে পরিবারের প্রতিটি সদস্য হবে কুরআন কারীমের ধারক বাহক ইন শা আল্লাহু তায়া’লা। যে পরিবার পুরোটাই ইসলামের কেন্দ্র হবে। যে পরিবারের মা হবেন খুবই সচেতন, যার সন্তানেরা মায়ের কাছেই কুরআন কারীম হিফজ করে নিবে ইন শা আল্লাহ। দ্বীনের মৌলিক প্রায় সব বিষয় ঘর থেকেই শিখে ফেলবে। আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন কায়েমের জন্য অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিতে যে মা তার সন্তানদেরকে মহিলা সাহাবীদের রাঃ মতো পরম মমতাভরে সাজিয়ে দিয়ে বলবেন - যাও বাবা, এ-ই জমিনে আল্লাহর দ্বীন বিজয় না হওয়া পর্যন্ত ফিরে এসোনা! এমন একজন মা-ই চাই এ-ই জীবনে; তবেই তো ঐ ব্যক্তির এ-ই জীবন সফল, যে তার পুরোটা জীবন জুড়ে শাহাদাতের তামান্না নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে পৃথিবীর বুকে! এমনকি এ-ই ছোট্ট জীবন জুড়ে সবচেয়ে বেশি যে দোয়াটি করেছে তা হলো, শাহাদাহ লাভের দোয়া। ইন শা আল্লাহ রবের দয়ায় সব সম্ভব হবে। বান্দার কাজ তো শুধুমাত্র চেষ্টা ও দোয়া করে যাওয়া। এমন একটা পরিবারের প্রত্যাশায় আছি, যে ব্যাপারে রব স্বয়ং দোয়া করতে শিখিয়ে দিয়েছেন -ربنا هب لنا من ازواجنا وذرياتنا قرة اعين، وجعلنا للمتقين اماما. যে পরিবারে দৈনন্দিন কুরআন কারীমের তিলাওয়াত,সকাল সন্ধ্যার আমল, দরুদ শরীফের আমল, ইস্তেগফারের আমল, দোয়ার আমল এবং বিষয়ভিত্তিক কিতাবাদীর অধ্যয়ন থাকবে বাধ্যতামূলক! ওয়ামা তাওফিক্বী ইল্লা বিল্লাহ! নিজের জীবন, জাওয, সন্তান সন্তুতি সবকিছু আল্লাহর রাস্তায় কুরবানী করার তামান্না আছে এবং দ্বীনের জন্য নিজের অনেক প্রাপ্তি ছাড় দেয়ার মানসিকতা আছে, জুনদুল্লাহদের মা হবেন এমন মাইন্ডসেটের কাউকে আশা করি। রব দ্রুত মিলিয়ে দিন! বাকী আরো প্ল্যান অর্ধাঙ্গিনীর সাথেই আলোচনা করা হবে ইং শা আল্লাহ।
অবসর সময় কিভাবে কাটান? (Required) বই পড়ে, ঘুমিয়ে, নিকট আত্মীয়দের খোজ খবর নিয়ে, তিলাওয়াত শুনা হয় বিভিন্ন শায়খদের। যদিও অবসর সময় খুব কমই পাওয়া যায়!
বাড়িতে কি কি দায়িত্ব আপনি পালন করে থাকেন? (Required) বাড়িতে ছুটির সময় ছাড়া সাধারণত থাকা হয়না। কর্মস্থলে যতটা সম্ভব নিজের কাজ নিজে করার চেষ্টা করি।
আপনি কি ধুমপান করেন? (Required) না। আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তায়া’লা হেফাজত করুন।
বিয়ে সংক্রান্ত তথ্য
অভিভাবক আপনার বিয়েতে রাজি কি না? জি আলহামদুলিল্লাহ
বিয়ে কেন করছেন? বিয়ে সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? বিয়ে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার হুকুম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ। বর্তমান সময়ে ঈমান নিয়ে বাঁচা জ্বলন্ত অঙ্গার হাতে নিয়ে রাখার মতো। চারিদিকে অন্ধকার। আল্লাহর বান্দাদের পদস্খলন করতে হাজারো আয়োজন এই সমাজে করে রাখা আছে। মাদরাসার নুরানি পরিবেশ, মসজিদের রুহানি মহলের মতো স্থানেও ফিতনার ছড়াছড়ি, গোমরাহির পদচারণা আজ। সেখানে সমাজের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান বা জায়গার কথা তো বলাই বাহুল্য। এটাই বাস্তবতা; অভিজ্ঞ ব্যক্তি মাত্রই জানবেন। এই কঠিন অবস্থায় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখা, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা, তাক্বওয়ার পথে চলা যেন এক মহা যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। ঈমান বাঁচানোর জন্য, আখেরাতে আল্লাহর আযাব থেকে বাঁচতে, জান্নাতের পথকে সহজ করতে, গুনাহে সয়লাব এই কঠিন পরিস্থিতিতে নফস এবং শয়তানের অবিরাম চক্রান্ত থেকে বাঁচতে পূণ্যবতী ও প্রেমময়ী জীবনসঙ্গিনী অত্যন্ত প্রয়োজন। মানুষ হালালভাবে চাহিদা পূরণ করতে না পারলে হারামের প্রতি সহজেই ধাবিত হয়। আমার স্ত্রীর মাধ্যমে নিজেকে পবিত্র রাখতে এবং আমার মাধ্যমে আমার স্ত্রীকেও পবিত্র রাখতে চাই। এজন্য এখনই বিয়ে করতে চাই ( দুনিয়াবী প্ল্যান-প্রোগ্রাম করে বিয়ে করতে গেলে আরো ৪-৫ বছর সময় লাগবে)। বিয়ে তাকওয়া বৃদ্ধি এবং চরিত্র হেফাজতের সহায়ক হয় যদি কেউ অলরেডি আল্লাহকে ভয় করে, নিজেকে ফিতনাময় দুনিয়ার অনিষ্ট থেকে হেফাজত করতে যুদ্ধ করে। গুনাহ থেকে নিজেকে হেফাজতের ক্ষেত্রে বিয়ে সহায়ক হতে পারে ; তবে একমাত্র সমাধান নয়। নেক সন্তানের মাধ্যমে দুনিয়ায় সাদাকায়ে জারিয়া রেখে যাওয়ার নিয়্যাতে বিয়ে করতে চাচ্ছি! কেয়ামতের ময়দানে শহীদের বাবা হয়ে মহা সম্মানের অধিকারী হতে বিয়ে করতে চাচ্ছি! ইয়া রব, আপনি অনুগ্রহপূর্বক কবূল করুন এ-ই প্রত্যাশা ও স্বপ্নগুলো!
বিয়ের পর স্ত্রীর পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? জি ইন শা আল্লাহ।
বিয়ের পর স্ত্রীকে পড়াশোনা করতে দিতে চান? দ্বীনি ইলম অর্জনে সর্বোচ্চ সহযোগিতা থাকবে ইনশা আল্লাহ।
বিয়ের পর স্ত্রীকে চাকরী করতে দিতে চান? অসম্ভব, আল্লাহর পানাহ! উম্মাহর মায়েদের যেই বিশাল দায়িত্ব আল্লাহ রাব্বুল আলামীন দিয়েছেন তা একজন চাকরিজীবী মা কখনই যথাযথভাবে আদায় করতে পারেনা। একজন আত্মমর্যাদাবান পুরুষ একেবারেই অসহায় পরিস্থিতিতে না পড়লে কখনো নিজের সম্মানিতা স্ত্রীকে পর্দার সাথেও চাকরি করতে দিতে পারেনা। আল্লাহ হিফাজত করুন!
বিয়ের পর স্ত্রীকে কোথায় নিয়ে থাকবেন? আমার ফ্যামিলিতে/ পৃথক ভাড়া বাসায়।
বিয়ে উপলক্ষে আপনি বা আপনার পরিবার পাত্রীপক্ষের কাছে যৌতুক বা উপহার বা অর্থ আশা করবেন কি না? কক্ষনো না, আমি এসবের বিরোধিতা করে আসছি সেই ছোটকাল থেকেই, আলহামদুলিল্লাহ। তবে এক্ষেত্রে উনাকে একটু সবর করতে হবে। যেহেতু এখনো আমার ফ্যামিলিতে পুরোপুরি দ্বীন নেই। আমি আশা করিনা, করবো না, নিবোনা; এটাই চূড়ান্ত ইনশা আল্লাহ! বিয়ে হবে পরিপূর্ণ সুন্নাহ মোতাবেক; কনেপক্ষকে কোনো খরচই করতে হবে না ইন শা আল্লাহ।
পাত্র/পাত্রী নির্বাচনে কোন বিষয়গুলো ছাড় দেয়ার মানসিকতা রাখেন? সবক্ষেত্রেই ছাড় দিতে রাজি আছি
বিয়ের পর স্ত্রীর ভরনপোষন চালাতে পারবেন? হ্যা
আপনাার স্ত্রীর প্রতি কি কি দায়িত্ব আছে আপনার? যে মানুষটি নিজের প্রিয় মা-বাবা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন সবকিছু ছেড়ে আমার কাছে আসবেন তাকে সর্বোচ্চ ভালোবাসা দিয়ে সবসময় আগলে রাখা এবং তার সার্বিক সব বিষয়ের খেয়াল রাখা তো আমার প্রধান দায়িত্ব, যাতে তিনি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার কাছে এমন একজন জাওয পেয়ে সর্বদা শুকরিয়া আদায় করতে পারেন! রব আমাকে তাওফিক দান করুন! ★তাকে সর্বোচ্চ কেয়ার করা, তার প্রতিটি ভালো লাগা এবং পছন্দ-অপছন্দের ব্যাপারে খেয়াল রাখা (শরীয়াহর সীমার মধ্যে)। আমার দ্বারা অন্যায়ভাবে উনি যাতে বিন্দু পরিমাণ কষ্টের ও জুলুমের সম্মুখিন না হোন, এ-ই ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা, ★তার মোহর পরিপূর্ণ আদায় করা, ★হালাল রিজিকের ব্যবস্থা করা, ★পর্দার ব্যবস্থা করা, ★স্ত্রীর সামনে নিজেকে পরিপাটি রাখা। কেননা, পুরুষরা তাদের সঙ্গিনীকে সুন্দরভাবে দেখতে পছন্দ করে। ঠিক একইভাবে স্ত্রীরা তাদের সঙ্গীকেও সুন্দরভাবে দেখতে পছন্দ করে, ★স্ত্রীর সঙ্গে সদ্ব্যবহার করা। কেননা, আল্লাহ তাআলা বলেছেন, وَعَاشِرُوهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ (আর তোমরা স্ত্রীদের সঙ্গে সদাচারণ কর। (সূরা নিসা ১৯) ★স্ত্রীর ধর্ম, দেহ, যৌবন ও মর্যাদায় ঈর্ষাবান ও আত্মমর্যাদাবোধ-সম্পন্ন হওয়া এবং এ সবে কোন প্রকার কলঙ্ক লাগতে না দেওয়া। কেননা, স্ত্রী উত্তম সংরক্ষণীয় ও হিফাজতের জিনিস। লোকের মুখে-মুখে, পরপুরুষদের চোখে-চোখে ও যুবকদের মনে-মনে বিচরণ করতে না দেওয়া; যাকে দেখা দেওয়া তার স্ত্রীর পক্ষে হারাম তাকে সাধারণ অনুমতি দিয়ে বাড়ি আসতে-যেতে না দেওয়া সুপুরুষের কর্ম এবং স্ত্রীর অধিকার। ★স্ত্রীর পরিবার ও বান্ধবীদের প্রতি বদান্যতা ও সুন্দর আচরণ দেখানো। আয়েশা রাযি. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বকরী যবেহ করতেন তখন বলতেন, أَرْسِلُوا بِهَا إِلَى أَصْدِقَاءِ خَدِيجَةَ ★স্ত্রীর গোপন বিষয় বিশেষ করে মিলনসংক্রান্ত বিষয়গুলো কাউকে না জানানো। ★শাসন ও সংশোধনের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখা। ★আল্লাহর কাছে দোয়া করা। ★শারীরিক এবং মানসিকভাবে তাকে সুখে রাখা, ★সকল বিপদে ঢাল হয়ে তার পাশে থাকা, ★সবসময় তার সহযোগী হয়ে থাকা, ★সংসার এবং সন্তান পালনে সহায়তা করা, ★প্রিয়তমা স্ত্রীর সঙ্গে সব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে পরামর্শ করা ও তাকে গুরুত্ব দেওয়া, ★ তার ভুল-ভ্রান্তি গুলোতে ধৈর্য ধারণ করা ও ভালোবাসা দিয়েই শোধরানোর চেষ্টা করা, ★সবমিলিয়ে দ্বীন পালনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা এবং একজন উত্তম ওলী/অবিভাবক হওয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করা। *আরেকটা বিষয়, স্বামী-স্ত্রীর মাঝে একটু আধটু মনোমালিন্য, ঝগড়াঝাটি হয়ই, সব পরিবারেই হয়। এসব তৃতীয় পক্ষকে না বলা, চাই সে যত আপনই হোন না কেন, তৃতীয় পক্ষের কারণে অনেকের সংসার নষ্ট হয়ে যায়। খুব বড় কোন সমস্যা হলে সমাধানের খাতিরে জ্ঞানী,অভিজ্ঞ কারো থেকে পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। অভিজ্ঞজন বলেন, অনেক পরিবার ভাঙ্গনের কারণ হলো দুইজন ব্যক্তি - ছেলের বোন, মেয়ের মা। এ-ই দুই ব্যক্তির কথা যদি কোন সংসারে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয় সে সংসার খুব তাড়াতাড়ি ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়।* আল্লাহ সবাইকে হিফাজত করুন! একটা সুখময় দাম্পত্য জীবনের জন্য দুজনকেই অনেক গুলো নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়, নিজ নিজ দায়িত্বের প্রতি সতর্ক থাকতে হয়। আমার উপর মূল মূল দায়িত্বগুলো উপরে উল্লেখ করা হয়েছে। আরো অনেক বিষয় আছে জানার ও মানার। রব আমাকে উত্তম জাওয হওয়ার তাওফিক দান করুন! একটা সুখময় দাম্পত্য জীবন দিন!
আপনার আহলিয়ার পর্দার ব্যবস্থা রাখতে পারবেন? হ্যা
যেমন জীবনসঙ্গী আশা করেন
বয়স (Required) ১৮-২৪
গাত্রবর্ণ শ্যামলা,উজ্জ্বল শ্যামলা,ফর্সা,উজ্জ্বল ফর্সা।
নূন্যতম উচ্চতা ৪"৫ -৫"৩
নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা মাধ্যমিক,উচ্চ মাধ্যমিক,স্নাতক
বৈবাহিক অবস্থা অবিবাহিত
জীবনসঙ্গীর পর্দা সম্পর্কে যেমনটা চান- (Required) যিনি পর্দার বিষয়ে বিন্দু পরিমাণে ছাড় দিবেন না; সবসময় খুব বেশি সতর্ক ও সচেতন থাকবেন এই ব্যাপারে। কালো বোরখা, লং হিজাব,হাত মোজা,পা মোজা, চোখের উপরের পর্দা ফেলে দিয়ে বাইরে বের হবেন; মোটকথা যেভাবে চললে সর্বোচ্চ পরিমাণে নিজেকে আবৃত রাখা যায়! (বাহ্যিকভাবে পোশাকের মাধ্যমে, আত্মিকভাবে চালচলন দ্বারা)।
অর্থনৈতিক অবস্থা নিম্নবিত্ত/ নিম্ন মধ্যবিত্ত/ মধ্যবিত্ত
জীবনসঙ্গীর যে বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী আশা করেন ★নারী হলেন ঘরের রানী; একজন নারীই পারেন একটা ঘরকে জান্নাতের বা জাহান্নামের টুকরা বানাতে। তিনি যেমন পরিচালনা করবেন, পরিবার সেই সাজে সজ্জিত হবে। তাই আমি নিচের গুণগুলো আমার মুহতারামাহ রানীর মধ্যে দেখতে চাই! আল্লাহ ব্যবস্থা করে দিন! ★জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে ও কাজে দ্বীনকে যিনি সর্বাগ্রে রাখবেন, প্রাধান্য দিবেন। দ্বীনের ব্যাপারে বিন্দু পরিমাণ আপোষ করতে রাজি হবেন না! ★কুরআনুল কারীম হিফজ করতে খুব বেশি আগ্রহী হবেন। যাতে উনার সন্তানরা মাতৃগর্ব থেকেই কুরআনের সাহচর্যে বেড়ে উঠে। ★স্বামীর অনুগত ও আমানতদারিতার গুণে গুণান্বিত হবেন, (বিয়ের পর একজন মেয়ে যত বেশি স্বামীর আনুগত্য করে চলে (শরীয়তের সীমার মধ্যে থেকে) এবং অল্পে তুষ্ট থাকে, সে পরিবার তত বেশিই শান্তিময় হয়।) বিয়ের পরে একজন মেয়ে শরীয়তের ভেতর তার স্বামীর সমস্ত আদেশ মেনে চলা এবং সর্বদা স্বামীর পছন্দ অপছন্দ খেয়াল রেখে চলা - এটা সবচেয়ে বড় ইবাদত। যেমন হাদীসে পাকে এসেছে - নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি যদি (আল্লাহ ব্যতিরেকে) অপর কাউকে সিজদা করতে বলতাম তবে স্বামীদের জন্য রমণীদেরকে সিজদা করার নির্দেশ করতাম। (আবূ দাঊদ)। একটি বাস্তব ঘটনা আছে- এক মহিলা ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানী রাহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেন- .ফদ্বীলাতুশ শাইখ, আমি বিয়ের আগে বেশি বেশি নামাজ, রোজা আদায় করতাম, কুরআন তিলাওয়াত করে শান্তি অনুভব করতাম, নেক আমলে শান্তি পেতাম কিন্তু এখন আমি সেসব বিষয়ে ঈমানের স্বাদ খুঁজে পাই না.. .ইমাম আলবানী রহিমাহুল্লাহ ওই মহিলাকে জিজ্ঞেস করেন, হে আমার মুসলিম বোন, তুমি তোমার স্বামীর হক আদায় করা এবং তাঁর কথা শোনার ব্যাপারে কতটুকু মনোযোগী? .মহিলা একটু বিরক্তবোধ করে বলে, শাইখ আমি আপনাকে নামাজ, রোজা, কুরআন তিলাওয়াত আর আল্লাহর আনুগত্যের কথা জিজ্ঞেস করছি, আর আপনি আমাকে আমার স্বামীর ব্যাপারে বলছেন! .শাইখ আলবানী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আমার বোন, অধিকাংশ মেয়ে এই কারণে ঈমানের স্বাদ, আল্লাহর আনুগত্যে, ইবাদতে তৃপ্তি পায় না। কেননা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মহিলা ঐ সময় অবধি ঈমানের স্বাদ বা তৃপ্তি পাবে না; যতক্ষণ পর্যন্ত নিজের স্বামীর হক্ব আদায় করবেনা। [কানযুল উম্মাল - ৪৪৮০০] ★স্বামী ঘরে থাকাকালীন যে স্ত্রী নফল নামাজ পড়তে ও নফল রোজা রাখতেও স্বামীর অনুমতি নিবেন, এমন মানুষকেই চাই। এমন মানুষেরই সংসার ও পরিবার অনাবিল সুখ-শান্তিতে ভরে উঠে নিমিষেই। এসব বিষয় না থাকার কারণে আজকাল অধিকাংশ সংসারে সুখের দেখা মিলেনা বা সংসারই টিকেনা। আল্লাহ এমন পরিস্থিতি থেকে আমাদের সকলকে হেফাজত করুন! আমিন। ★প্রেমময়ী হবেন। ★যিনি স্বামীর জন্য সবসময় সেজেগুজে থাকবেন। স্বামীর হৃদয়ের দরজা খোলার একটা মোক্ষম হাতিয়ার ‘স্বামীর জন্য স্ত্রী সাজসজ্জা করা।’ ঘরের স্ত্রী স্বামীর জন্য সেজেগুজে না থাকলে ঘরে সুন্দরী স্ত্রী রেখেও পুরুষ অন্য নারীর দিকে ধাবিত হয়ে যায়! এ-ই কঠিন ফেতনার যুগে স্ত্রী নিজেও বাঁচতে হবে, স্বামীকেও বাঁচাতে হবে। ★হাসিখুশি, বিনয়ী, ধৈর্যশীল, অল্পে তুষ্ট। ★স্বভাবগতভাবে ব্যক্তিত্বসম্পন্ন হবেন। ইসলামীক জ্ঞান অর্জনে অনেক বেশি আগ্রহী হবেন। শ্বাশুড়িকে নিজের আম্মু মনে করবেন, আপন করে নিবেন। যেকোনো পরিস্থিতিতে হাল ছেড়ে না দিয়ে সলুশ্যন করার চেষ্টা করবেন। আল্লাহ প্রাচুর্য দান করলে শুকরিয়া আদায়, প্রাচুর্য কেড়ে নিলে সবর করার মানসিকতা রাখবেন। ★দুনিয়ার চাইতে আখিরাতকে প্রাধান্য দিবেন। আখিরাতকে প্রাধান্য দেওয়ার সময় দুনিয়াবী কাজগুলোতে ভারসাম্য হারাবেন না,যেহেতু এগুলো করাও ইবাদাত। ★আমার ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন, তার ভুলগুলো আমি ধরিয়ে দিলে মেনে নিবেন (আল্লাহর হুকুমের বাহিরে নয়)। ★পরবর্তী প্রজম্মকে দ্বীনের দ্বায়ী করে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সামনে এগিয়ে চলবেন। ★রবের জন্য জান, মাল কুরবান করে দিতে বিন্দুমাত্র সংকোচ বোধ করবেন না। ★যিনি ভুলের উপর অটল না থেকে সত্য বিষয়কে মেনে নিবেন। কারণ, মানুষেরই তো ভুল হবে। কিন্তু ভুল শুধরে দেয়ার পরও তাতে অবিচল থাকাই হলো বিশাল বড় অপরাধ! *ফ্যামিলি, আত্মীয়- স্বজন ও সমাজে দ্বীন কায়েম করতে একজন দা'য়ীয়াহ জীবনসঙ্গীনী অনেক বেশি প্রয়োজন! আল্লাহ তায়া’লা মিলিয়ে দিন! *আমার খুবই ইচ্ছা, আমার মুহতারামাহ দা'য়ীয়াহ জীবনসঙ্গিনী আমার ফ্যামিলি ও আত্মীয় স্বজন মহিলাদের দ্বীনে ফেরানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাবেন, এটা উনার পক্ষ থেকে আমার জন্য অনেক বড় ইহসান হবে! পরিপূর্ণ দ্বীন পালনের প্রয়োজনে একসাথে পথচলার জন্য যিনি সহযাত্রী খুঁজছেন আমি তাঁর অপেক্ষায়!! রব সহজ করুন!
জীবনসংঙ্গীর জেলা যেমনটা চাচ্ছেন? (Required) দেশের যেকোনো জেলা।
অন্যান্য তথ্য
পেশা সম্পর্কিত তথ্য (Required) ব্যবসার পাশাপাশি মাদ্রাসার খেদমতে ও দ্বীনের বিভিন্ন দা'ওয়াহ মূলক কাজে যুক্ত থাকার ইচ্ছা। কারণ, ইসলামে আয়ের পথ হিসেবে ব্যবসাকেই প্রমোট করা হয়েছে এবং ব্যবসায় প্রচুর পরিমানে বরকত নিহিত রয়েছে, যেমনটি হাদীসে পাকে আমরা পেয়েছি। হালাল ইনকাম করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমার ভবিষ্যত প্ল্যান গুলো বাস্তবায়ন করতে হলে অনেক বেশি আর্থিক সচ্ছলতার প্রয়োজন। আর আমার জীবনে বুঝ ব্যবস্থা হওয়ার পর থেকেই বিজনেসের প্রতি আমার অনেক বেশি আগ্রহ। যদিও এখনো কোন বিজনেস শুরু হয়নি আল্লাহ তায়া’লা চাহে তো খুব দ্রুতই শুরু হবে এবং ধীরে ধীরে বড়সড় বিজনেসের দিকে এগিয়ে যাবো, ইন শা আল্লাহ!
বিশেষ কিছু যদি জানাতে চান আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তায়া’লার অসীম দয়ায় আমি নিজে লেবাসধারী না হয়ে সবসময় আমলদার হওয়ার চেষ্টা করি। তাই আমার চাওয়াও আমলদার জীবনসঙ্গিনী। সেই মাদ্রাসার ব্যাকগ্রাউন্ডের নাকি জেনারেল ব্যাকগ্রাউন্ডের তা আমার দেখার বিষয় না। আমি আমলওয়ালা মানুষদের সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি। আমি মূল মানুষটাকেই চাই, সেই আমলদার, অনুগত, দা'য়ী, সচেতন, ভদ্র হলেই আমার জন্য যথেষ্ট ইন শা আল্লাহ! *আমার লিখার ভুল-ভ্রান্তি গুলো অনুগ্রহপূর্বক ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন! এতো বিস্তারিত লিখার উদ্দেশ্য হলো - যাতে একজন মানুষ সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা পাওয়া যায় পাশাপাশি অন্যের জন্য দা'ওয়াহও হয়ে যায়। যাতে সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হয়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা’লা আপনাকে সর্বোত্তম জাযা দান করুন,দুনিয়া ও আখিরাতে সদা নিরাপত্তার চাদরে আবৃত রাখুন, শহীদদের মা হিসেবে কবূল করুন, দ্বীনের উপর আমৃত্যু অবিচল রেখে শাহাদাহর মহা সৌভাগ্য দিয়ে সম্মানিত করুন! আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ।
কর্তৃপক্ষের জিজ্ঞাসা
বায়োডাটা জমা দিচ্ছেন তা অভিভাবক জানেন? হ্যা
আল্লাহ'র শপথ করে সাক্ষ্য দিন, যে তথ্যগুলো দিচ্ছেন সব সত্য? হ্যা
কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে থাকলে তার দুনিয়াবী ও আখিরাতের দায়ভার ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ নিবে না। আপনি কি রাজি? হ্যা
যোগাযোগ

এই বায়োডাটার অভিভাবকের মোবাইল নাম্বার এবং ইমেইল পেতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

অভিভাবকের সাথে যোগাযোগ

সর্বমোট ভিউ: 245 ভিউস